বান্দরবান প্রতিনিধি বশির আহাম্মদঃ পার্বত ্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি বলেছেন, 1971 সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে সম্মুখসারিতে থেকে দেশের জন্য যুদ্ধ করেছেন, লড়াই সংগ্রাম করে বাংলাদেশকে স্বাধীন করেছেন, বিজয় এনে দিয়েছেন- তা আমাদের জন্য এক গৌরবের। পার্বত্য চট্টগ্রামের একমাত্র খেতাবধারী বীর মুক্তিযোদ্ধা ইউকে চিং বীর বিক্রম আমাদের গৌরব-অহংকার। গতকাল শুক্রবার (17 জুন) বিকেলে বান্দরবান ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠির সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট (কেএসআই) মিলনায়তনে বীর মুক্তিযোদ্ধা ইউকে চিং বীর বিক্রমের নব্বইতম জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বীর বাহাদুর এসব কথা বলেন। বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি বলেন, ইউকে চিং বীর বিক্রম তৎকালীন ইপিআর এ যোগ দেন। 1971 সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় রংপুরে ইপিআর এ কর্মরত ছিলেন। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে ইউকে চিং পাকিস্তান সরকারের চাকরি ও নির্দেশ অমান্য করে মুক্তযুদ্ধে অংশ নেন। বীর বাহাদুর আরও বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা ইউকে চিং শুধু পার্বত্য চট্টগ্রামের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠি নয় পুরো বাংলাদেশের সকল ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠির মধ্যে তিনিই একমাত্র মুক্তিযোদ্ধা যিনি বীর বিক্রম খেতাবধারী। এটা বান্দরবানবাসীর জন্য অত্যন্ত গর্ব ও গৌরবের। জীবনের মায়া ত্যাগ করে ইউকে চিং মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। আজ এই বীর মুক্তিযোদ্ধাকে যথাযথ মর্যাদা দিতে পেরে আমরা গর্বিত। তবে এই বীর মুক্তিযোদ্ধার জীবদ্দশাতে এ সম্মান জানাতে পারলে আরও ভালো হত। বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ক্য শৈ হ্লা এর সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন বান্দরবান ডিজিএফআই শাখা কমান্ডার কর্নেল মো. ফারুকুজ্জান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সুরাইয়া আক্তার সুইটি, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অশোক কুমার পাল, কেএসআই পরিচালক মং নু চিং, সাংবাদিক মনিরুল ইসলাম মনু, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান রাজু মং মারমা এবং রাজবিলা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ক্যঅংপ্রু মারমা। অনুষ্ঠানে ইউকে চিং বীর বিক্রমের জীবনী নিয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বান্দরবান ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজের সহকারী প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ ইয়াকুব। অনুষ্ঠানে গ্যেট অব অনার হিসেবে বক্তব্য দেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ইউকে চিং বীর বিক্রমের সহধর্মিনী ড থুই সা নু মারমা। কেএসআই পরিচালক জানান, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষণ ও বরেণ্য ব্যক্তিবর্গের জন্ম-মৃত্যুবার্ষিকী উদযাপন নীতিমালার আওতায় ইউকে চিং বীর বিক্রমের 90তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে বীর মুক্তিযোদ্ধা ইউকে চিং বীর বিক্রমের সহধর্মিনী ড থুই সা নু মারমাকে সম্মাননা জানান প্রধান অতিথি পার্বত্য মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি। এর আগে কেএসআই প্রাঙ্গণে উৎসব উদযাপন উপলক্ষে ফেস্টুন ও পায়রা উড়িয়ে উৎসবের উদ্বোধন করেন পার্বত্য মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপিসহ অতিথিরা। প্রসঙ্গত, পার্বত্য চট্টগ্রামের একমাত্র বীর বিক্রম খেতাবধারী বীর মুক্তিযোদ্ধা ইউকে চিং। তিনি 1932 সালের 5 মে বান্দরবান সদরের উজানীপাড়া এলাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তবে পরবর্তীকালে ইউকে চিং বান্দরবান সদরের লাঙ্গিপাড়ায় বসবাস শুরু করেন। ইউকে চিং 1952সালে তৎকালীন ইপিআর এ যোগ দেন। 1971 সালে মহান মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে ইউকে চিং রংপুর ইপিআই এ কর্মরত অবস্থায় সরাসরি মহান মুক্তযুদ্ধে অংশ নেন। মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য সরকার ইউকে চিং কে বীর বিক্রম খেতাবে ভূষিত করে।
