প্রেস বিজ্ঞপ্তি: দি চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি’র এক অংশীজন সভা বৃহস্পতিবার (৩০ নভেম্বর)সকালে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারস্থ বঙ্গবন্ধু কনফারেন্স হলে চট্টগ্রাম বন্দরের মাধ্যমে আমদানিকৃত মালামাল পরীক্ষণে বিএসটিআই’র বিদ্যমান সীমাবদ্ধতা নিরসনে সভা অনুষ্ঠিত হয়।
চেম্বার সভাপতি ওমর হাজ্জাজ’র সভাপতিতে ঢাকাস্থ বিএসটিআই পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মোঃ নুরুল ইসলাম, সিএন্ডএফ এজেন্টস এসোসিয়েশন’র কাস্টম বিষয়ক সম্পাদক আশরাফুল হক খান স্বপন, বন্দর বিষয়ক সম্পাদক লিয়াকত আলী হাওলাদার, অর্থ-সম্পাদক মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন, বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি চট্টগ্রাম মহানগরের সভাপতি সালামত আলী,চট্টগ্রামস্থ বিএসটিআই’র উপ-পরিচালক ও অফিস প্রধান মোঃ মাজহারুল হক উপ-পরিচালক (রসায়ন) তাপস মল্লিক, উপ-পরিচালক (পদার্থ) এ এস এম ফয়সল, সহকারী পরিচালকবৃন্দ নুর মোহাম্মদ মোস্তফা, মোঃ মোস্তাক আহম্মেদ, ব্যবসায়ীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
চেম্বার সভাপতি ওমর হাজ্জাজ বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম সার্বক্ষণিক চলমান রাখতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যে অনুশাসন তার যথাযথ পালনে বন্দরের সাথে সংশ্লিষ্ট দপ্তরসমূহের সমন্বয়পূর্বক চলমান রাখা আবশ্যক। এক্ষেত্রে বন্দর ব্যবহারকারী ব্যবসায়ীদের সুবিধার্থে চট্টগ্রাম কাস্টমসে পরিচালিত বিএসটিআই’র কার্যক্রমে আধুনিকায়ন ও গতিশীলতা নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবী। ব্যবসায়ীরা কারো প্রতিপক্ষ নয় বরং দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে সর্বদা সরকার ও সকল দপ্তরসমূহের সাথে সহযোগিতাপূর্ণ মনোভাব নিয়ে কাজ করে। তিনি বিএসটিআই পরিচালক’র প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে সভায় ব্যবসায়ীদের উত্থাপিত বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে প্রস্তাবনাসমূহ বিবেচনায় নিয়ে ত্বড়িৎ ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানান।
বিএসটিআই পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মোঃ নুরুল ইসলাম উপস্থিত ব্যবসায়ীদের সমস্যাসমূহ ও প্রস্তাবনা সম্পর্কে অবগত হন।
তিনি জানান, বর্তমানে বিএসটিআই সীমিত অবকাঠামো, যন্ত্রপাতি ও জনবল নিয়ে ব্যবসায়ীদের সেবা দিয়ে আসছে। আগামী কয়েক মাসের মধ্যে চলমান প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে এ সকল সীমাবদ্ধতা দূরীভূত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এছাড়া চট্টগ্রাম বন্দর ও কাস্টমসে সরাসরি কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে অফিস কক্ষ বরাদ্দের জন্য ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পত্র প্রেরণ করা হয়েছে যা বিবেচনাধীন। এতে করে বিএসটিআই সেখান থেকে সরাসরি পণ্যের নমুনা ও পরীক্ষার ফি সংগ্রহ করা এবং দাপ্তরিক কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারবে।
তিনি আরো জানান, এখন থেকে বিকাল ৩.০০ টার পরিবর্তে প্রতিদিন ৫.০০ টা পর্যন্ত আমদানিকৃত পণ্য পরীক্ষণের জন্য নমুনা সংগ্রহ করা হবে। এছাড়া শনিবার ছুটির দিনেও নমুনা পরীক্ষার ফি গ্রহণ করা হবে। বিএসটিআই পরিচালক ব্যবসায়ীদের প্রস্তাবনাসমূহ বিবেচনায় নিয়ে তা বাস্তবায়নে উদ্যোগ গ্রহণের আশ্বাস প্রদান করেন।
সভায় ব্যবসায়ীরা আমদানিকৃত ভোগ্যপণ্যের নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট দ্রুত প্রদান, বন্দরে নমুনা সংগ্রহ ও ফি গ্রহণের সময় বৃদ্ধি, আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ব্র্যান্ডসমূহ প্রতি চালানে অহেতুক পণ্য পরীক্ষা না করে রেন্ডম বেসিস পরীক্ষা করা, অনলাইন পেমেন্টের ব্যবস্থা করা, কোন পণ্যের পরীক্ষার রিপোর্ট নেগেটিভ আসলে তা ঢাকা প্রেরণ না করে চট্টগ্রাম হতেই পুনঃপরীক্ষার অনুমতি প্রদানের ব্যবস্থা করা, মার্কেটগুলোতে পণ্যের মান ও সঠিক ওজন নিশ্চিতকরণে নিয়মিত অভিযান পরিচালনাসহ ব্যবসাবান্ধব কার্যক্রম নিশ্চিত করতে আহবান জানান।




