সুকান্ত বিকাশ ধর, সাতকানিয়া : সাতকানিয়া উপজেলা বাদ দিয়ে ছয় ইউনিয়ন নিয়ে নতুন থানা গঠনে অনুষ্ঠিত হওয়া গণশুনানি জনদুর্ভোগে পরিণত হওয়ার অভিযোগ করেছেন শুনানিতে অংশ নেওয়া লোকজন।

উপজেলার কালিয়াইশ ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ৬ ইউনিয়নের সমন্বয়ে উত্তর সাতকানিয়া থানা গঠনের প্রস্তাবের বিষয়ে স্থানীয় মানুষের মতামত নেওয়ার জন্য এ গণশুনানির নির্ধারিত সময় মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টা হলেও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাজীব দাশ পুরকায়স্থ অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছান দুপুর ১২টা ৪২ মিনিটে। এতে অপেক্ষমাণ মানুষের মধ্যে ভোগান্তি ও চরম অসন্তোষ দেখা দেয়। এমনকি গণশুনানিতে মতামত জানাতে আসা বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষের জন্য বসার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় অনেককে দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছে।

উপজেলার খাগরিয়া, কালিয়াইশ, ধর্মপুর, কেঁওচিয়া, বাজালিয়া ও পুরানগড়সহ সর্বমোট ৬টি ইউনিয়নের সমন্বয়ে উত্তর সাতকানিয়া থানা গঠনের প্রস্তাবের বিষয়ে আয়োজিত গণশুনানিতে অব্যবস্থাপনার এ অভিযোগ উঠেছে।

গণশুনানিতে অংশ নিতে ৬ ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা থেকে লোকজন আসেন। তবে অনুষ্ঠানস্থলে উপস্থিত মানুষের তুলনায় বসার ব্যবস্থা ছিল অপ্রতুল। ফলে অনেকেই দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে কিংবা বাইরে অপেক্ষা করেন। ইউএনও নির্ধারিত সময়ে উপস্থিতি না থাকায় অপেক্ষারত মানুষের ভোগান্তি আরও বাড়ে।

কথা হয় গণশুনানিতে আসা একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে। তারা বলেন, থানা হবে কি হবে না, সেটা জনগণের মতামতের বিষয়। কিন্তু মতামত নেওয়ার অনুষ্ঠানে যদি জনগণকেই ভোগান্তিতে পড়তে হয়, তাহলে বিষয়টি হতাশাজনক। নিজেদের মতামত জানাতে দূর-দূরান্ত থেকে অনেক মানুষ এখানে এসেছেন। কিন্তু তাদের বসার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা করা হয়নি। এ ছাড়াও সময়মতো অনুষ্ঠান শুরু না হওয়ায় মানুষের দুর্ভোগ হয়েছে।

গণশুনানিতে মতামত জানাতে আসা ওসমান গণি বলেন, একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক কাঠামো গঠনের বিষয়ে গণশুনানি আয়োজন করা হলেও অনুষ্ঠানস্থলের ব্যবস্থাপনা যথাযথ ছিল না। বিশেষ করে বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত বিপুলসংখ্যক মানুষের পর্যাপ্ত বসার জায়গা ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার সময়ানুবর্তিতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন ছিল।

সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাজীব দাশ পুরকায়স্থ বলেন, নিয়ম অনুযায়ী ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে। জনগণের দুর্ভোগের বিষয়ে তিনি বলেন, আগামীতে আরও শুনানি চলবে, সে অনুষ্ঠানগুলোতে বিষয়গুলো খেয়াল রাখা হবে।

সুকান্ত বিকাশ ধর, সাতকানিয়া : সাতকানিয়া উপজেলা বাদ দিয়ে ছয় ইউনিয়ন নিয়ে নতুন থানা গঠনে অনুষ্ঠিত হওয়া গণশুনানি জনদুর্ভোগে পরিণত হওয়ার অভিযোগ করেছেন শুনানিতে অংশ নেওয়া লোকজন।

উপজেলার কালিয়াইশ ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ৬ ইউনিয়নের সমন্বয়ে উত্তর সাতকানিয়া থানা গঠনের প্রস্তাবের বিষয়ে স্থানীয় মানুষের মতামত নেওয়ার জন্য এ গণশুনানির নির্ধারিত সময় মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টা হলেও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাজীব দাশ পুরকায়স্থ অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছান দুপুর ১২টা ৪২ মিনিটে। এতে অপেক্ষমাণ মানুষের মধ্যে ভোগান্তি ও চরম অসন্তোষ দেখা দেয়। এমনকি গণশুনানিতে মতামত জানাতে আসা বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষের জন্য বসার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় অনেককে দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছে।

উপজেলার খাগরিয়া, কালিয়াইশ, ধর্মপুর, কেঁওচিয়া, বাজালিয়া ও পুরানগড়সহ সর্বমোট ৬টি ইউনিয়নের সমন্বয়ে উত্তর সাতকানিয়া থানা গঠনের প্রস্তাবের বিষয়ে আয়োজিত গণশুনানিতে অব্যবস্থাপনার এ অভিযোগ উঠেছে।

গণশুনানিতে অংশ নিতে ৬ ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা থেকে লোকজন আসেন। তবে অনুষ্ঠানস্থলে উপস্থিত মানুষের তুলনায় বসার ব্যবস্থা ছিল অপ্রতুল। ফলে অনেকেই দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে কিংবা বাইরে অপেক্ষা করেন। ইউএনও নির্ধারিত সময়ে উপস্থিতি না থাকায় অপেক্ষারত মানুষের ভোগান্তি আরও বাড়ে।

কথা হয় গণশুনানিতে আসা একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে। তারা বলেন, থানা হবে কি হবে না, সেটা জনগণের মতামতের বিষয়। কিন্তু মতামত নেওয়ার অনুষ্ঠানে যদি জনগণকেই ভোগান্তিতে পড়তে হয়, তাহলে বিষয়টি হতাশাজনক। নিজেদের মতামত জানাতে দূর-দূরান্ত থেকে অনেক মানুষ এখানে এসেছেন। কিন্তু তাদের বসার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা করা হয়নি। এ ছাড়াও সময়মতো অনুষ্ঠান শুরু না হওয়ায় মানুষের দুর্ভোগ হয়েছে।

গণশুনানিতে মতামত জানাতে আসা ওসমান গণি বলেন, একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক কাঠামো গঠনের বিষয়ে গণশুনানি আয়োজন করা হলেও অনুষ্ঠানস্থলের ব্যবস্থাপনা যথাযথ ছিল না। বিশেষ করে বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত বিপুলসংখ্যক মানুষের পর্যাপ্ত বসার জায়গা ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার সময়ানুবর্তিতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন ছিল।

সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাজীব দাশ পুরকায়স্থ বলেন, নিয়ম অনুযায়ী ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে। জনগণের দুর্ভোগের বিষয়ে তিনি বলেন, আগামীতে আরও শুনানি চলবে, সে অনুষ্ঠানগুলোতে বিষয়গুলো খেয়াল রাখা হবে।