প্রেস বিজ্ঞপ্তি: বাংলাদেশ অটোরিক্সা-অটোটেম্পু হালকাযান পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন চট্টগ্রাম আঞ্চলিক কমিটির এক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে উপস্থিত ছিলেন সভাপতি মো. ইউসুফ, সহ- সভাপতি আল আমীন, আব্দুর সবুর মাইজভান্ডারী, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইউসুফ আলী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাবেদ আলম, মো. কবির উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক একরামুল ইসলাম, অর্থ সম্পাদক আমির হোসেন, প্রচার সম্পাদক মো. রাসেল, আইন বিষয়ক সম্পাদক মো. সম্রাট, সমাজকল্যাণ সম্পাদক নেজাম উদ্দিন, কার্যনির্বাহী সদস্য মো. রনি প্রমুখ।
পরিবহণ সেক্টরের শ্রমিকদের বিরুদ্ধে একটি মহল দীর্ঘদিন থেকে শ্রমিকের অধিকার ও দাবি আদায়ের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করে আসছে। বাংলাদেশ অটোরিক্স হালকাযান পরিবহণ শ্রমিক ফেডারেশন সংগঠনের দাবি আদায়ে একমাত্র জাতীয় ভিত্তিক ফেডারেশন (রেজি. নং বি-২১৮১)।
সভায় বাংলাদেশ অটোরিক্স হালকাযান পরিবহণ শ্রমিক ফেডারেশন-এর বিভিন্ন দাবি সম্পর্কে আলোচনা করা হয়।
দাবিসমূহ হলো- গত ২০০৭ সালে যোগাযোগ মন্ত্রণালযের সাথে সম্পাদিত চুক্তি অনুযায়ী ঢাকায় চালকদের নামে ৫ হাজার ও চট্টগ্রামে ৪ হাজার সিএনজি অটোরিক্সা অবিলম্বে চালকদের কাছে হস্তান্তর করতে হবে। ১৯৮০ সালে পাশকৃত চালকদের নিয়োগ পত্র আইন বাস্তবায়ন করতে হবে। সড়ক পরিবহণ আইন ২০১৮ এর ২১টি কালো আইনের ধারা সংশোধনপূর্বক বাস্তবায়ন করতে হবে। যে সকল সড়কে ডিভাইডার ও বাইলেন নির্মাণ হয়নি, সেই সকল সড়ক- মহাসড়কে ডিভাইডার নির্মাণ করতে হবে। ২১ অক্টোবর ২০১৮ সালের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সিএনজি অটোরিক্স শ্রমিক প্রতিনিধিদের জেলা আরটিসি কমিটিতে অন্তর্ভুক্তির প্রজ্ঞাপন জারি করতে হবে। পরিবহণ শ্রমিকদের জন্য ও শ্রমিক কল্যাণ তহবিল এর সকল সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে। চালকদের লাইসেন্স ও ডোপ টেস্টের নামে হয়রানি বন্ধ করতে হবে। জেলা ও উপজেলায় চালক ও যাত্রীর সুবিধার্থে বিভিন্ন স্থানে অটোরিক্সা ও হালকাযানের জন্য পার্কিং স্ট্যান্ড স্থাপন করতে হবে। হালকাযান গাড়ির নতুন রেজিস্ট্রেশনের জন্য সরকারি ব্যাংক বাবদ ফি বাবদ জমা দিয়ে কোন অফিস খরচ ছাড়া রেজিস্ট্রেশন (যে কোন মডেলের ক্ষেত্রে) প্রদান করতে হবে। শ্রমিক যখন ডিএল বানানোর জন্য বিআরটিএ তে যাবে সরকারি জমা বাদে কোন বাড়তি ফি/ হয়রানি না করে এক মাসের মধ্যে ডি.এল প্রদান করতে হবে।




