অর্থনীতি ডেস্ক: ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের গ্রাহকদের অভিযোগের হার বাড়ছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ২০২২-২০২৩ সালের বার্ষিক প্রতিবেদনে দেখা যায়, ব্যাংকের সেবা পেতে বাধাগ্রস্ত হয়ে ১০ হাজার ৫৪২টি অভিযোগ এসেছে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে। এর মধ্যে ৮ হাজার ৬৮২টি অভিযোগ নিষ্পত্তি বা সমাধান করেছে সংস্থাটি।

অর্থাৎ, মোট অভিযোগের মধ্যে ৮২.৩৬ শতাংশ নিষ্পত্তি হয়েছে। আগের অর্থবছরে (২০২১-২০২২) অভিযোগ নিষ্পত্তির হার ছিল ৯১.৪২ শতাংশ। তারও আগের অর্থবছরে অভিযোগ নিষ্পত্তির হার ছিল ১০০ শতাংশ। অর্থাৎ, বছরের পর বছর অভিযোগের সংখ্যা বাড়লেও নিষ্পত্তির হার কমেছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, দিনে দিনে বাড়ছে কার্ডের মাধ্যমে লেনদেন। মোবাইল ব্যাংকিং এখন খুবই জনপ্রিয় একটি লেনদেন মাধ্যম। তাই ব্যাংকিং সেবাগ্রহীতা বৃদ্ধির পাশাপাশি ক্রমেই বাড়ছে ব্যাংকের সেবা পরিধি। অর্থনীতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে বড় হচ্ছে পুরো ব্যাংক খাত। তাই অভিযোগের সংখ্যাও বাড়ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ব্যাংক ও আর্থিক সেবা পেতে হয়রানির শিকার হলে কিংবা অন্য কোনো অভিযোগ থাকলে ভুক্তভোগীরা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টিগ্রিটি অ্যান্ড কাস্টমার সার্ভিস ডিপার্টমেন্টে (এফআইসিএসডি) জানাতে পারেন। ব্যাংকিং খাতে অনিয়ম, দুর্নীতি ও জাল-জালিয়াতি প্রতিরোধ ও হ্রাস করার লক্ষ্যে এফআইসিএসডির ভিজিলেন্স ও এন্টিফ্রড ডিভিশনের বিশেষ পরিদর্শনের মাধ্যমে ব্যাংকিং খাতের ওপর নিবিড় নজরদারি করে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টিগ্রিটি অ্যান্ড কাস্টমার সার্ভিসেস ডিপার্টমেন্টের (এফআইসিএসডি) তথ্য অনুযায়ী, সাধারণত ১৩ ধরনের অভিযোগ করে থাকেন গ্রাহক। এর মধ্যে সাধারণ ব্যাংকিং বাধাপ্রাপ্ত হওয়া, ব্যাংক গ্যারান্টি-সংক্রান্ত সমস্যা, নোটস্ অ্যান্ড কয়েনস্-বিষয়ক সমস্যা, গ্রাহকসেবায় অসন্তুষ্টি, লিগ্যাল নোটিশ, লোনস্ অ্যান্ড অ্যাডভান্স, ফিস অ্যান্ড চার্জেস, লোকাল ট্রেড বিল, ফরেন ট্রেড বিল, চেক জালিয়াতি, রেমিট্যান্স, কার্ডস, মোবাইল ব্যাংকিং ইত্যাদি।

সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে অভিযোগ বাড়লেও নিষ্পত্তি হার কমছে। এ প্রসঙ্গে ব্যাংক-সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নির্বাচনের বছর হওয়ায় ব্যাংকগুলোতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিশেষ টিমের পরিদর্শন কম হয়েছে। ২০২০ সালে মহামারি করোনার সময় কর্মী ছাঁটাই করে বেশ কিছু বেসরকারি ব্যাংক। আবার অনেককে পদত্যাগ করতে বাধ্য করার অভিযোগও পাওয়া যায়। এমন পরিস্থিতিতে ব্যাংক কর্মীদের ছাঁটাই বন্ধ এবং করোনাকালে চাকরিচ্যুত বা পদত্যাগে বাধ্য হওয়া ব্যাংক কর্মীদের চাকরিতে পুনর্বহালের নির্দেশ দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। কিন্তু এই নির্দেশ মানেনি ব্যাংকগুলো। তাই উপায় না পেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন চাকরিচ্যুতরা।

চাকরিচ্যুতির বিষয়টি আমলে নিয়ে ব্যাংকারদের পক্ষে রুল জারি করে হাইকোর্ট। একই সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকে চাকরিতে পুনর্বহালের আবেদন করতে বলা হয়। সেই আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে চাকরি ফিরে পেতে গভর্নরকে চিঠিও দিয়েছিলেন ব্যাংকাররা। চাকরিহারা এসব ব্যাংকারের সবাই কেন্দ্রীয় ব্যাংকে অভিযোগ করেছেন। এর কারণেই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে অভিযোগের সংখ্যা বেড়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

