নগর প্রতিবেদক: নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের প্রায় ৯৫ শতাংশ কাজ ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে। বাকি কাজও ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারির মধ্যে সম্পন্ন করার কথা রয়েছে। ‘চট্টগ্রাম শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনকল্পে খাল পুনঃখনন, সম্প্রসারণ, সংস্কার ও উন্নয়ন’ শীর্ষক একটি প্রকল্পের অনুমোদন দেয় একনেক।

২০১৭ সালের ৯ আগস্ট ৫ হাজার ৬১৬ কোটি টাকা ব্যয়ে চউক’র তিন বছর মেয়াদি এই প্রকল্প বাস্তবায়নের সময় শেষ হয় ২০২০ সালের জুন মাসে। সর্বশেষ অনুমোদন পাওয়া নতুন আরডিপিপি অনুযায়ী জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের ব্যয় ৮ হাজার ৬২৬ কোটি টাকা এবং সময় ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য ২০১৮ সালের ৯ এপ্রিল সেনাবাহিনীর সঙ্গে সমঝোতা চুক্তি (এমওইউ) স্বাক্ষর করে সিডিএ। এরপর ২৮ এপ্রিল প্রকল্পের কাজ শুরু হয়।

এদিকে প্রকল্পের কাজ শেষে মার্চ মাস থেকে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) কাছে দায়িত্ব হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু করবে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (চউক)। যার মধ্যে কারিগরি জ্ঞান বিনিময় এবং রক্ষণাবেক্ষণ বিষয়ক প্রশিক্ষণও অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এরপর এপ্রিল থেকে এই প্রকল্পের দায়িত্ব বুঝে নেবে চসিক। ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ করা এবং মার্চ থেকে প্রকল্প হস্তান্তর করতে এরই মধ্যে একটি রোডম্যাপ তৈরি করেছে প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কন্সট্রাকশন ব্রিগেড।

জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের পরিচালক বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেডের লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ মহসিনুল হক চৌধুরী বলেন, গত ২৩ সেপ্টেম্বর চসিক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে করণীয় নির্ধারণে সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানসমূহের মতবিনিময় সভায় আমি একটি রোডম্যাপ দিয়েছিলাম। ইতিমধ্যে প্রকল্পের কাজ ৯৫ শতাংশ শেষ। বাকি কাজ শেষ করার জন্য সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহ থেকে ঠিকাদাররা প্রস্তুতি নিতে শুরু করেন। অক্টোবরের ১৫ তারিখ থেকে ঠিকাদাররা নির্মাণকাজ শুরু করবে। আমাদের হিসাব অনুযায়ী ফেব্রুয়ারির ২৮ তারিখের মধ্যে বাকি কাজ শেষ হবে এবং মার্চের এক তারিখ থেকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৪ ব্রিগেডের সাথে সিটি কর্পোরেশনের প্রকল্প হস্তান্তরের কাজ শুরু হবে।

মোহাম্মদ মহসিনুল হক চৌধুরী আরো বলেন, প্রকল্প হস্তান্তর পর্যায়ে আমরা গত আট বছরে কাজ করতে গিয়ে যেসব টেকনিক্যাল জ্ঞান অর্জন করেছি এগুলো চসিকের সাথে শেয়ার করব। যেমন সংস্কারকাজ শেষ করা খালগুলোতে যেসব জটিলতা আমরা মোকাবিলা করেছি, সেসব তাদের জানানো হবে। কাজগুলো করতে কি কি যন্ত্রপাতি লাগবে এবং তা কীভাবে ব্যবহার করতে হবে সেগুলোও তাদের জানাব। রেগুলেটরগুলো কীভাবে রক্ষণাবেক্ষণ বা মেরামত করতে হবে, কখন চালাতে হবে এবং কীভাবে রুটিন চেকআপ করতে হবে সেসব বিষয়গুলোও তাদের জানানো হবে।

প্রকল্প পরিচালক আরো বলেন, সব প্রক্রিয়া শেষে এপ্রিল মাস থেকে সিটি কর্পোরেশন এই প্রকল্পের দায়িত্বে থাকবে। এই বিষয়ে আমরা তাদের একটা প্রস্তাবনা দিয়েছিলাম। তারা রক্ষণাবেক্ষণের কাজের জন্য যদি আমাদের কাছে এক বছর বা তার বেশি সময় চায়, তাহলে সেটার জন্য এখনই যেন ডিটেইল প্রজেক্ট প্ল্যান (ডিপিপি) প্রস্তুত করে। আর যত তাড়াতাড়ি সম্ভব মন্ত্রণালয় থেকে এর অনুমোদন নিয়ে আসে।

প্রকল্প গ্রহণ সম্পর্কে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন,চউকের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সময়ে জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্প চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনকে হস্তান্তর করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। তবে পুরো কাজ শেষ হওয়ার পর আমরা প্রকল্পটি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য গ্রহণ করব।

মেয়র আরও বলেন, সম্প্রতি সিডিএ থেকে প্রকল্পের কাজ শেষে আমাদের গ্রহণের জন্য বলা হয়েছে। এ বিষয়ে আমরা চিন্তাভাবনা করছি। কীভাবে প্রকল্পটি বুঝে নিয়ে আগামীতে জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজ করা যায় তা নির্ধারণ করা হবে।

