নিজস্ব প্রতিবেদক: কর্ণফুলীতে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা রমজান আলী (৩৫) খুনের প্রধান আসামি মো. শহিদুল ইসলাম হৃদয়কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আজ রোববার (১৯ জুন) দিবাগত রাতে ঢাকার উত্তরা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কর্ণফুলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দুলাল মাহমুদ।

তিনি বলেন, রমজান খুনের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রধান আসামি শহিদুলকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গত ১৭ জুন বিকেলে রমজান খুনের ঘটনায় সাতজনের নাম উল্লেখ করে কর্ণফুলী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন রমজানের ভাই আলমগীর। এতে শহিদুল ইসলামসহ ৭ জনের নাম উল্লেখ করা হয়।

মামলার আসামিরা হলেন- কর্ণফুলী থানার চরপাথরঘাটা ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের ইছানগর গ্রামের তিন ভাই মো. শহিদুল ইসলাম হৃদয় (১৯), মো. রাশেদ (২৮) ও খোরশেদ আলম (৩০) এবং একই গ্রামের আবুল কালাম (৩২), জাহাঙ্গীর আলম পারভেজ (১৮), আরিফুল ইসলাম দুখু (১৯) ও বিজয় (২০)।

এর আগে গত ১৬ জুন দিনগত রাত সাড়ে ৮টার দিকে কর্ণফুলী থানার চরপাথরঘাটা ইউনিয়নের ইছানগর এলাকায় নির্বাচনী বিরোধের জের ধরে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ পাঠাগার সম্পাদক রমজান আলীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করে প্রতিপক্ষরা। নিহত রমজান আলী চরপাথরঘাটা ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের বাসুর গোস্টি বাড়ির বাদশা ফকিরের ছেলে।

স্থানীয়রা জানান, বুধবার চরপাথরঘাটা ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডে সাইদুল হক ইউপি সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি ৯ ভোটে প্রতিদ্বন্ধী প্রার্থী ইসহাককে পরাজিত করেন। রমজান আলী পরাজিত প্রার্থী ইসহাকের পক্ষে কাজ করেছিলেন।

নির্বাচনের আগে প্রচারণা চালানোর সময় সাইদুল হক মেম্বারের পক্ষের স্থানীয় শহীদুলের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয় রমজানের। এরপর বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে ডায়মন্ড সিমেন্ট কারখানা এলাকায় পুনরায় তাদের আবারও কথা কাটাকাটি হয়। সেসময় রমজান আলীর ওপর শহীদুলসহ কয়েকজন মিলে হামলা চালায়। তখন তারা রমজানকে ছুরিকাঘাত করে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধারে করে রাত ৯টার দিকে স্থানীয়রা চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক: কর্ণফুলীতে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা রমজান আলী (৩৫) খুনের প্রধান আসামি মো. শহিদুল ইসলাম হৃদয়কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আজ রোববার (১৯ জুন) দিবাগত রাতে ঢাকার উত্তরা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কর্ণফুলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দুলাল মাহমুদ।

তিনি বলেন, রমজান খুনের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রধান আসামি শহিদুলকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গত ১৭ জুন বিকেলে রমজান খুনের ঘটনায় সাতজনের নাম উল্লেখ করে কর্ণফুলী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন রমজানের ভাই আলমগীর। এতে শহিদুল ইসলামসহ ৭ জনের নাম উল্লেখ করা হয়।

মামলার আসামিরা হলেন- কর্ণফুলী থানার চরপাথরঘাটা ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের ইছানগর গ্রামের তিন ভাই মো. শহিদুল ইসলাম হৃদয় (১৯), মো. রাশেদ (২৮) ও খোরশেদ আলম (৩০) এবং একই গ্রামের আবুল কালাম (৩২), জাহাঙ্গীর আলম পারভেজ (১৮), আরিফুল ইসলাম দুখু (১৯) ও বিজয় (২০)।

এর আগে গত ১৬ জুন দিনগত রাত সাড়ে ৮টার দিকে কর্ণফুলী থানার চরপাথরঘাটা ইউনিয়নের ইছানগর এলাকায় নির্বাচনী বিরোধের জের ধরে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ পাঠাগার সম্পাদক রমজান আলীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করে প্রতিপক্ষরা। নিহত রমজান আলী চরপাথরঘাটা ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের বাসুর গোস্টি বাড়ির বাদশা ফকিরের ছেলে।

স্থানীয়রা জানান, বুধবার চরপাথরঘাটা ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডে সাইদুল হক ইউপি সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি ৯ ভোটে প্রতিদ্বন্ধী প্রার্থী ইসহাককে পরাজিত করেন। রমজান আলী পরাজিত প্রার্থী ইসহাকের পক্ষে কাজ করেছিলেন।

নির্বাচনের আগে প্রচারণা চালানোর সময় সাইদুল হক মেম্বারের পক্ষের স্থানীয় শহীদুলের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয় রমজানের। এরপর বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে ডায়মন্ড সিমেন্ট কারখানা এলাকায় পুনরায় তাদের আবারও কথা কাটাকাটি হয়। সেসময় রমজান আলীর ওপর শহীদুলসহ কয়েকজন মিলে হামলা চালায়। তখন তারা রমজানকে ছুরিকাঘাত করে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধারে করে রাত ৯টার দিকে স্থানীয়রা চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।