নিজস্ব প্রতিবেদক: চট্টগ্রামে বাণিজ্যিক গুদামগুলোতে আমদানি করা বিভিন্ন পণ্য মজুত রাখা হয়। গুদামে পাশাপাশি আমদানি করা প্রচুর রাসায়নিক দ্রব্য মজুত রয়েছে। কাটু‌র্ন, বস্তা ও ড্রাম ভর্তি করে রাসায়নিক পণ্য গুদামে মজুত রাখা হয়ে থাকে। কিন্তু এসব বাণিজ্যিক গুদামে রাসায়নিক পণ্য মজুতে সরকারিভাবে নির্দিষ্ট কোনো নীতিমালা নেই। কাটু‌র্ন, বস্তা ও ড্রাম ভর্তি করে যত্রতত্রভাবে রাসায়নিক পণ্য গুদামে মজুত রাখা হচ্ছে। ফলে এসব রাসায়নিক পণ্য গুদামে লোড ও আনলোড করার ক্ষেত্রে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

চট্টগ্রামে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে প্রায় ১ হাজার ২০০ পণ্য মজুতের গুদাম রয়েছে। নগরীর মাঝিরঘাট, নাসিরাবাদ, হালিশহর, পতেঙ্গা, চাক্তাই ও সীতাকুণ্ডে এসব বাণিজিক গুদামের অবস্থান। বন্দর ও মাঝিরঘাট দিয়ে খালাস করা পণ্য বাণিজ্যিক গুদামে রাখা হয়। অনেক আমদানিকারকের নিজস্ব গুদাম নেই। তারা আমদানি করা পণ্য বাণিজ্যিক গুদামে মজুত করেন। পরে সুবিধামতো সময়ে বিক্রিত মাল গুদাম থেকে ডেলিভারি দেওয়া হয়।

এসব বাণিজ্যিক গুদামের নিরাপত্তার জন্য কোনো উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয় না। এলোমেলো যত্রতত্রভাবে পণ্য মজুত রাখা হয়। রয়েছে জরাজীর্ণ বিদ্যুৎ তার। নিজস্ব অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা নেই পণ্য মজুতের গুদামগুলোতে। অগ্নিনির্বাপণে জন্য থাকে ফায়ার এস্টিংগুইশার। জরুরি সময়ে এসব অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র ব্যবহার করার অভিজ্ঞতা নেই গুদামের শ্রমিকদের। গুদামে অন্যান্য পণ্যের পাশাপাশি আমদানি করা রাসায়নিক দ্রব্যও রাখা হচ্ছে। এতে কিছু তরল, পাউডার জাতীয় রাসায়নিক দ্রব্য রয়েছে। গুদাম মালিকরা জানান, তারা দীর্ঘদিন যাবৎ গুদামে রাসায়নিক দ্রব্য রাখছে। গুদামগুলোতে বর্তমানে প্রচুর রাসায়নিক দ্রব্য মজুত রয়েছে। কিন্তু রাসায়নিক দ্রব্যগুলো সংরক্ষণে কোনো প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হচ্ছে না। ফলে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এ ব্যাপারে চট্টগ্রাম গুদাম মালিক সমিতির সভাপতি শফিক আহমেদ গণমাধ্যমকে বলেন, আমরা দীর্ঘদিন যাবৎ বাণিজ্যিক গুদামগুলোতে অন্যান্য পণ্যের পাশাপাশি কেমিক্যাল জাতীয় দ্রব্য রাখছি। কিন্তু সীতাকুণ্ডে কনটেইনার ডিপোতে ভয়াবহ দুর্ঘটনার পর আমরা গুদাম মালিকরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছি। সরকারিভাবে গুদামে কেমিক্যাল জাতীয় পণ্য রাখার কোনো নীতিমালা নেই। আমদানিকারকরা খালাসের পর গুদামে রাখছে। তাই সরকারিভাবে বিষয়টি বিবেচনা করা উচিত বলে আমরা মনে করছি।’

