নগর প্রতিবেদক: বিভিন্ন অপরাধে জড়িত অভিযোগে চট্টগ্রামে ২৪ ঘণ্টায় ৮৬৩ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আজ বুধবার (০৭ অক্টোবর) সকাল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টার অভিযানে কিশোর গ্যাং, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও মাদকসহ বিভিন্ন তাদের আটক করা হয়। এদের মধ্যে শুধু কিশোর গ্যাং সদস্য রয়েছে ৪৩১ জন।

চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী জানান, গ্রেফতার ৮৬৩ জনের মধ্যে নিয়মিত মামলায় ৮৪ জন, পূর্বের মামলায় ৭০ জন, পুলিশ অ্যাক্টের ৩৪ ধারায় ৩১ জন, ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় ১৬ জন এবং ১৫১ ধারা ও অন্যান্য আইনে ৪৫ জন রয়েছেন।এ ছাড়া পরোয়ানামূলে ১৪৯ জন, সাজা পরোয়ানামূলে ২৭ জন এবং মাদক মামলায় ৮৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

মাদক মামলায় গ্রেফতারদের মধ্যে মাদক বহনকারী তিনজন ও মাদক সেবনকারী ৮১ জন রয়েছেন। নিয়মিত ও অন্যান্য মামলায় আরও ৪৩ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এসব মিলিয়ে অভিযানে মোট গ্রেফতার হয়েছেন ৮৬৩ জন।মাদকবিরোধী অভিযানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৩৩ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ৬ হাজার ৬৫০ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ৩৫টি মামলা করা হয়েছে।

অভিযানে ২১ হাজার ২০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ৩ কেজি ৫০ গ্রাম ইয়াবার গুঁড়া, ১৮ কেজি ৬০ গ্রাম গাঁজা, ১১৮ লিটার চোলাই মদ, সাত বোতল স্কাফ সিরাপ, ৩৭ বোতল ফেয়ারডিল সিরাপ এবং ৮০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে।

কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের সদস্যদের বিরুদ্ধে পরিচালিত অভিযানে ১৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর মধ্যে চট্টগ্রামে দুইজন, কুমিল্লায় চারজন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় একজন, চাঁদপুরে একজন, নোয়াখালীতে পাঁচজন, লক্ষ্মীপুরে একজন, ফেনীতে দুইজন, রাঙামাটিতে একজন ও খাগড়াছড়িতে একজন রয়েছেন।

নগর প্রতিবেদক: বিভিন্ন অপরাধে জড়িত অভিযোগে চট্টগ্রামে ২৪ ঘণ্টায় ৮৬৩ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আজ বুধবার (০৭ অক্টোবর) সকাল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টার অভিযানে কিশোর গ্যাং, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও মাদকসহ বিভিন্ন তাদের আটক করা হয়। এদের মধ্যে শুধু কিশোর গ্যাং সদস্য রয়েছে ৪৩১ জন।

চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী জানান, গ্রেফতার ৮৬৩ জনের মধ্যে নিয়মিত মামলায় ৮৪ জন, পূর্বের মামলায় ৭০ জন, পুলিশ অ্যাক্টের ৩৪ ধারায় ৩১ জন, ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় ১৬ জন এবং ১৫১ ধারা ও অন্যান্য আইনে ৪৫ জন রয়েছেন।এ ছাড়া পরোয়ানামূলে ১৪৯ জন, সাজা পরোয়ানামূলে ২৭ জন এবং মাদক মামলায় ৮৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

মাদক মামলায় গ্রেফতারদের মধ্যে মাদক বহনকারী তিনজন ও মাদক সেবনকারী ৮১ জন রয়েছেন। নিয়মিত ও অন্যান্য মামলায় আরও ৪৩ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এসব মিলিয়ে অভিযানে মোট গ্রেফতার হয়েছেন ৮৬৩ জন।মাদকবিরোধী অভিযানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৩৩ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ৬ হাজার ৬৫০ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ৩৫টি মামলা করা হয়েছে।

অভিযানে ২১ হাজার ২০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ৩ কেজি ৫০ গ্রাম ইয়াবার গুঁড়া, ১৮ কেজি ৬০ গ্রাম গাঁজা, ১১৮ লিটার চোলাই মদ, সাত বোতল স্কাফ সিরাপ, ৩৭ বোতল ফেয়ারডিল সিরাপ এবং ৮০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে।

কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের সদস্যদের বিরুদ্ধে পরিচালিত অভিযানে ১৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর মধ্যে চট্টগ্রামে দুইজন, কুমিল্লায় চারজন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় একজন, চাঁদপুরে একজন, নোয়াখালীতে পাঁচজন, লক্ষ্মীপুরে একজন, ফেনীতে দুইজন, রাঙামাটিতে একজন ও খাগড়াছড়িতে একজন রয়েছেন।