নুরুল ইসলাম: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তী চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসনে সহিংসতার অভিযোগ এনে জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবী জানানো হয়েছে দক্ষিণ চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় আয়োজিত বিএনপির উদ্যোগে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে। নেতৃবৃন্দের দাবী নির্বাচনে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ তাদের দলীয় নেতা-কর্মী, নারীদের ওপর সংঘঠিত হামলা, বসতঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুরসহ লুটপাট করা হয়েছে। ১৫ ফেব্রুয়ারী রবিবার বিকেল সোয়া ৫টায় এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্টিত হয় লোহাগাড়া উপজেলা সদরের এক হাইওয়ে রেস্টুরেন্ট হলরুমে। সংবাদ সম্মেলনে মূল বক্তব্য রাখেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১৫ আসনে বিএনপির প্রার্থী নাজমুল মোস্তফা আমিন। এসময় চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দসহ সাতকানিয়া-লোহাগাড়ার নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, এ নির্বাচন পরবর্তী সাতকানিয়া উপজেলার ঢেমশা, পশ্চিম ঢেমশা, কাঞ্চনা ও চরতীতে বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর হামলা করা হয়েছে পরিকল্পিতভাবে। এখনও হুমকি-ধমকি দেওয়া হচ্ছে। এ ঘটনার জন্য জামায়াত-শিবির নেতাকর্মীদের দায়ী করা হয় সংবাদ সম্মেলনে। নেতৃবৃন্দ বলেন বিএনপি গনতন্ত্র ও ন্যায় প্রতিষ্ঠায় বিশ্বাসী। প্রতিপক্ষরা এ ঘটনা ঘটিয়েছে নির্বাচনের পর ১৩ ও ১৪ ফেব্রুয়ারি। বলা হয়েছে লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি এলাকার ফারাঙ্গা গ্রামেও হামলা করা হয়েছে।

সাতকানিয়া এক ছাত্রনেতা ও তার বোনকে বেদম মারধর করা হয়েছে। উপজেলার চুড়ামনিতে গুলি ছুড়া হয়েছে। নেতৃবৃন্দ বলেন বিএনপি ধৈর্যের পরিচয় দিচ্ছে। এসব ঘটনা যেন আর না হয়। নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, এখানে বিএনপি নেতাকর্মীরা শান্তিতে বসবাস করতে চায়। যদি পুনরায় এ ধরনের ঘটনা ঘটে, তাহলে বিএনপি বসে থাকবে না। দেশের বৃহত্তর স্বার্থে অপ্রীতিকর কিছু করতে চাই না বলে উল্লেখ করেন বিএনপি নেতৃবৃন্দ।

নির্বাচনে প্রশাসনের অনিয়মের নানা তথ্য তুলে ধরা হয় এ সংবাদ সম্মেলনে। প্রার্থী নাজমুল মোস্তফা আমিন বলেন, নির্বাচন কেন্দ্রে প্রিজাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ও পুলিং অফিসার নিয়োগে দেওয়া হয়েছে জামায়াত সমর্থিত লোকজনকে। লোহাগাড়া উপজেলা প্রশাসন যেভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন তা খুবই দুঃখজনক। নির্বাচনের দিন বিএনপি নেতাকর্মী ও সমর্থকদের কেন্দ্রে ধাওয়া করা হয়েছে। বিএনপি জনসমর্থন দেখে প্রতিপক্ষরা নানা কৌশল অবলম্বন করেছে। ভোট গণনার সময়ও বিস্তার করা হয়েছে প্রভাব। লোহাগাড়া ইউএনওকে ওএসডি করার দাবিও তোলা হয়েছে এ সংবাদ সম্মেলনে।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আসহাব উদ্দীন চৌধুরী, শেখ মোঃ মহিউদ্দিন, মুজিবুর রহমান চেয়ারম্যান, এস.এম সলিম উদ্দীন খোকন চৌধুরী ও শেফায়েত উল্লাহ্ প্রমুখ।

বিএনপি নেতা ফৌজুল কবির ফজলুর সঞ্চালনায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা জসীম উদ্দীন, নুরুল কবির, আবু সায়েদ চৌধুরী, সাব্বির আহমদ ও এটিএম জাহেদ চৌধুরীসহ লোহাগাড়া ও সাতকানিয়া বিএনপি নেতৃবৃন্দ।

