প্রেস বিজ্ঞপ্তি: বাংলাদেশ পরিবেশ সুরক্ষা আন্দোলন-বাপসা সাতকানিয়া উপজেলার শাখার উদ্যোগে আজ সোমবার (০৩ জুলাই) বেলা ১২টায় মাসব্যাপী বৃক্ষরোপন কর্মসূচির ১ম দিনে সাতকানিয়ার কালিয়াইশ ইউনিয়নের মাস্টারহাট চত্বরে বৃক্ষপ্রেমী পরিবেশ কর্মীদের এক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন বাপসার সাতকানিয়া উপজেলার আহ্বায়ক এড. মো. ইরফান উদ্দীন।

সভা সঞ্চালনায় ছিলেন বাপসার সদস্যসচিব মো. মিনহাজ উদ্দিন।

প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কর্ণফুলী নদী গবেষক, বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রফেসর ড. ইদ্রিস আলী, উদ্বোধন করেন বাপসার কেন্দ্রীয় সভাপতি এম এ হাশেম রাজু। প্রধান বক্তা ছিলেন বাপসার প্রধান সমন্বয়কারী উত্তম কুমার আচার্য্য।

বিশেষ অতিথি ছিলেন বাপসার চট্টগ্রাম জেলা শাখার সভাপতি মো. সালাউদ্দিন।

প্রধান অতিথি পরিবেশবিদ প্রফেসর ড. ইদ্রিস আলী বৃক্ষপ্রেমীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আট হাজার সাতশ ঊনিশটি গ্রাম নিয়ে আমাদের এই বাংলাদেশ। কম বেশি সবুজের গাঢ় প্রাণস্পর্শী নান্দনিক পরিবেশে জীবনের অপূর্ব সমাবেশে আবেশিত ও আচ্ছাদিত। গ্রামই এদেশের অক্সিজেনের প্রাণশক্তি। আমাদের গ্রামগুলো কৃষ্টি সংস্কৃতি ও সামাজিকতার আধার। গ্রাম ঐতিহ্য ও সংহতির প্রাণকেন্দ্র। গ্রামের জীবন এখনো প্রাণস্পর্শী সম্প্রীতি, সংস্কৃতি, সামাজিক ঐতিহ্যের প্রাণকেন্দ্র, মৌল আধার।

তিনি বলেন, গ্রামের সব শ্রেণী পেশা ধর্ম বর্ণ ও বয়সের মানুষ সবুজকে লালন-পালন করে, সবুজে নিজেকে সম্পৃক্ত রাখে। সবুজের প্রতি যে ভালোবাসা, নিবেদন, স্পর্শকাতরতা, তা গ্রামেই সবচেয়ে বেশি উপলব্ধি করা যায়। গ্রামের সবুজ নান্দনিক। কিন্তু দেশের জনসংখ্যা বেড়েছে, বেড়েছে দৈনন্দিন কাজে বৃক্ষের ব্যবহার। তাই আরও বৃক্ষরোপণ প্রয়োজন। পৃথিবীর পরিবেশ, আবহাওয়া, জলবায়ু, বৈশ্বিক উষ্ণতা, তাপমাত্রার উশৃংখলতা, উন্মত্মতা, চরমভাবাপন্নতা হ্রাসে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপন করা জরুরি। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে পরিবেশ দূষণের হাত থেকে রক্ষ করার জন্য বৃক্ষ রোপনের বিকল্প নেই। বাংলাদেশের বিশ কোটি মানুষ যদি একটি করে ফলজ, বনজ সহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপন করে তাহলে ভবিষ্যত প্রজন্ম জলবায়ু, বায়ু দূষণ সহ বিভিন্ন পরিবেশ দূষণের অভিশাপ থেকে মুক্তি পাবে।

বক্তব্য রাখেন বাপসা চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার সমন্বয়ক মো. ওসমান গণি, কেন্দ্রীয় সদস্য আহম্মদ কাদের মঈনউদ্দীন উদয়, এড. হাকিমুল হান্নান চৌধুরী, ব্যাংকার মো. শহীদুল্লাহ, বৃক্ষপ্রেমী মো. ইউনুস প্রমুখ।

