বশির আহাম্মদ, বান্দরবান জেলা প্রতিনিধি:  প্রধানমন্ত্রী গণভবন প্রান্ত থেকে পদ্মা সেতু (উত্তর) থানা ও পদ্মা সেতু (দক্ষিণ) থানার কার্যক্রম, বাংলাদেশ পুলিশের দ্বিতীয় পর্যায়ে নির্মিত ১২০টি গৃহ হস্তান্তর,পুলিশ হাসপাতালগুলোর আধুনিকায়ন প্রকল্পের আওতায় ১২টি পুলিশ হাসপাতাল,ছয়টি নারী ব্যারাক এবং অনলাইন জিডি কার্যক্রম উদ্বোধন এর অংশ হিসেবে বান্দরবানের নারী পুলিশ সদস্যদের নারী ব্যারাক ও অনলাইন জিডি কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন প্রান্ত থেকে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হয়ে এসব উন্নয়ন কার্যক্রম এর উদ্বোধন ঘোষণা করেন।

উদ্বোধন উপলক্ষে বান্দরবান পুলিশ লাইন্স প্রান্ত থেকে এসময় ভার্চুয়ালি সংযুক্ত ছিলেন বান্দরবানের পুলিশ সুপার জেরিন আখতার, বিপিএম।

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার (ইন সার্ভিস) ওয়াহিদুল চৌধুরী,পুলিশ সুপার (ট্যুরিস্ট) আব্দুল হালিম,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অশোক কুমার পাল,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো.নাজিম উদ্দিন,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো.রেজা সরওয়ার, দেব দুত মজুমদার,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ,জেলা গনপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী শর্মী চাকমা,উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মো.ফয়েজুর রহমান।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে জেলা পুলিশ লাইন্সের সকল পুলিশ সদস্য এবং বিভিন্ন ইলেকট্রনিকস্ ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিক বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বান্দরবানের গনপূর্ত বিভাগের দেয়া তথ্য মতে, বান্দরবান পুলিশ লাইনে পুলিশের নারী সদস্যদের জন্য নির্মিত ১৫০ জনের আবাসন উপযোগী এই ভবনটির নির্মাণ ব্যয় ছিলো ৬ কোটি ২০ লক্ষ। এদিকে অনলাইন জিডি উদ্বোধনের ফলে থানায় না গিয়ে কোনো ঝামেলা অথবা প্রশ্নের পর প্রশ্নের উত্তর না দিয়েই ঘরে বসে একজন নাগরিক সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে পারবেন।

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর সারাদেশের মত বান্দরবানেও এই অনলাইন সেবাটি পাবেন জেলায় বসবাসকারী জনসাধারণ। সেবাটি চালু করার ফলে হলে ভুক্তভোগী নাগরিককে থানায় যাওয়া লাগবে না। খুব সহজেই ঘরে বসে নিজের অনলাইনে জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য দিয়ে জিডি করতে পারবেন।

বশির আহাম্মদ, বান্দরবান জেলা প্রতিনিধি:  প্রধানমন্ত্রী গণভবন প্রান্ত থেকে পদ্মা সেতু (উত্তর) থানা ও পদ্মা সেতু (দক্ষিণ) থানার কার্যক্রম, বাংলাদেশ পুলিশের দ্বিতীয় পর্যায়ে নির্মিত ১২০টি গৃহ হস্তান্তর,পুলিশ হাসপাতালগুলোর আধুনিকায়ন প্রকল্পের আওতায় ১২টি পুলিশ হাসপাতাল,ছয়টি নারী ব্যারাক এবং অনলাইন জিডি কার্যক্রম উদ্বোধন এর অংশ হিসেবে বান্দরবানের নারী পুলিশ সদস্যদের নারী ব্যারাক ও অনলাইন জিডি কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন প্রান্ত থেকে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হয়ে এসব উন্নয়ন কার্যক্রম এর উদ্বোধন ঘোষণা করেন।

উদ্বোধন উপলক্ষে বান্দরবান পুলিশ লাইন্স প্রান্ত থেকে এসময় ভার্চুয়ালি সংযুক্ত ছিলেন বান্দরবানের পুলিশ সুপার জেরিন আখতার, বিপিএম।

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার (ইন সার্ভিস) ওয়াহিদুল চৌধুরী,পুলিশ সুপার (ট্যুরিস্ট) আব্দুল হালিম,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অশোক কুমার পাল,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো.নাজিম উদ্দিন,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো.রেজা সরওয়ার, দেব দুত মজুমদার,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ,জেলা গনপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী শর্মী চাকমা,উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মো.ফয়েজুর রহমান।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে জেলা পুলিশ লাইন্সের সকল পুলিশ সদস্য এবং বিভিন্ন ইলেকট্রনিকস্ ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিক বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বান্দরবানের গনপূর্ত বিভাগের দেয়া তথ্য মতে, বান্দরবান পুলিশ লাইনে পুলিশের নারী সদস্যদের জন্য নির্মিত ১৫০ জনের আবাসন উপযোগী এই ভবনটির নির্মাণ ব্যয় ছিলো ৬ কোটি ২০ লক্ষ। এদিকে অনলাইন জিডি উদ্বোধনের ফলে থানায় না গিয়ে কোনো ঝামেলা অথবা প্রশ্নের পর প্রশ্নের উত্তর না দিয়েই ঘরে বসে একজন নাগরিক সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে পারবেন।

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর সারাদেশের মত বান্দরবানেও এই অনলাইন সেবাটি পাবেন জেলায় বসবাসকারী জনসাধারণ। সেবাটি চালু করার ফলে হলে ভুক্তভোগী নাগরিককে থানায় যাওয়া লাগবে না। খুব সহজেই ঘরে বসে নিজের অনলাইনে জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য দিয়ে জিডি করতে পারবেন।