নিজস্ব প্রতিবেদক: চট্টগ্রামে বাণিজ্যিক গুদামগুলোতে আমদানি করা বিভিন্ন পণ্য মজুত রাখা হয়। গুদামে পাশাপাশি আমদানি করা প্রচুর রাসায়নিক দ্রব্য মজুত রয়েছে। কাটু‌র্ন, বস্তা ও ড্রাম ভর্তি করে রাসায়নিক পণ্য গুদামে মজুত রাখা হয়ে থাকে। কিন্তু এসব বাণিজ্যিক গুদামে রাসায়নিক পণ্য মজুতে সরকারিভাবে নির্দিষ্ট কোনো নীতিমালা নেই। কাটু‌র্ন, বস্তা ও ড্রাম ভর্তি করে যত্রতত্রভাবে রাসায়নিক পণ্য গুদামে মজুত রাখা হচ্ছে। ফলে এসব রাসায়নিক পণ্য গুদামে লোড ও আনলোড করার ক্ষেত্রে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

চট্টগ্রামে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে প্রায় ১ হাজার ২০০ পণ্য মজুতের গুদাম রয়েছে। নগরীর মাঝিরঘাট, নাসিরাবাদ, হালিশহর, পতেঙ্গা, চাক্তাই ও সীতাকুণ্ডে এসব বাণিজিক গুদামের অবস্থান। বন্দর ও মাঝিরঘাট দিয়ে খালাস করা পণ্য বাণিজ্যিক গুদামে রাখা হয়। অনেক আমদানিকারকের নিজস্ব গুদাম নেই। তারা আমদানি করা পণ্য বাণিজ্যিক গুদামে মজুত করেন। পরে সুবিধামতো সময়ে বিক্রিত মাল গুদাম থেকে ডেলিভারি দেওয়া হয়।

এসব বাণিজ্যিক গুদামের নিরাপত্তার জন্য কোনো উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয় না। এলোমেলো যত্রতত্রভাবে পণ্য মজুত রাখা হয়। রয়েছে জরাজীর্ণ বিদ্যুৎ তার। নিজস্ব অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা নেই পণ্য মজুতের গুদামগুলোতে। অগ্নিনির্বাপণে জন্য থাকে ফায়ার এস্টিংগুইশার। জরুরি সময়ে এসব অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র ব্যবহার করার অভিজ্ঞতা নেই গুদামের শ্রমিকদের। গুদামে অন্যান্য পণ্যের পাশাপাশি আমদানি করা রাসায়নিক দ্রব্যও রাখা হচ্ছে। এতে কিছু তরল, পাউডার জাতীয় রাসায়নিক দ্রব্য রয়েছে। গুদাম মালিকরা জানান, তারা দীর্ঘদিন যাবৎ গুদামে রাসায়নিক দ্রব্য রাখছে। গুদামগুলোতে বর্তমানে প্রচুর রাসায়নিক দ্রব্য মজুত রয়েছে। কিন্তু রাসায়নিক দ্রব্যগুলো সংরক্ষণে কোনো প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হচ্ছে না। ফলে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এ ব্যাপারে চট্টগ্রাম গুদাম মালিক সমিতির সভাপতি শফিক আহমেদ গণমাধ্যমকে বলেন, আমরা দীর্ঘদিন যাবৎ বাণিজ্যিক গুদামগুলোতে অন্যান্য পণ্যের পাশাপাশি কেমিক্যাল জাতীয় দ্রব্য রাখছি। কিন্তু সীতাকুণ্ডে কনটেইনার ডিপোতে ভয়াবহ দুর্ঘটনার পর আমরা গুদাম মালিকরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছি। সরকারিভাবে গুদামে কেমিক্যাল জাতীয় পণ্য রাখার কোনো নীতিমালা নেই। আমদানিকারকরা খালাসের পর গুদামে রাখছে। তাই সরকারিভাবে বিষয়টি বিবেচনা করা উচিত বলে আমরা মনে করছি।’