বিজন কুমার বিশ্বাস, কক্সবাজার প্রতিনিধিঃ বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ এক দশক পর নিজ জন্মভূমি কক্সবাজারে পা রেখে পরম মমতা ও ভালোবাসায় সিক্ত হলেন লাখো জনতার। আজ বুধবার (২৮ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১ টায় বেসরকারি একটি বিমানে তিনি কক্সবাজার বিমানবন্দরে পৌঁছান।

এ সময় বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা লুৎফর রহমান কাজল, জেলা বিএনপির সভাপতি শাহজাহান চৌধুরীসহ জেলা ও উপজেলা বিএনপির অঙ্গ সংগঠন নেতারা তাকে স্বাগত ও ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।

বিএনপির শীর্ষ এ নেতাকে স্বাগত জানিয়ে বিমানবন্দর থেকে শুরু করে পুরো কক্সবাজার শহর ও কক্সবাজার থেকে চকরিয়া ও পেকুয়া পর্যন্ত সড়ক মহাসড়কে তোরণ-ব্যানার-ফেস্টুনে ছেয়ে দেন। কক্সবাজার জেলাবাসির প্রিয় নেতা সালাহউদ্দিনকে স্বাগত জানাতে এবং তাকে এক নজর দেখতে বিমানবন্দর টার্মিনাল সড়কে হাজার হাজার নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের উপচে পড়া ভিড় চোখে পরার মতো।

কক্সবাজার জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক হুইপ শাহজাহান চৌধুরী জানিয়েছেন, সালাহউদ্দিন আহমেদকে বরণ করতে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, বিমান বন্দর থেকে পথসভা করতে করতে চকরিয়ায় একটি সংবর্ধনা ও জনসভায় যোগ দিবেন। জনসভা শেষে জন্মভূমি পেকুয়ায় অবস্থান করবেন সপ্তাহ ব্যাপী। এক নজর দেখতে উন্মুখ হয়ে আছে জেলার সাধারণ মানুষ।

চকরিয়ায় সংবর্ধনা ও জনসভায় বক্তৃতা দিতে গিয়ে বলেন, আমি আল্লাহর নিকট চেয়েছি আমার মৃতদেহ পরিবার ও আপনাদের মাঝে ফিরিয়ে দেয়।

তিনি আরো বলেন, কোনো প্রতিহিংসা নয় এখন সময় প্রতিটি মানুষের কাছে শান্তি ফিরিয়ে দেওয়া। জনসভায় লাখো নারী পুরুষের উপস্থিতে তিল ধারণের জায়গা ছিল না। চকরিয়ার বাসটার্মিনালের দুই পাশে জনসমুদ্রে পরিনত হয়। এ সময় আরো বক্তব্য রাখেন চকরিয়া বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

চকরিয়া পেকুয়া বিএনপি মারফত জানা যায়, পেকুয়া সপ্তাহ ব্যাপী অবস্থান করে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে নিহতদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও তাদের কবর জিয়ারতসহ দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন তিনি।

বিজন কুমার বিশ্বাস, কক্সবাজার প্রতিনিধিঃ বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ এক দশক পর নিজ জন্মভূমি কক্সবাজারে পা রেখে পরম মমতা ও ভালোবাসায় সিক্ত হলেন লাখো জনতার। আজ বুধবার (২৮ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১ টায় বেসরকারি একটি বিমানে তিনি কক্সবাজার বিমানবন্দরে পৌঁছান।

এ সময় বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা লুৎফর রহমান কাজল, জেলা বিএনপির সভাপতি শাহজাহান চৌধুরীসহ জেলা ও উপজেলা বিএনপির অঙ্গ সংগঠন নেতারা তাকে স্বাগত ও ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।

বিএনপির শীর্ষ এ নেতাকে স্বাগত জানিয়ে বিমানবন্দর থেকে শুরু করে পুরো কক্সবাজার শহর ও কক্সবাজার থেকে চকরিয়া ও পেকুয়া পর্যন্ত সড়ক মহাসড়কে তোরণ-ব্যানার-ফেস্টুনে ছেয়ে দেন। কক্সবাজার জেলাবাসির প্রিয় নেতা সালাহউদ্দিনকে স্বাগত জানাতে এবং তাকে এক নজর দেখতে বিমানবন্দর টার্মিনাল সড়কে হাজার হাজার নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের উপচে পড়া ভিড় চোখে পরার মতো।

কক্সবাজার জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক হুইপ শাহজাহান চৌধুরী জানিয়েছেন, সালাহউদ্দিন আহমেদকে বরণ করতে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, বিমান বন্দর থেকে পথসভা করতে করতে চকরিয়ায় একটি সংবর্ধনা ও জনসভায় যোগ দিবেন। জনসভা শেষে জন্মভূমি পেকুয়ায় অবস্থান করবেন সপ্তাহ ব্যাপী। এক নজর দেখতে উন্মুখ হয়ে আছে জেলার সাধারণ মানুষ।

চকরিয়ায় সংবর্ধনা ও জনসভায় বক্তৃতা দিতে গিয়ে বলেন, আমি আল্লাহর নিকট চেয়েছি আমার মৃতদেহ পরিবার ও আপনাদের মাঝে ফিরিয়ে দেয়।

তিনি আরো বলেন, কোনো প্রতিহিংসা নয় এখন সময় প্রতিটি মানুষের কাছে শান্তি ফিরিয়ে দেওয়া। জনসভায় লাখো নারী পুরুষের উপস্থিতে তিল ধারণের জায়গা ছিল না। চকরিয়ার বাসটার্মিনালের দুই পাশে জনসমুদ্রে পরিনত হয়। এ সময় আরো বক্তব্য রাখেন চকরিয়া বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

চকরিয়া পেকুয়া বিএনপি মারফত জানা যায়, পেকুয়া সপ্তাহ ব্যাপী অবস্থান করে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে নিহতদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও তাদের কবর জিয়ারতসহ দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন তিনি।