ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজের ফাইনালে ওঠার লড়াই থেকে ছিটকে গেছে বাংলাদেশ। সিরিজের প্রথম ম্যাচে জিম্বাবুয়ের কাছে হেরে যাওয়ার পর বুধবার (২১ অক্টোবর) আফগানিস্তানের বিপক্ষেও ৭ উইকেটের বড় ব্যবধানে পরাজিত হয়ে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিতে হলো শান্ত-সৌম্যদের।

শারজাহ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। তবে টস জয়ের সুবিধা কাজে লাগাতে ব্যর্থ হন ব্যাটাররা। আফগান স্পিন ও পেস আক্রমণের মুখে পড়ে ৪১.২ ওভারে মাত্র ১৬০ রানেই অলআউট হয়ে যায় বাংলাদেশ। দলীয় মাত্র ২৮ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চরম বিপদে পড়েছিল টাইগাররা। সেখান থেকে পঞ্চম উইকেটে ৯৩ রানের দায়িত্বশীল জুটি গড়ে দলকে টেনে তোলেন পারভেজ হোসেন ইমন ও সাইফ হাসান।

বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ৭০ রানের ইনিংস খেলেন পারভেজ হোসেন ইমন। তাঁর ইনিংসটিতে ছিল ৫টি চার ও ২টি ছক্কার মার। অপর প্রান্তে সাইফ হাসান ৪১ রান করে অবদান রাখেন। তবে এই দুই ব্যাটার বিদায় নেওয়ার পর আর কেউ শক্ত প্রতিরোধ গড়তে পারেননি। আফগানিস্তানের তারকা লেগ স্পিনার রশীদ খান ৮.২ ওভারে ৩১ রান দিয়ে ৪টি উইকেট শিকার করেন। এ ছাড়া দুই পেসার আজমাতুল্লাহ ওমরজাই এবং ইয়ামিস আহমেদজাই ২টি করে উইকেট দখল করেন।

১৬১ রানের সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে আফগানিস্তান সহজেই ৮৭ বল বাকি থাকতে ৩ উইকেটের বিনিময়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায়। রান তাড়া করতে নেমে দলীয় ৩৯ রানে রহমানুল্লাহ গুরবাজ ও সেদিকুল্লাহ আটালকে বোল্ড করে ম্যাচে কিছুটা রোমাঞ্চ ফিরিয়ে এনেছিলেন পেসার তাসকিন আহমেদ। তবে সেই চাপ সামলে নেন অধিনায়ক রহমত শাহ ও হাসমাতুল্লাহ শাহিদী। রহমত শাহ ৬৭ রানে ও হাসমাতুল্লাহ শাহিদী ৩৬ রানে অপরাজিত থেকে আফগানিস্তানের জয় সুনিশ্চিত করেন।

ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজের ফাইনালে ওঠার লড়াই থেকে ছিটকে গেছে বাংলাদেশ। সিরিজের প্রথম ম্যাচে জিম্বাবুয়ের কাছে হেরে যাওয়ার পর বুধবার (২১ অক্টোবর) আফগানিস্তানের বিপক্ষেও ৭ উইকেটের বড় ব্যবধানে পরাজিত হয়ে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিতে হলো শান্ত-সৌম্যদের।

শারজাহ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। তবে টস জয়ের সুবিধা কাজে লাগাতে ব্যর্থ হন ব্যাটাররা। আফগান স্পিন ও পেস আক্রমণের মুখে পড়ে ৪১.২ ওভারে মাত্র ১৬০ রানেই অলআউট হয়ে যায় বাংলাদেশ। দলীয় মাত্র ২৮ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চরম বিপদে পড়েছিল টাইগাররা। সেখান থেকে পঞ্চম উইকেটে ৯৩ রানের দায়িত্বশীল জুটি গড়ে দলকে টেনে তোলেন পারভেজ হোসেন ইমন ও সাইফ হাসান।

বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ৭০ রানের ইনিংস খেলেন পারভেজ হোসেন ইমন। তাঁর ইনিংসটিতে ছিল ৫টি চার ও ২টি ছক্কার মার। অপর প্রান্তে সাইফ হাসান ৪১ রান করে অবদান রাখেন। তবে এই দুই ব্যাটার বিদায় নেওয়ার পর আর কেউ শক্ত প্রতিরোধ গড়তে পারেননি। আফগানিস্তানের তারকা লেগ স্পিনার রশীদ খান ৮.২ ওভারে ৩১ রান দিয়ে ৪টি উইকেট শিকার করেন। এ ছাড়া দুই পেসার আজমাতুল্লাহ ওমরজাই এবং ইয়ামিস আহমেদজাই ২টি করে উইকেট দখল করেন।

১৬১ রানের সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে আফগানিস্তান সহজেই ৮৭ বল বাকি থাকতে ৩ উইকেটের বিনিময়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায়। রান তাড়া করতে নেমে দলীয় ৩৯ রানে রহমানুল্লাহ গুরবাজ ও সেদিকুল্লাহ আটালকে বোল্ড করে ম্যাচে কিছুটা রোমাঞ্চ ফিরিয়ে এনেছিলেন পেসার তাসকিন আহমেদ। তবে সেই চাপ সামলে নেন অধিনায়ক রহমত শাহ ও হাসমাতুল্লাহ শাহিদী। রহমত শাহ ৬৭ রানে ও হাসমাতুল্লাহ শাহিদী ৩৬ রানে অপরাজিত থেকে আফগানিস্তানের জয় সুনিশ্চিত করেন।