নগর প্রতিবেদক: চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (চউক) জমি দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ দোকান ও বিভিন্ন স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। কর্ণফুলী উপজেলার মইজ্জ্যারটেক মোড়ে আজ সোমবার (০৫ অক্টোবর) দুপুর ১২টার পর সিডিএর স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ) হামীমুন তানজীনের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানে সিডিএর মইজ্জ্যারটেক প্রকল্পের প্রকল্প কর্মকর্তা (পিডি) ও নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ হাসান, কর্ণফুলী থানা পুলিশ ও স্পেশাল পুলিশের সদস্যরা অংশ নেন। প্রায় ৪০ জন শ্রমিক ও একটি এক্সকাভেটরের সহায়তায় অবৈধ স্থাপনাগুলো গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।

অভিযানে মইজ্জ্যারটেক মোড়ে আব্দুল মন্নানের দখলে থাকা ওয়েলফুড, এস আলমের চেমন ইস্পাত লিমিটেডের সীমানা প্রাচীর, কুলিং কর্নার, মুদির দোকান, বিকাশের দোকান, গোডাউন, বেকারি এবং সড়কের ওপর নির্মিত ঝুপড়ি দোকানসহ বিভিন্ন স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়।

চউকের প্রকল্প কর্মকর্তা মোহাম্মদ হাসান বলেন, মইজ্জ্যারটেক মোড়ের জংশনটি উচ্ছেদ করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য অবৈধ স্থাপনাও উচ্ছেদ করা হবে।

নগর প্রতিবেদক: চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (চউক) জমি দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ দোকান ও বিভিন্ন স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। কর্ণফুলী উপজেলার মইজ্জ্যারটেক মোড়ে আজ সোমবার (০৫ অক্টোবর) দুপুর ১২টার পর সিডিএর স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ) হামীমুন তানজীনের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানে সিডিএর মইজ্জ্যারটেক প্রকল্পের প্রকল্প কর্মকর্তা (পিডি) ও নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ হাসান, কর্ণফুলী থানা পুলিশ ও স্পেশাল পুলিশের সদস্যরা অংশ নেন। প্রায় ৪০ জন শ্রমিক ও একটি এক্সকাভেটরের সহায়তায় অবৈধ স্থাপনাগুলো গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।

অভিযানে মইজ্জ্যারটেক মোড়ে আব্দুল মন্নানের দখলে থাকা ওয়েলফুড, এস আলমের চেমন ইস্পাত লিমিটেডের সীমানা প্রাচীর, কুলিং কর্নার, মুদির দোকান, বিকাশের দোকান, গোডাউন, বেকারি এবং সড়কের ওপর নির্মিত ঝুপড়ি দোকানসহ বিভিন্ন স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়।

চউকের প্রকল্প কর্মকর্তা মোহাম্মদ হাসান বলেন, মইজ্জ্যারটেক মোড়ের জংশনটি উচ্ছেদ করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য অবৈধ স্থাপনাও উচ্ছেদ করা হবে।