নগর প্রতিবেদক: নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের প্রায় ৯৫ শতাংশ কাজ ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে। বাকি কাজও ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারির মধ্যে সম্পন্ন করার কথা রয়েছে। ‘চট্টগ্রাম শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনকল্পে খাল পুনঃখনন, সম্প্রসারণ, সংস্কার ও উন্নয়ন’ শীর্ষক একটি প্রকল্পের অনুমোদন দেয় একনেক।

২০১৭ সালের ৯ আগস্ট ৫ হাজার ৬১৬ কোটি টাকা ব্যয়ে চউক’র তিন বছর মেয়াদি এই প্রকল্প বাস্তবায়নের সময় শেষ হয় ২০২০ সালের জুন মাসে। সর্বশেষ অনুমোদন পাওয়া নতুন আরডিপিপি অনুযায়ী জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের ব্যয় ৮ হাজার ৬২৬ কোটি টাকা এবং সময় ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য ২০১৮ সালের ৯ এপ্রিল সেনাবাহিনীর সঙ্গে সমঝোতা চুক্তি (এমওইউ) স্বাক্ষর করে সিডিএ। এরপর ২৮ এপ্রিল প্রকল্পের কাজ শুরু হয়।

এদিকে প্রকল্পের কাজ শেষে মার্চ মাস থেকে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) কাছে দায়িত্ব হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু করবে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (চউক)। যার মধ্যে কারিগরি জ্ঞান বিনিময় এবং রক্ষণাবেক্ষণ বিষয়ক প্রশিক্ষণও অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এরপর এপ্রিল থেকে এই প্রকল্পের দায়িত্ব বুঝে নেবে চসিক। ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ করা এবং মার্চ থেকে প্রকল্প হস্তান্তর করতে এরই মধ্যে একটি রোডম্যাপ তৈরি করেছে প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কন্সট্রাকশন ব্রিগেড।

জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের পরিচালক বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেডের লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ মহসিনুল হক চৌধুরী বলেন, গত ২৩ সেপ্টেম্বর চসিক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে করণীয় নির্ধারণে সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানসমূহের মতবিনিময় সভায় আমি একটি রোডম্যাপ দিয়েছিলাম। ইতিমধ্যে প্রকল্পের কাজ ৯৫ শতাংশ শেষ। বাকি কাজ শেষ করার জন্য সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহ থেকে ঠিকাদাররা প্রস্তুতি নিতে শুরু করেন। অক্টোবরের ১৫ তারিখ থেকে ঠিকাদাররা নির্মাণকাজ শুরু করবে। আমাদের হিসাব অনুযায়ী ফেব্রুয়ারির ২৮ তারিখের মধ্যে বাকি কাজ শেষ হবে এবং মার্চের এক তারিখ থেকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৪ ব্রিগেডের সাথে সিটি কর্পোরেশনের প্রকল্প হস্তান্তরের কাজ শুরু হবে।

মোহাম্মদ মহসিনুল হক চৌধুরী আরো বলেন, প্রকল্প হস্তান্তর পর্যায়ে আমরা গত আট বছরে কাজ করতে গিয়ে যেসব টেকনিক্যাল জ্ঞান অর্জন করেছি এগুলো চসিকের সাথে শেয়ার করব। যেমন সংস্কারকাজ শেষ করা খালগুলোতে যেসব জটিলতা আমরা মোকাবিলা করেছি, সেসব তাদের জানানো হবে। কাজগুলো করতে কি কি যন্ত্রপাতি লাগবে এবং তা কীভাবে ব্যবহার করতে হবে সেগুলোও তাদের জানাব। রেগুলেটরগুলো কীভাবে রক্ষণাবেক্ষণ বা মেরামত করতে হবে, কখন চালাতে হবে এবং কীভাবে রুটিন চেকআপ করতে হবে সেসব বিষয়গুলোও তাদের জানানো হবে।

প্রকল্প পরিচালক আরো বলেন, সব প্রক্রিয়া শেষে এপ্রিল মাস থেকে সিটি কর্পোরেশন এই প্রকল্পের দায়িত্বে থাকবে। এই বিষয়ে আমরা তাদের একটা প্রস্তাবনা দিয়েছিলাম। তারা রক্ষণাবেক্ষণের কাজের জন্য যদি আমাদের কাছে এক বছর বা তার বেশি সময় চায়, তাহলে সেটার জন্য এখনই যেন ডিটেইল প্রজেক্ট প্ল্যান (ডিপিপি) প্রস্তুত করে। আর যত তাড়াতাড়ি সম্ভব মন্ত্রণালয় থেকে এর অনুমোদন নিয়ে আসে।

প্রকল্প গ্রহণ সম্পর্কে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন,চউকের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সময়ে জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্প চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনকে হস্তান্তর করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। তবে পুরো কাজ শেষ হওয়ার পর আমরা প্রকল্পটি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য গ্রহণ করব।

মেয়র আরও বলেন, সম্প্রতি সিডিএ থেকে প্রকল্পের কাজ শেষে আমাদের গ্রহণের জন্য বলা হয়েছে। এ বিষয়ে আমরা চিন্তাভাবনা করছি। কীভাবে প্রকল্পটি বুঝে নিয়ে আগামীতে জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজ করা যায় তা নির্ধারণ করা হবে।