নুরুল ইসলাম: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তী চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসনে সহিংসতার অভিযোগ এনে জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবী জানানো হয়েছে দক্ষিণ চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় আয়োজিত বিএনপির উদ্যোগে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে। নেতৃবৃন্দের দাবী নির্বাচনে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ তাদের দলীয় নেতা-কর্মী, নারীদের ওপর সংঘঠিত হামলা, বসতঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুরসহ লুটপাট করা হয়েছে। ১৫ ফেব্রুয়ারী রবিবার বিকেল সোয়া ৫টায় এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্টিত হয় লোহাগাড়া উপজেলা সদরের এক হাইওয়ে রেস্টুরেন্ট হলরুমে। সংবাদ সম্মেলনে মূল বক্তব্য রাখেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১৫ আসনে বিএনপির প্রার্থী নাজমুল মোস্তফা আমিন। এসময় চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দসহ সাতকানিয়া-লোহাগাড়ার নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, এ নির্বাচন পরবর্তী সাতকানিয়া উপজেলার ঢেমশা, পশ্চিম ঢেমশা, কাঞ্চনা ও চরতীতে বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর হামলা করা হয়েছে পরিকল্পিতভাবে। এখনও হুমকি-ধমকি দেওয়া হচ্ছে। এ ঘটনার জন্য জামায়াত-শিবির নেতাকর্মীদের দায়ী করা হয় সংবাদ সম্মেলনে। নেতৃবৃন্দ বলেন বিএনপি গনতন্ত্র ও ন্যায় প্রতিষ্ঠায় বিশ্বাসী। প্রতিপক্ষরা এ ঘটনা ঘটিয়েছে নির্বাচনের পর ১৩ ও ১৪ ফেব্রুয়ারি। বলা হয়েছে লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি এলাকার ফারাঙ্গা গ্রামেও হামলা করা হয়েছে।

সাতকানিয়া এক ছাত্রনেতা ও তার বোনকে বেদম মারধর করা হয়েছে। উপজেলার চুড়ামনিতে গুলি ছুড়া হয়েছে। নেতৃবৃন্দ বলেন বিএনপি ধৈর্যের পরিচয় দিচ্ছে। এসব ঘটনা যেন আর না হয়। নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, এখানে বিএনপি নেতাকর্মীরা শান্তিতে বসবাস করতে চায়। যদি পুনরায় এ ধরনের ঘটনা ঘটে, তাহলে বিএনপি বসে থাকবে না। দেশের বৃহত্তর স্বার্থে অপ্রীতিকর কিছু করতে চাই না বলে উল্লেখ করেন বিএনপি নেতৃবৃন্দ।

নির্বাচনে প্রশাসনের অনিয়মের নানা তথ্য তুলে ধরা হয় এ সংবাদ সম্মেলনে। প্রার্থী নাজমুল মোস্তফা আমিন বলেন, নির্বাচন কেন্দ্রে প্রিজাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ও পুলিং অফিসার নিয়োগে দেওয়া হয়েছে জামায়াত সমর্থিত লোকজনকে। লোহাগাড়া উপজেলা প্রশাসন যেভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন তা খুবই দুঃখজনক। নির্বাচনের দিন বিএনপি নেতাকর্মী ও সমর্থকদের কেন্দ্রে ধাওয়া করা হয়েছে। বিএনপি জনসমর্থন দেখে প্রতিপক্ষরা নানা কৌশল অবলম্বন করেছে। ভোট গণনার সময়ও বিস্তার করা হয়েছে প্রভাব। লোহাগাড়া ইউএনওকে ওএসডি করার দাবিও তোলা হয়েছে এ সংবাদ সম্মেলনে।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আসহাব উদ্দীন চৌধুরী, শেখ মোঃ মহিউদ্দিন, মুজিবুর রহমান চেয়ারম্যান, এস.এম সলিম উদ্দীন খোকন চৌধুরী ও শেফায়েত উল্লাহ্ প্রমুখ।

বিএনপি নেতা ফৌজুল কবির ফজলুর সঞ্চালনায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা জসীম উদ্দীন, নুরুল কবির, আবু সায়েদ চৌধুরী, সাব্বির আহমদ ও এটিএম জাহেদ চৌধুরীসহ লোহাগাড়া ও সাতকানিয়া বিএনপি নেতৃবৃন্দ।