দি ক্রাইম ডেস্ক: চাঁদপুরের কচুয়ায় বিদেশে পাঠানো টাকা পরিশোধকে কেন্দ্র করে মারধর ও কাঠের আঘাতে কেরামত আলী (৫৮) নামের এক ব্যক্তিকে হত্যার ঘটনায় দুই আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাদের ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে চাঁদপুরের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ সামছুন্নাহার এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—কচুয়া উপজেলার বিতারা ইউনিয়নের লইয়া মেহের পাঁচধারা গ্রামের মৃত আব্দুল মজিদের ছেলে মো. মোশারফ হোসেন (৩৫) এবং একই গ্রামের মো. হাছানের ছেলে মো. ইয়াছিন (৩৭)। নিহত কেরামত আলী একই এলাকার লেবার বাড়ির বাসিন্দা।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৮ সালের ২৩ আগস্ট সকালে বিদেশে পাঠানো টাকা পরিশোধ নিয়ে বিরোধের জেরে নিহতের ছেলে মো. জসিম উদ্দিনের সঙ্গে আসামিদের বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে আসামিরা জসিমের ছোট ভাই আল-আমিনের ওপর হামলা চালায়। এ সময় তাদের মা-বাবা এগিয়ে এলে আসামি ইয়াছিন কাঠ দিয়ে কেরামত আলীর মাথায় আঘাত করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার নবাবপুর টাওয়ার হাসপাতালে নেওয়ার পর ওই দিন সন্ধ্যা সাতটার দিকে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার পরদিন ২৪ আগস্ট নিহতের ছেলে জসিম উদ্দিন কচুয়া থানায় সাতজনকে আসামি করে মামলা করেন। মামলার তদন্তভার পান তৎকালীন কচুয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মামুনুর রশিদ সরকার। তদন্ত শেষে ২০১৯ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি তিনি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) কুহিনুর বেগম জানান, মামলায় আদালত ২০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। সাক্ষ্য-প্রমাণ ও নথিপত্র পর্যালোচনা করে দুই আসামির অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় ইয়াছিন আদালতে উপস্থিত ছিলেন। অপর আসামি মোশারফ হোসেন পলাতক রয়েছেন। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় বাকি পাঁচ আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

দি ক্রাইম ডেস্ক: চাঁদপুরের কচুয়ায় বিদেশে পাঠানো টাকা পরিশোধকে কেন্দ্র করে মারধর ও কাঠের আঘাতে কেরামত আলী (৫৮) নামের এক ব্যক্তিকে হত্যার ঘটনায় দুই আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাদের ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে চাঁদপুরের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ সামছুন্নাহার এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—কচুয়া উপজেলার বিতারা ইউনিয়নের লইয়া মেহের পাঁচধারা গ্রামের মৃত আব্দুল মজিদের ছেলে মো. মোশারফ হোসেন (৩৫) এবং একই গ্রামের মো. হাছানের ছেলে মো. ইয়াছিন (৩৭)। নিহত কেরামত আলী একই এলাকার লেবার বাড়ির বাসিন্দা।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৮ সালের ২৩ আগস্ট সকালে বিদেশে পাঠানো টাকা পরিশোধ নিয়ে বিরোধের জেরে নিহতের ছেলে মো. জসিম উদ্দিনের সঙ্গে আসামিদের বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে আসামিরা জসিমের ছোট ভাই আল-আমিনের ওপর হামলা চালায়। এ সময় তাদের মা-বাবা এগিয়ে এলে আসামি ইয়াছিন কাঠ দিয়ে কেরামত আলীর মাথায় আঘাত করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার নবাবপুর টাওয়ার হাসপাতালে নেওয়ার পর ওই দিন সন্ধ্যা সাতটার দিকে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার পরদিন ২৪ আগস্ট নিহতের ছেলে জসিম উদ্দিন কচুয়া থানায় সাতজনকে আসামি করে মামলা করেন। মামলার তদন্তভার পান তৎকালীন কচুয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মামুনুর রশিদ সরকার। তদন্ত শেষে ২০১৯ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি তিনি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) কুহিনুর বেগম জানান, মামলায় আদালত ২০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। সাক্ষ্য-প্রমাণ ও নথিপত্র পর্যালোচনা করে দুই আসামির অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় ইয়াছিন আদালতে উপস্থিত ছিলেন। অপর আসামি মোশারফ হোসেন পলাতক রয়েছেন। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় বাকি পাঁচ আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।