বান্দরবান প্রতিনিধি বশির আহাম্মদঃ পার্বত ্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি বলেছেন, 1971 সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে সম্মুখসারিতে থেকে দেশের জন্য যুদ্ধ করেছেন, লড়াই সংগ্রাম করে বাংলাদেশকে স্বাধীন করেছেন, বিজয় এনে দিয়েছেন- তা আমাদের জন্য এক গৌরবের। পার্বত্য চট্টগ্রামের একমাত্র খেতাবধারী বীর মুক্তিযোদ্ধা ইউকে চিং বীর বিক্রম আমাদের গৌরব-অহংকার। গতকাল শুক্রবার (17 জুন) বিকেলে বান্দরবান ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠির সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট (কেএসআই) মিলনায়তনে বীর মুক্তিযোদ্ধা ইউকে চিং বীর বিক্রমের নব্বইতম জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বীর বাহাদুর এসব কথা বলেন। বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি বলেন, ইউকে চিং বীর বিক্রম তৎকালীন ইপিআর এ যোগ দেন। 1971 সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় রংপুরে ইপিআর এ কর্মরত ছিলেন। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে ইউকে চিং পাকিস্তান সরকারের চাকরি ও নির্দেশ অমান্য করে মুক্তযুদ্ধে অংশ নেন। বীর বাহাদুর আরও বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা ইউকে চিং শুধু পার্বত্য চট্টগ্রামের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠি নয় পুরো বাংলাদেশের সকল ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠির মধ্যে তিনিই একমাত্র মুক্তিযোদ্ধা যিনি বীর বিক্রম খেতাবধারী। এটা বান্দরবানবাসীর জন্য অত্যন্ত গর্ব ও গৌরবের। জীবনের মায়া ত্যাগ করে ইউকে চিং মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। আজ এই বীর মুক্তিযোদ্ধাকে যথাযথ মর্যাদা দিতে পেরে আমরা গর্বিত। তবে এই বীর মুক্তিযোদ্ধার জীবদ্দশাতে এ সম্মান জানাতে পারলে আরও ভালো হত। বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ক্য শৈ হ্লা এর সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন বান্দরবান ডিজিএফআই শাখা কমান্ডার কর্নেল মো. ফারুকুজ্জান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সুরাইয়া আক্তার সুইটি, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অশোক কুমার পাল, কেএসআই পরিচালক মং নু চিং, সাংবাদিক মনিরুল ইসলাম মনু, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান রাজু মং মারমা এবং রাজবিলা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ক্যঅংপ্রু মারমা। অনুষ্ঠানে ইউকে চিং বীর বিক্রমের জীবনী নিয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বান্দরবান ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজের সহকারী প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ ইয়াকুব। অনুষ্ঠানে গ্যেট অব অনার হিসেবে বক্তব্য দেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ইউকে চিং বীর বিক্রমের সহধর্মিনী ড থুই সা নু মারমা। কেএসআই পরিচালক জানান, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষণ ও বরেণ্য ব্যক্তিবর্গের জন্ম-মৃত্যুবার্ষিকী উদযাপন নীতিমালার আওতায় ইউকে চিং বীর বিক্রমের 90তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে বীর মুক্তিযোদ্ধা ইউকে চিং বীর বিক্রমের সহধর্মিনী ড থুই সা নু মারমাকে সম্মাননা জানান প্রধান অতিথি পার্বত্য মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি। এর আগে কেএসআই প্রাঙ্গণে উৎসব উদযাপন উপলক্ষে ফেস্টুন ও পায়রা উড়িয়ে উৎসবের উদ্বোধন করেন পার্বত্য মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপিসহ অতিথিরা। প্রসঙ্গত, পার্বত্য চট্টগ্রামের একমাত্র বীর বিক্রম খেতাবধারী বীর মুক্তিযোদ্ধা ইউকে চিং। তিনি 1932 সালের 5 মে বান্দরবান সদরের উজানীপাড়া এলাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তবে পরবর্তীকালে ইউকে চিং বান্দরবান সদরের লাঙ্গিপাড়ায় বসবাস শুরু করেন। ইউকে চিং 1952সালে তৎকালীন ইপিআর এ যোগ দেন। 1971 সালে মহান মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে ইউকে চিং রংপুর ইপিআই এ কর্মরত অবস্থায় সরাসরি মহান মুক্তযুদ্ধে অংশ নেন। মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য সরকার ইউকে চিং কে বীর বিক্রম খেতাবে ভূষিত করে।




