লোহাগাড়া প্রতিনিধি: দক্ষিণ চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় কোরবানীর পশু মোটা-তাজা করণে ব্যস্ত সময় পার করছেন খামার মালিকরা। আসন্ন কোরবানীর ঈদ উপলক্ষে বিক্রির জন্য ৪৩ হাজার ৯৭৮টি পশু মোটা-তাজা করণ প্রক্রিয়ায় রয়েছে এলাকার খামার সমুহে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানান। এসব পশুর মধ্যে রয়েছে ৩১ হাজার ২৭৭টি গরু, ১৪৩৩ টি মহিষ ও ১১ হাজার ২৬৮টি ছাগল ও ভেড়া।

সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, গত সনের কোরবানীর চেয়ে এবার ৯৯৭৮টি বেশী পশু মোটা-তাজা করণ করা হচ্ছে এলাকায়। লোহাগাড়া উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা এএম খালেকুজ্জামান জানান, গত কোরবানীতে এলাকায় পশু জবাই হয়েছে ২৭ হাজার। মোটা-তাজা করণ করা হয়েছিল ৩৪ হাজার। অতিরিক্ত অন্যসব পশু চট্টগ্রাম শহরে কোরবানীর পশুর হাটে বিক্রির জন্য সরবরাহ করা হয়েছে। এবারও কোরবানীর চাহিদার অধিক পশু বিক্রির জন্য প্রেরণ করা হবে চট্টগ্রাম শহরের কোরবানীর পশুর হাটে।

অপরদিকে, লোহাগাড়া উপজেলার পশ্চিম চুনতির হারুন নামে এক খামার মালিক জানান, ভাল লাভের আশায় কোরবানীর বাজারে বিক্রির জন্য পশু মোটা-তাজা করণ করা হচ্ছে এলাকার খামার সমূহে। কিন্তু, পশুখাদ্যের দাম চড়া। তাই পশু মোটা-তাজা করণে খরচও বেড়ে গেছে। ৫০ কেজির প্রতিবস্তা খাদ্যের মূল্যে ৪শতাধিক টাকা বেড়ে গেছে।তিনি আরো জানান, খামারী ছাড়াও অনেক গৃহস্থ ১ বা ২টা করে গরু মোটা-তাজা করে থাকেন কোরবানীর পশুর হাটে বিক্রির জন্য।

অপর এক সূত্র মতে, কোরবানী উপলক্ষে পশুর হাটে বিক্রির জন্য অসাধু বেপারীরা মিলেমিশে মিয়ানমার (বর্মা) হতে গরু নিয়ে আসে। প্রশাসনের দৃষ্টি ফাঁকি দিয়ে বেপারীরা বাংলাদেশ সীমানা পেরিয়ে নিয়ে আসে গরু। ফলে, খামারীদেরকে বিপাকে পড়তে হবে পালিত পশু নিয়ে। গত মে মাসে পার্বত্য নাইক্ষ্যংছড়ি ও আলীকদম সীমানা পেরিয়ে মিয়ানমার হতে বেশ কয়েকটা গরু আনার পথে আটক হয় বিজিবির টহলদলের হাতে। বিশ্বস্ত সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

লোহাগাড়া উপজেলার খামারীসহ গৃহস্থদের অভিযোগ, এলাকায় গরু চুরি হচ্ছে। কিছুদিন পূর্বে কয়েক গৃহস্থের গোয়ালঘর থেকে গরু নিয়ে গেছে চোরেরা। লোহাগাড়া সদর ইউনিয়ন থেকেও গরু চুরি হয়েছে। তাই, খামার মালিক ও গৃহস্থরা আতংকে রাতযাপন করছে।

লোহাগাড়া প্রতিনিধি: দক্ষিণ চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় কোরবানীর পশু মোটা-তাজা করণে ব্যস্ত সময় পার করছেন খামার মালিকরা। আসন্ন কোরবানীর ঈদ উপলক্ষে বিক্রির জন্য ৪৩ হাজার ৯৭৮টি পশু মোটা-তাজা করণ প্রক্রিয়ায় রয়েছে এলাকার খামার সমুহে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানান। এসব পশুর মধ্যে রয়েছে ৩১ হাজার ২৭৭টি গরু, ১৪৩৩ টি মহিষ ও ১১ হাজার ২৬৮টি ছাগল ও ভেড়া।

সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, গত সনের কোরবানীর চেয়ে এবার ৯৯৭৮টি বেশী পশু মোটা-তাজা করণ করা হচ্ছে এলাকায়। লোহাগাড়া উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা এএম খালেকুজ্জামান জানান, গত কোরবানীতে এলাকায় পশু জবাই হয়েছে ২৭ হাজার। মোটা-তাজা করণ করা হয়েছিল ৩৪ হাজার। অতিরিক্ত অন্যসব পশু চট্টগ্রাম শহরে কোরবানীর পশুর হাটে বিক্রির জন্য সরবরাহ করা হয়েছে। এবারও কোরবানীর চাহিদার অধিক পশু বিক্রির জন্য প্রেরণ করা হবে চট্টগ্রাম শহরের কোরবানীর পশুর হাটে।

অপরদিকে, লোহাগাড়া উপজেলার পশ্চিম চুনতির হারুন নামে এক খামার মালিক জানান, ভাল লাভের আশায় কোরবানীর বাজারে বিক্রির জন্য পশু মোটা-তাজা করণ করা হচ্ছে এলাকার খামার সমূহে। কিন্তু, পশুখাদ্যের দাম চড়া। তাই পশু মোটা-তাজা করণে খরচও বেড়ে গেছে। ৫০ কেজির প্রতিবস্তা খাদ্যের মূল্যে ৪শতাধিক টাকা বেড়ে গেছে।তিনি আরো জানান, খামারী ছাড়াও অনেক গৃহস্থ ১ বা ২টা করে গরু মোটা-তাজা করে থাকেন কোরবানীর পশুর হাটে বিক্রির জন্য।

অপর এক সূত্র মতে, কোরবানী উপলক্ষে পশুর হাটে বিক্রির জন্য অসাধু বেপারীরা মিলেমিশে মিয়ানমার (বর্মা) হতে গরু নিয়ে আসে। প্রশাসনের দৃষ্টি ফাঁকি দিয়ে বেপারীরা বাংলাদেশ সীমানা পেরিয়ে নিয়ে আসে গরু। ফলে, খামারীদেরকে বিপাকে পড়তে হবে পালিত পশু নিয়ে। গত মে মাসে পার্বত্য নাইক্ষ্যংছড়ি ও আলীকদম সীমানা পেরিয়ে মিয়ানমার হতে বেশ কয়েকটা গরু আনার পথে আটক হয় বিজিবির টহলদলের হাতে। বিশ্বস্ত সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

লোহাগাড়া উপজেলার খামারীসহ গৃহস্থদের অভিযোগ, এলাকায় গরু চুরি হচ্ছে। কিছুদিন পূর্বে কয়েক গৃহস্থের গোয়ালঘর থেকে গরু নিয়ে গেছে চোরেরা। লোহাগাড়া সদর ইউনিয়ন থেকেও গরু চুরি হয়েছে। তাই, খামার মালিক ও গৃহস্থরা আতংকে রাতযাপন করছে।