কুমিল্লা প্রতিনিধি: কুমিল্লার মনোহরগঞ্জে বিএনপি’র তৃণমূলের সম্মেলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে অন্তত ১২জন আহত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১ মে) উপজেলার লক্ষণপুর ইউপি’র বিভিন্ন ওয়ার্ডে সম্মেলন চলাকালে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ঐ ইউপির ৮টি ওয়ার্ডে সম্মেলন স্থগিত করা হয়েছে।

জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে নয়টায় মড়হ পশ্চিমপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে শুরু হয় উপজেলার লক্ষণপুর ইউনিয়নের ৭, ৮ ও ৯ নং ওয়ার্ড বিএনপির সম্মেলন। সম্মেলনের শুরুতে প্রার্থিতা বিষয়ে পরস্পর বিরোধী অভিযোগের পর উপজেলা বিএনপি নেতৃবৃন্দের সামনেই তর্কে জড়িয়ে পড়ে প্রার্থীরা। এক পর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। পরে শুরু হয় ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া। পরিস্থিতি সামাল দিতে না পেরে সেখানকার ৩ ওয়ার্ডের কমিটি স্থগিত করা হয়।

এদিকে, দুপুর ১২টায় কান্দিরপাড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে শুরু হয় একই ইউপির ৪, ৫ ও ৬ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিল। ৬ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিল সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হলে পরবর্তীতে শুরু হয় ৪নং ওয়ার্ডের কাউন্সিল, সেখানেও প্রার্থীরা নিজেদের অভ্যন্তরীণ কোন্দলে জড়িয়ে পড়ে। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের পক্ষে-বিপক্ষে প্রার্থীর বৈধতা নিয়ে চ্যালেঞ্জ করা হলে শুরু হয় বাকবিতণ্ডা। এ সময় সম্মেলনস্থলে চেয়ার ভাংচুর, লাঠিসোটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। একপর্যায়ে তা রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে পরিণত হয়। সংঘর্ষে বিএনপির অন্তত ১২জন কর্মী আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাহিরে চলে গেলে পরবর্তীতে এটিসহ ঐ ইউপির মোট ৮টি ওয়ার্ডের কাউন্সিল স্থগিত ঘোষণা করে উপজেলা বিএনপি নেতৃবৃন্দ সম্মেলনস্থল ত্যাগ করেন। এছাড়াও বিএনপি’র এ সম্মেলনকে কেন্দ্র করে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে একাধিক স্থানে সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে।

মনোহরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক ও লক্ষণপুর ইউনিয়নের সম্মেলন পরিচালনা কমিটির টিম লিডার এম. শওকত হোসেন শিহাব সম্মেলনে সংঘর্ষের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, লক্ষণপুর ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৮টি ওয়ার্ডে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের কারণে সম্মেলন সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। বিষয়টি দলের হাইকমান্ডকে অবহিত করার কথা জানান তিনি।

এ বিষয়ে কথা হলে উপজেলা বিএনপি’র আহবায়ক আলহাজ্ব মো. ইলিয়াছ পাটওয়ারী গণমাধ্যমকে বলেন যে সকল ওয়ার্ডে সম্মেলন স্থগিত করা হয়েছে সেগুলো আপাতত স্থগিত থাকবে। পরবর্তীতে উপজেলা বিএনপি’র আহবায়ক কমিটির মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত মোতাবেক পরবর্তী সম্মেলনের তারিখ ঘোষণা করা হবে।

সম্মেলন বাধাগ্রস্ত ও দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী কাজে দায়ীদের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করার কথাও জানান তিনি।

কুমিল্লা প্রতিনিধি: কুমিল্লার মনোহরগঞ্জে বিএনপি’র তৃণমূলের সম্মেলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে অন্তত ১২জন আহত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১ মে) উপজেলার লক্ষণপুর ইউপি’র বিভিন্ন ওয়ার্ডে সম্মেলন চলাকালে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ঐ ইউপির ৮টি ওয়ার্ডে সম্মেলন স্থগিত করা হয়েছে।

জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে নয়টায় মড়হ পশ্চিমপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে শুরু হয় উপজেলার লক্ষণপুর ইউনিয়নের ৭, ৮ ও ৯ নং ওয়ার্ড বিএনপির সম্মেলন। সম্মেলনের শুরুতে প্রার্থিতা বিষয়ে পরস্পর বিরোধী অভিযোগের পর উপজেলা বিএনপি নেতৃবৃন্দের সামনেই তর্কে জড়িয়ে পড়ে প্রার্থীরা। এক পর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। পরে শুরু হয় ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া। পরিস্থিতি সামাল দিতে না পেরে সেখানকার ৩ ওয়ার্ডের কমিটি স্থগিত করা হয়।

এদিকে, দুপুর ১২টায় কান্দিরপাড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে শুরু হয় একই ইউপির ৪, ৫ ও ৬ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিল। ৬ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিল সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হলে পরবর্তীতে শুরু হয় ৪নং ওয়ার্ডের কাউন্সিল, সেখানেও প্রার্থীরা নিজেদের অভ্যন্তরীণ কোন্দলে জড়িয়ে পড়ে। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের পক্ষে-বিপক্ষে প্রার্থীর বৈধতা নিয়ে চ্যালেঞ্জ করা হলে শুরু হয় বাকবিতণ্ডা। এ সময় সম্মেলনস্থলে চেয়ার ভাংচুর, লাঠিসোটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। একপর্যায়ে তা রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে পরিণত হয়। সংঘর্ষে বিএনপির অন্তত ১২জন কর্মী আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাহিরে চলে গেলে পরবর্তীতে এটিসহ ঐ ইউপির মোট ৮টি ওয়ার্ডের কাউন্সিল স্থগিত ঘোষণা করে উপজেলা বিএনপি নেতৃবৃন্দ সম্মেলনস্থল ত্যাগ করেন। এছাড়াও বিএনপি’র এ সম্মেলনকে কেন্দ্র করে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে একাধিক স্থানে সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে।

মনোহরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক ও লক্ষণপুর ইউনিয়নের সম্মেলন পরিচালনা কমিটির টিম লিডার এম. শওকত হোসেন শিহাব সম্মেলনে সংঘর্ষের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, লক্ষণপুর ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৮টি ওয়ার্ডে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের কারণে সম্মেলন সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। বিষয়টি দলের হাইকমান্ডকে অবহিত করার কথা জানান তিনি।

এ বিষয়ে কথা হলে উপজেলা বিএনপি’র আহবায়ক আলহাজ্ব মো. ইলিয়াছ পাটওয়ারী গণমাধ্যমকে বলেন যে সকল ওয়ার্ডে সম্মেলন স্থগিত করা হয়েছে সেগুলো আপাতত স্থগিত থাকবে। পরবর্তীতে উপজেলা বিএনপি’র আহবায়ক কমিটির মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত মোতাবেক পরবর্তী সম্মেলনের তারিখ ঘোষণা করা হবে।

সম্মেলন বাধাগ্রস্ত ও দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী কাজে দায়ীদের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করার কথাও জানান তিনি।