অর্থনীতি ডেস্ক: ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের গ্রাহকদের অভিযোগের হার বাড়ছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ২০২২-২০২৩ সালের বার্ষিক প্রতিবেদনে দেখা যায়, ব্যাংকের সেবা পেতে বাধাগ্রস্ত হয়ে ১০ হাজার ৫৪২টি অভিযোগ এসেছে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে। এর মধ্যে ৮ হাজার ৬৮২টি অভিযোগ নিষ্পত্তি বা সমাধান করেছে সংস্থাটি।

অর্থাৎ, মোট অভিযোগের মধ্যে ৮২.৩৬ শতাংশ নিষ্পত্তি হয়েছে। আগের অর্থবছরে (২০২১-২০২২) অভিযোগ নিষ্পত্তির হার ছিল ৯১.৪২ শতাংশ। তারও আগের অর্থবছরে অভিযোগ নিষ্পত্তির হার ছিল ১০০ শতাংশ। অর্থাৎ, বছরের পর বছর অভিযোগের সংখ্যা বাড়লেও নিষ্পত্তির হার কমেছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, দিনে দিনে বাড়ছে কার্ডের মাধ্যমে লেনদেন। মোবাইল ব্যাংকিং এখন খুবই জনপ্রিয় একটি লেনদেন মাধ্যম। তাই ব্যাংকিং সেবাগ্রহীতা বৃদ্ধির পাশাপাশি ক্রমেই বাড়ছে ব্যাংকের সেবা পরিধি। অর্থনীতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে বড় হচ্ছে পুরো ব্যাংক খাত। তাই অভিযোগের সংখ্যাও বাড়ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ব্যাংক ও আর্থিক সেবা পেতে হয়রানির শিকার হলে কিংবা অন্য কোনো অভিযোগ থাকলে ভুক্তভোগীরা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টিগ্রিটি অ্যান্ড কাস্টমার সার্ভিস ডিপার্টমেন্টে (এফআইসিএসডি) জানাতে পারেন। ব্যাংকিং খাতে অনিয়ম, দুর্নীতি ও জাল-জালিয়াতি প্রতিরোধ ও হ্রাস করার লক্ষ্যে এফআইসিএসডির ভিজিলেন্স ও এন্টিফ্রড ডিভিশনের বিশেষ পরিদর্শনের মাধ্যমে ব্যাংকিং খাতের ওপর নিবিড় নজরদারি করে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টিগ্রিটি অ্যান্ড কাস্টমার সার্ভিসেস ডিপার্টমেন্টের (এফআইসিএসডি) তথ্য অনুযায়ী, সাধারণত ১৩ ধরনের অভিযোগ করে থাকেন গ্রাহক। এর মধ্যে সাধারণ ব্যাংকিং বাধাপ্রাপ্ত হওয়া, ব্যাংক গ্যারান্টি-সংক্রান্ত সমস্যা, নোটস্ অ্যান্ড কয়েনস্-বিষয়ক সমস্যা, গ্রাহকসেবায় অসন্তুষ্টি, লিগ্যাল নোটিশ, লোনস্ অ্যান্ড অ্যাডভান্স, ফিস অ্যান্ড চার্জেস, লোকাল ট্রেড বিল, ফরেন ট্রেড বিল, চেক জালিয়াতি, রেমিট্যান্স, কার্ডস, মোবাইল ব্যাংকিং ইত্যাদি।

সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে অভিযোগ বাড়লেও নিষ্পত্তি হার কমছে। এ প্রসঙ্গে ব্যাংক-সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নির্বাচনের বছর হওয়ায় ব্যাংকগুলোতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিশেষ টিমের পরিদর্শন কম হয়েছে। ২০২০ সালে মহামারি করোনার সময় কর্মী ছাঁটাই করে বেশ কিছু বেসরকারি ব্যাংক। আবার অনেককে পদত্যাগ করতে বাধ্য করার অভিযোগও পাওয়া যায়। এমন পরিস্থিতিতে ব্যাংক কর্মীদের ছাঁটাই বন্ধ এবং করোনাকালে চাকরিচ্যুত বা পদত্যাগে বাধ্য হওয়া ব্যাংক কর্মীদের চাকরিতে পুনর্বহালের নির্দেশ দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। কিন্তু এই নির্দেশ মানেনি ব্যাংকগুলো। তাই উপায় না পেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন চাকরিচ্যুতরা।

চাকরিচ্যুতির বিষয়টি আমলে নিয়ে ব্যাংকারদের পক্ষে রুল জারি করে হাইকোর্ট। একই সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকে চাকরিতে পুনর্বহালের আবেদন করতে বলা হয়। সেই আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে চাকরি ফিরে পেতে গভর্নরকে চিঠিও দিয়েছিলেন ব্যাংকাররা। চাকরিহারা এসব ব্যাংকারের সবাই কেন্দ্রীয় ব্যাংকে অভিযোগ করেছেন। এর কারণেই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে অভিযোগের সংখ্যা বেড়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।