দেশজুড়ে কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে দেশের সব উপজেলায় নতুন কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সোমবার (১৯ অক্টোবর ২০২৬) মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ফয়সল হাসান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, প্রতিটি উপজেলায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) সভাপতি এবং থানার অফিসার ইনচার্জকে (ওসি) সদস্য-সচিব করে এই কমিটি গঠন করা হবে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে উপজেলা প্রশাসন ও থানা পুলিশের সমন্বয়ে স্থানীয় পর্যায়ে কিশোর গ্যাং প্রতিরোধ কার্যক্রম পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ফয়সল হাসান। তবে এই কমিটির অন্যান্য সদস্য কারা থাকবেন, কী ধরনের কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে এবং কতদিনের মধ্যে কমিটি গঠন সম্পন্ন হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য এখনো জানানো হয়নি।

এর আগে গত ১৭ জুন জাতীয় সংসদে ঢাকা-১৬ আসনের বিরোধীদলীয় সদস্য মো. আব্দুল বাতেনের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ কিশোর গ্যাং দমনে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা জানিয়েছিলেন। তিনি জানান, মাদক নিয়ন্ত্রণ, চুরি, ছিনতাই, রাহাজানি রোধ এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিট পুলিশিং, কমিউনিটি পুলিশিং ও উঠান বৈঠকের মাধ্যমে জনসচেতনতা বাড়ানো হচ্ছে। এছাড়া নিয়মিত কাউন্সেলিং ও বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, কিশোর গ্যাং যাতে অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে সক্রিয় হতে না পারে, সেজন্য অনলাইন নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। এছাড়া স্থানীয় বাসিন্দা, অভিভাবক, শিক্ষক ও সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সম্পৃক্ত করে মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির কাজ চলছে। আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে মাদক কারবারিদের শনাক্তকরণ এবং কিশোর গ্যাং সদস্যদের গ্রেপ্তারে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

দেশজুড়ে কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে দেশের সব উপজেলায় নতুন কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সোমবার (১৯ অক্টোবর ২০২৬) মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ফয়সল হাসান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, প্রতিটি উপজেলায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) সভাপতি এবং থানার অফিসার ইনচার্জকে (ওসি) সদস্য-সচিব করে এই কমিটি গঠন করা হবে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে উপজেলা প্রশাসন ও থানা পুলিশের সমন্বয়ে স্থানীয় পর্যায়ে কিশোর গ্যাং প্রতিরোধ কার্যক্রম পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ফয়সল হাসান। তবে এই কমিটির অন্যান্য সদস্য কারা থাকবেন, কী ধরনের কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে এবং কতদিনের মধ্যে কমিটি গঠন সম্পন্ন হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য এখনো জানানো হয়নি।

এর আগে গত ১৭ জুন জাতীয় সংসদে ঢাকা-১৬ আসনের বিরোধীদলীয় সদস্য মো. আব্দুল বাতেনের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ কিশোর গ্যাং দমনে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা জানিয়েছিলেন। তিনি জানান, মাদক নিয়ন্ত্রণ, চুরি, ছিনতাই, রাহাজানি রোধ এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিট পুলিশিং, কমিউনিটি পুলিশিং ও উঠান বৈঠকের মাধ্যমে জনসচেতনতা বাড়ানো হচ্ছে। এছাড়া নিয়মিত কাউন্সেলিং ও বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, কিশোর গ্যাং যাতে অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে সক্রিয় হতে না পারে, সেজন্য অনলাইন নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। এছাড়া স্থানীয় বাসিন্দা, অভিভাবক, শিক্ষক ও সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সম্পৃক্ত করে মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির কাজ চলছে। আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে মাদক কারবারিদের শনাক্তকরণ এবং কিশোর গ্যাং সদস্যদের গ্রেপ্তারে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।