প্রেস বিজ্ঞপ্তি: যারা দলীয় সভানেত্রী সফল রাষ্ট্রনায়ক বঙ্গবন্ধুর রক্তের উত্তরাধিকারী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার সিদ্ধান্ত অমান্য করে দলীয় প্রতীক নৌকাকে ডোবাতে প্রকাশ্যে অন্য প্রার্থীর পক্ষে কাজ করেছে ইতিহাসে তাদের নাম মীরজাফরের পাশাপাশি লেখা থাকবে। কারা সুযোগ পেলে শেখ হাসিনার পিঠে চুরি চালাতে কার্পণ্য করবে না, আওয়ামীলীগ তাদের মুখোশ লাগানো চেহারা চিনে গেছে। সে দুষ্কৃতীকারীদের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দ ঐক্যবদ্ধ।
আজ মঙ্গলবার (০৯ জানুয়ারী) দুপুরে সাংসদ এম আবদুল লতিফকে স্বাগতঃ জানাতে গিয়ে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা এম রেজাউল করিম চৌধুরী এ মন্তব্য করেন।
নবনির্বাচিত সাংসদ এম আবদুল লতিফ সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন- ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে মহানগর আওয়ামীলীগ এর আপনারা যারা আমার জন্য মাঠে নেমে কাজ করেছেন তাঁদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। কারা কারা প্রকাশ্যে নৌকার বিরোধিতা করেছে তার সকল তথ্য প্রমাণাদি ছবিসহ নেত্রীর কাছে জমা দেয়া হবে। বঙ্গবন্ধুর আওয়ামীলীগ নিয়ে ভবিষ্যৎ কাউকে ছিনিমিনি করতে দিবো না।
তিনি আরো বলেন,দেশের মানুষের জীবন মানোন্নয়নে জননেত্রী শেখ হাসিনার জনকল্যাণমূলক গৃহীত কর্মসূচি আমার আসনের সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে আমি পরিকল্পনা সাজিয়ে কাজ করে যাবো।
এই সময় উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শফিক আদনান, প্রচার সম্পাদক শফিকুল ইসলাম ফারুখ, আইন বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক চন্দন ধর, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মশিউর রহমান চৌধুরী, শিক্ষা ও মানব সম্পদ বিষয়ক সম্পাদক জালাল উদ্দীন ইকবাল, শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক মাহবুবুল হক মিয়া, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক দিদারুল আলম চৌধুরী, উপ-দপ্তর সম্পাদক কাউন্সিলর শহীদুল আলম, উপ-দপ্তর সম্পাদক, কাউন্সিলর জহর লাল হাজারী, সদস্য, মহানগর শ্রমিক লীগের সভাপতি বখতিয়ার উদ্দিন খান।