প্রেস বিজ্ঞপ্তি: বাংলাদেশ পরিবেশ সুরক্ষা আন্দোলন-বাপসা সাতকানিয়া উপজেলার শাখার উদ্যোগে আজ সোমবার (০৩ জুলাই) বেলা ১২টায় মাসব্যাপী বৃক্ষরোপন কর্মসূচির ১ম দিনে সাতকানিয়ার কালিয়াইশ ইউনিয়নের মাস্টারহাট চত্বরে বৃক্ষপ্রেমী পরিবেশ কর্মীদের এক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন বাপসার সাতকানিয়া উপজেলার আহ্বায়ক এড. মো. ইরফান উদ্দীন।

সভা সঞ্চালনায় ছিলেন বাপসার সদস্যসচিব মো. মিনহাজ উদ্দিন।

প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কর্ণফুলী নদী গবেষক, বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রফেসর ড. ইদ্রিস আলী, উদ্বোধন করেন বাপসার কেন্দ্রীয় সভাপতি এম এ হাশেম রাজু। প্রধান বক্তা ছিলেন বাপসার প্রধান সমন্বয়কারী উত্তম কুমার আচার্য্য।

বিশেষ অতিথি ছিলেন বাপসার চট্টগ্রাম জেলা শাখার সভাপতি মো. সালাউদ্দিন।

প্রধান অতিথি পরিবেশবিদ প্রফেসর ড. ইদ্রিস আলী বৃক্ষপ্রেমীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আট হাজার সাতশ ঊনিশটি গ্রাম নিয়ে আমাদের এই বাংলাদেশ। কম বেশি সবুজের গাঢ় প্রাণস্পর্শী নান্দনিক পরিবেশে জীবনের অপূর্ব সমাবেশে আবেশিত ও আচ্ছাদিত। গ্রামই এদেশের অক্সিজেনের প্রাণশক্তি। আমাদের গ্রামগুলো কৃষ্টি সংস্কৃতি ও সামাজিকতার আধার। গ্রাম ঐতিহ্য ও সংহতির প্রাণকেন্দ্র। গ্রামের জীবন এখনো প্রাণস্পর্শী সম্প্রীতি, সংস্কৃতি, সামাজিক ঐতিহ্যের প্রাণকেন্দ্র, মৌল আধার।

তিনি বলেন, গ্রামের সব শ্রেণী পেশা ধর্ম বর্ণ ও বয়সের মানুষ সবুজকে লালন-পালন করে, সবুজে নিজেকে সম্পৃক্ত রাখে। সবুজের প্রতি যে ভালোবাসা, নিবেদন, স্পর্শকাতরতা, তা গ্রামেই সবচেয়ে বেশি উপলব্ধি করা যায়। গ্রামের সবুজ নান্দনিক। কিন্তু দেশের জনসংখ্যা বেড়েছে, বেড়েছে দৈনন্দিন কাজে বৃক্ষের ব্যবহার। তাই আরও বৃক্ষরোপণ প্রয়োজন। পৃথিবীর পরিবেশ, আবহাওয়া, জলবায়ু, বৈশ্বিক উষ্ণতা, তাপমাত্রার উশৃংখলতা, উন্মত্মতা, চরমভাবাপন্নতা হ্রাসে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপন করা জরুরি। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে পরিবেশ দূষণের হাত থেকে রক্ষ করার জন্য বৃক্ষ রোপনের বিকল্প নেই। বাংলাদেশের বিশ কোটি মানুষ যদি একটি করে ফলজ, বনজ সহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপন করে তাহলে ভবিষ্যত প্রজন্ম জলবায়ু, বায়ু দূষণ সহ বিভিন্ন পরিবেশ দূষণের অভিশাপ থেকে মুক্তি পাবে।

বক্তব্য রাখেন বাপসা চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার সমন্বয়ক মো. ওসমান গণি, কেন্দ্রীয় সদস্য আহম্মদ কাদের মঈনউদ্দীন উদয়, এড. হাকিমুল হান্নান চৌধুরী, ব্যাংকার মো. শহীদুল্লাহ, বৃক্ষপ্রেমী মো. ইউনুস প্রমুখ।