ঢাকা শহরকে একটি পরিচ্ছন্ন, স্বাস্থ্যকর এবং বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রধান কার্যালয় নগর ভবনে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এই আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে সন্তানদের ভবিষ্যতের কথা উল্লেখ করে বলেন, সবার কথা বাদ দিয়ে অন্তত নিজেদের সন্তানের জন্য একটি স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিত করতে আমাদের কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, কেউ নিশ্চয়ই চান না তার সন্তান নোংরা, জীবাণুযুক্ত ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বেড়ে উঠুক। সন্তানরা কেবল বাসার আশেপাশে নয়, বরং স্কুল, কলেজ ও খেলার মাঠসহ পুরো ঢাকা শহরেই যাতায়াত করে। তাই শুধু নিজের এলাকা নয়, পুরো শহরকে পরিষ্কার রাখা জরুরি। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, সবাই মিলে আন্তরিকভাবে চেষ্টা করলে এই পরিস্থিতির পরিবর্তন সম্ভব।

ঢাকা শহরের আবর্জনা ও অপরিচ্ছন্নতার সমস্যা একদিন বা সাত দিনে সমাধান করা সম্ভব নয় বলে স্বীকার করেন প্রধানমন্ত্রী। তবে তিনি কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, আপনারা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে এই সমস্যার সমাধানের সঙ্গে জড়িত। আপনাদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস ও কাজের ইচ্ছা থাকতে হবে। তিনি আরও বলেন, আমি যখন যেখানে যাই, সমস্যাগুলো দেখতে থাকি এবং সংশ্লিষ্টদের ফোন করি। আপনারাও যদি এভাবে দায়িত্বশীল হন, তবে পরিবর্তন অবশ্যই আসবে।

লন্ডনের উদাহরণ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ষাট বা সত্তরের দশকে লন্ডনের অনেক জায়গায়ও আবর্জনা ছিল, কিন্তু নাগরিক সচেতনতা ও দীর্ঘ প্রচেষ্টায় তারা পরিস্থিতির উন্নতি ঘটিয়েছে। তিনি বলেন, বিদেশে সুন্দর শহর দেখে দেশে ফিরে আফসোস না করে নিজেদের দায়িত্ব পালন করতে হবে। দক্ষিণ কোরিয়ার একটি প্রতিষ্ঠানের কর্ণধারের সঙ্গে সাম্প্রতিক কথোপকথনের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ঢাকার পরিচ্ছন্নতা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন। এটি প্রমাণ করে যে পরিবর্তন সম্ভব এবং সবাই মিলে চেষ্টা করলে আরও ভালো করা যাবে।

প্রধানমন্ত্রী জানান, তিনি নিয়মিত নগরীর সড়ক ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার খোঁজখবর রাখেন। তিনি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আত্মসমালোচনার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সমালোচনা করার পাশাপাশি নিজের দায়িত্ব কতটুকু সঠিকভাবে পালন করছেন, তা নিয়ে ভাবতে হবে।

নগর ভবন পরিদর্শনের সময় প্রধানমন্ত্রী জরুরি পরিচালন কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। সেখানে তিনি আবহাওয়া, ভূমিকম্পের তথ্য, বাতাসের গতিবেগ, বন্যার পূর্বাভাস এবং বায়ুর মান পর্যবেক্ষণের বিভিন্ন ওয়েবসাইট দেখেন। এছাড়া ফেসবুক লাইভের মাধ্যমে নগরীর পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড নিয়ে তৈরি একটি ভিডিও চিত্র দেখেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুস সালাম, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন এবং স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব শহীদুল হাসান।

ঢাকা শহরকে একটি পরিচ্ছন্ন, স্বাস্থ্যকর এবং বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রধান কার্যালয় নগর ভবনে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এই আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে সন্তানদের ভবিষ্যতের কথা উল্লেখ করে বলেন, সবার কথা বাদ দিয়ে অন্তত নিজেদের সন্তানের জন্য একটি স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিত করতে আমাদের কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, কেউ নিশ্চয়ই চান না তার সন্তান নোংরা, জীবাণুযুক্ত ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বেড়ে উঠুক। সন্তানরা কেবল বাসার আশেপাশে নয়, বরং স্কুল, কলেজ ও খেলার মাঠসহ পুরো ঢাকা শহরেই যাতায়াত করে। তাই শুধু নিজের এলাকা নয়, পুরো শহরকে পরিষ্কার রাখা জরুরি। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, সবাই মিলে আন্তরিকভাবে চেষ্টা করলে এই পরিস্থিতির পরিবর্তন সম্ভব।

ঢাকা শহরের আবর্জনা ও অপরিচ্ছন্নতার সমস্যা একদিন বা সাত দিনে সমাধান করা সম্ভব নয় বলে স্বীকার করেন প্রধানমন্ত্রী। তবে তিনি কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, আপনারা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে এই সমস্যার সমাধানের সঙ্গে জড়িত। আপনাদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস ও কাজের ইচ্ছা থাকতে হবে। তিনি আরও বলেন, আমি যখন যেখানে যাই, সমস্যাগুলো দেখতে থাকি এবং সংশ্লিষ্টদের ফোন করি। আপনারাও যদি এভাবে দায়িত্বশীল হন, তবে পরিবর্তন অবশ্যই আসবে।

লন্ডনের উদাহরণ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ষাট বা সত্তরের দশকে লন্ডনের অনেক জায়গায়ও আবর্জনা ছিল, কিন্তু নাগরিক সচেতনতা ও দীর্ঘ প্রচেষ্টায় তারা পরিস্থিতির উন্নতি ঘটিয়েছে। তিনি বলেন, বিদেশে সুন্দর শহর দেখে দেশে ফিরে আফসোস না করে নিজেদের দায়িত্ব পালন করতে হবে। দক্ষিণ কোরিয়ার একটি প্রতিষ্ঠানের কর্ণধারের সঙ্গে সাম্প্রতিক কথোপকথনের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ঢাকার পরিচ্ছন্নতা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন। এটি প্রমাণ করে যে পরিবর্তন সম্ভব এবং সবাই মিলে চেষ্টা করলে আরও ভালো করা যাবে।

প্রধানমন্ত্রী জানান, তিনি নিয়মিত নগরীর সড়ক ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার খোঁজখবর রাখেন। তিনি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আত্মসমালোচনার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সমালোচনা করার পাশাপাশি নিজের দায়িত্ব কতটুকু সঠিকভাবে পালন করছেন, তা নিয়ে ভাবতে হবে।

নগর ভবন পরিদর্শনের সময় প্রধানমন্ত্রী জরুরি পরিচালন কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। সেখানে তিনি আবহাওয়া, ভূমিকম্পের তথ্য, বাতাসের গতিবেগ, বন্যার পূর্বাভাস এবং বায়ুর মান পর্যবেক্ষণের বিভিন্ন ওয়েবসাইট দেখেন। এছাড়া ফেসবুক লাইভের মাধ্যমে নগরীর পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড নিয়ে তৈরি একটি ভিডিও চিত্র দেখেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুস সালাম, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন এবং স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব শহীদুল হাসান।