বনানী (ঢাকা) প্রতিনিধিঃগেল বছরের ১০ অক্টোবর ধর্ষণ মামলায় গ্রেফতার হন বনানী থানা জাতীয় শ্রমিকলীগের সাধারন সম্পাদক মোঃ ফরিদ খান। বনানী থানা পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। পরে গত ১৭ অক্টোবর (রবিবার) সন্ধায় জাতীয় শ্রমিকলীগ বনানী থানা অস্থায়ী কার্যালয় কড়াইলের বেলতলায় এক জরুরী সভার আয়োজন করে। সভায় সভাপতিত্ব করেন বনানী থানা জাতীয় শ্রমিকলীগের সভাপতি জুয়েল শিকদার। সভায় ফরিদ খানের বিরুদ্ধে অভিযোগ (নারী কেলেঙ্কারি, অসামাজিক আচরণ, অসাংগঠনিক কর্মকাণ্ড) প্রমাণিত হওয়ায় তাকে বহিষ্কার করা হয়।
বনানী থানা শ্রমিকলীগের নেতৃবৃন্দরা ফরিদ খানের অনৈতিক ও অসামাজিক কর্মকান্ডে জড়িত থাকার বিষয়ে তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভও প্রকাশ করেন। ওই সময় ফরিদ খানের সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি বন্ধে এবং বিচার দাবি করে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করে কড়াইলবাসী।
ঢাকা মহানগর উত্তর জাতীয় শ্রমিকলীগ এর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ নুরুল ইসলাম ও মোঃ বরকত খাঁন জাতীয় শ্রমিকলীগ এর প্যাডে লিখিত ফরিদ খানের বহিষ্কার আদেশে স্বাক্ষর করেন। ফরিদ খানকে বহিষ্কারের পর মোঃ নাসির উদ্দিন মোল্লাকে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব প্রদান করা হয়।
সম্প্রতি ধর্ষণ মামলায় জামিনে বেরিয়েছেন ফরিদ খান। গত ৮ এপ্রিল বনানী থানা জাতীয় শ্রমিক লীগের সভাপতি জুয়েল সিকদার স্বাক্ষরিত এক আদেশে পুনরায় ফরিদ খানকে সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব প্রদান করা হয়। উল্লেখ করা হয়, ফরিদ খানের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ মিথ্যা।
ফরিদ খানকে পুনরায় পদে বহাল করায় জনমনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বনানী থানা জাতীয় শ্রমিক লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোঃ নাসির উদ্দিন মোল্লা বলেন, বনানী থানা শ্রমিক লীগের সভাপতি জুয়েল সিকদার কমিটি বানিজ্য করে। বিভিন্ন অজুহাতে সংগঠনে ভাবমূতি নস্টকরার লক্ষে টাকার বিনিময়ে কারণে-অকারণে কিছুদিন পর পর থানা শ্রমিকলীগের সেক্রেটারিদের পরিবর্তন করে। জাতীয় শ্রমিকলীগের কোন আইনে আছে যে থানার একজন সভাপতি হয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারিকে বাদ দিতে পারে মহানগরের অনুমতি ছাড়া।
তিনি বলেন, ফরিদ খান জামিনে আছেন। আদালতে চলমান মামলা নিষ্পত্তি হওয়ার আগে ফরিদের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ মিথ্যা হয় কিভাবে?
বনানী (ঢাকা) প্রতিনিধিঃগেল বছরের ১০ অক্টোবর ধর্ষণ মামলায় গ্রেফতার হন বনানী থানা জাতীয় শ্রমিকলীগের সাধারন সম্পাদক মোঃ ফরিদ খান। বনানী থানা পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। পরে গত ১৭ অক্টোবর (রবিবার) সন্ধায় জাতীয় শ্রমিকলীগ বনানী থানা অস্থায়ী কার্যালয় কড়াইলের বেলতলায় এক জরুরী সভার আয়োজন করে। সভায় সভাপতিত্ব করেন বনানী থানা জাতীয় শ্রমিকলীগের সভাপতি জুয়েল শিকদার। সভায় ফরিদ খানের বিরুদ্ধে অভিযোগ (নারী কেলেঙ্কারি, অসামাজিক আচরণ, অসাংগঠনিক কর্মকাণ্ড) প্রমাণিত হওয়ায় তাকে বহিষ্কার করা হয়।
বনানী থানা শ্রমিকলীগের নেতৃবৃন্দরা ফরিদ খানের অনৈতিক ও অসামাজিক কর্মকান্ডে জড়িত থাকার বিষয়ে তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভও প্রকাশ করেন। ওই সময় ফরিদ খানের সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি বন্ধে এবং বিচার দাবি করে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করে কড়াইলবাসী।
ঢাকা মহানগর উত্তর জাতীয় শ্রমিকলীগ এর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ নুরুল ইসলাম ও মোঃ বরকত খাঁন জাতীয় শ্রমিকলীগ এর প্যাডে লিখিত ফরিদ খানের বহিষ্কার আদেশে স্বাক্ষর করেন। ফরিদ খানকে বহিষ্কারের পর মোঃ নাসির উদ্দিন মোল্লাকে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব প্রদান করা হয়।
সম্প্রতি ধর্ষণ মামলায় জামিনে বেরিয়েছেন ফরিদ খান। গত ৮ এপ্রিল বনানী থানা জাতীয় শ্রমিক লীগের সভাপতি জুয়েল সিকদার স্বাক্ষরিত এক আদেশে পুনরায় ফরিদ খানকে সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব প্রদান করা হয়। উল্লেখ করা হয়, ফরিদ খানের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ মিথ্যা।
ফরিদ খানকে পুনরায় পদে বহাল করায় জনমনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বনানী থানা জাতীয় শ্রমিক লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোঃ নাসির উদ্দিন মোল্লা বলেন, বনানী থানা শ্রমিক লীগের সভাপতি জুয়েল সিকদার কমিটি বানিজ্য করে। বিভিন্ন অজুহাতে সংগঠনে ভাবমূতি নস্টকরার লক্ষে টাকার বিনিময়ে কারণে-অকারণে কিছুদিন পর পর থানা শ্রমিকলীগের সেক্রেটারিদের পরিবর্তন করে। জাতীয় শ্রমিকলীগের কোন আইনে আছে যে থানার একজন সভাপতি হয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারিকে বাদ দিতে পারে মহানগরের অনুমতি ছাড়া।
তিনি বলেন, ফরিদ খান জামিনে আছেন। আদালতে চলমান মামলা নিষ্পত্তি হওয়ার আগে ফরিদের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ মিথ্যা হয় কিভাবে?