মঙ্গলবার ভোর চারটার দিকে নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার বনপাড়া পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের সামনে নাটোর-পাবনা মহাসড়কে এক ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। বালুবোঝাই একটি ট্রাক ও যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই নয়জন নিহত হন। পরে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও তিনজনের মৃত্যু হয়, ফলে এ দুর্ঘটনায় মোট নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২ জনে। এছাড়া দুর্ঘটনায় ৩২ জন আহত হয়েছেন।

পূজার ছুটি কাটাতে রাজশাহী যাওয়ার পথে এ দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন শহিদুল ইসলাম (৪০) ও তাঁর আট বছরের মেয়ে তাছফিয়া খাতুন। শহিদুলের স্ত্রী রুবিনা আক্তার ও ছেলে লাবিব হোসেন গুরুতর আহত অবস্থায় বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। রুবিনা পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার সুবিদখালি গ্রামের বাসিন্দা এবং পূবালী ব্যাংকের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। তাঁর স্বামী শহিদুল ব্র্যাক ব্যাংকের মাগুরা শাখায় ক্রেডিট ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। রুবিনার ভগ্নিপতি শহিদুর রহমান জানিয়েছেন, সব পরিকল্পনা নিমিষেই শেষ হয়ে গেছে। রুবিনা এখনও তাঁর স্বামী ও মেয়ের মৃত্যুর খবর জানেন না।

দুর্ঘটনায় শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার পাঁচ ব্যবসায়ীও প্রাণ হারিয়েছেন। তাঁরা হলেন জুয়েল মাদবর (৪০), সালাল মোল্যা (৪৫), সোহাগ শিকদার (৩০), আবদুস সামাদ ফকির (৭০) ও শাহিন ব্যাপারী (২৫)। এই সাত ব্যবসায়ী সোমবার সন্ধ্যায় রাজশাহীর তাহেরপুরে কৃষিপণ্যের বীজ কেনার উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছিলেন। নাওডোবা থেকে বাসে ফরিদপুরের ভাঙ্গায় গিয়ে তাঁরা চাঁপাইনবাবগঞ্জগামী আরপি স্পেশাল পরিবহনে ওঠেন। নিহত জুয়েল মাদবর রবিশস্য কেনাবেচার পাশাপাশি রড-সিমেন্টের ব্যবসা করতেন।

নিহত ব্যবসায়ীদের মরদেহ এলাকায় ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলছে। কাজীরহাট বণিক সমিতির যুগ্ম সম্পাদক আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, মরদেহ আনতে স্বজনরা নাটোরের পথে রওনা হয়েছেন। এছাড়া আহতদের উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। বড়কান্দি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান লুৎফর খলিফা জানান, আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর মরদেহগুলো এলাকায় নেওয়া হবে এবং পরিবারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দাফন করা হবে।

স্বামী ও দুই সন্তানকে নিয়ে পূজার ছুটি কাটাতে বড় বোনের বাসায় যাচ্ছিলেন রুবিনা আক্তার (৩৬)।

নাটোরের বড়াইগ্রামে ট্রাকের সঙ্গে বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাণ হারিয়েছেন শহিদুল (৪০) ও আট বছরের মেয়ে তাছফিয়া খাতুন (৮)।

মঙ্গলবার ভোর চারটার দিকে নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার বনপাড়া পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের সামনে নাটোর-পাবনা মহাসড়কে এক ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। বালুবোঝাই একটি ট্রাক ও যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই নয়জন নিহত হন। পরে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও তিনজনের মৃত্যু হয়, ফলে এ দুর্ঘটনায় মোট নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২ জনে। এছাড়া দুর্ঘটনায় ৩২ জন আহত হয়েছেন।

পূজার ছুটি কাটাতে রাজশাহী যাওয়ার পথে এ দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন শহিদুল ইসলাম (৪০) ও তাঁর আট বছরের মেয়ে তাছফিয়া খাতুন। শহিদুলের স্ত্রী রুবিনা আক্তার ও ছেলে লাবিব হোসেন গুরুতর আহত অবস্থায় বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। রুবিনা পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার সুবিদখালি গ্রামের বাসিন্দা এবং পূবালী ব্যাংকের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। তাঁর স্বামী শহিদুল ব্র্যাক ব্যাংকের মাগুরা শাখায় ক্রেডিট ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। রুবিনার ভগ্নিপতি শহিদুর রহমান জানিয়েছেন, সব পরিকল্পনা নিমিষেই শেষ হয়ে গেছে। রুবিনা এখনও তাঁর স্বামী ও মেয়ের মৃত্যুর খবর জানেন না।

দুর্ঘটনায় শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার পাঁচ ব্যবসায়ীও প্রাণ হারিয়েছেন। তাঁরা হলেন জুয়েল মাদবর (৪০), সালাল মোল্যা (৪৫), সোহাগ শিকদার (৩০), আবদুস সামাদ ফকির (৭০) ও শাহিন ব্যাপারী (২৫)। এই সাত ব্যবসায়ী সোমবার সন্ধ্যায় রাজশাহীর তাহেরপুরে কৃষিপণ্যের বীজ কেনার উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছিলেন। নাওডোবা থেকে বাসে ফরিদপুরের ভাঙ্গায় গিয়ে তাঁরা চাঁপাইনবাবগঞ্জগামী আরপি স্পেশাল পরিবহনে ওঠেন। নিহত জুয়েল মাদবর রবিশস্য কেনাবেচার পাশাপাশি রড-সিমেন্টের ব্যবসা করতেন।

নিহত ব্যবসায়ীদের মরদেহ এলাকায় ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলছে। কাজীরহাট বণিক সমিতির যুগ্ম সম্পাদক আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, মরদেহ আনতে স্বজনরা নাটোরের পথে রওনা হয়েছেন। এছাড়া আহতদের উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। বড়কান্দি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান লুৎফর খলিফা জানান, আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর মরদেহগুলো এলাকায় নেওয়া হবে এবং পরিবারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দাফন করা হবে।

স্বামী ও দুই সন্তানকে নিয়ে পূজার ছুটি কাটাতে বড় বোনের বাসায় যাচ্ছিলেন রুবিনা আক্তার (৩৬)।

নাটোরের বড়াইগ্রামে ট্রাকের সঙ্গে বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাণ হারিয়েছেন শহিদুল (৪০) ও আট বছরের মেয়ে তাছফিয়া খাতুন (৮)।