দি ক্রাইম ডেস্ক: চট্টগ্রামের আনোয়ারায় ১৪ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে ইয়াছিন আরাফাত (২০) নামের এক তরুণকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তবে ঘটনার পর আইনি পদক্ষেপ না নিয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য মোহাম্মদ ইসমাঈলের বিরুদ্ধে সালিশ বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি ধামাচাপা ও সমঝোতার চেষ্টা করার অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ বলছে, ঘটনার দিন অভিযুক্ত তরুণকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটে গত বুধবার (১৭ জুন) সকাল আটটার দিকে। যদিও বিষয়টি স্থানীয়ভাবে জানাজানি হয় রোববার (২১ জুন) সকালে। উপজেলার বারশত ইউনিয়নের বোয়ালিয়া-বারশত উচ্চবিদ্যালয় সংলগ্ন একটি মুরগির খামারে এই ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর স্থানীয় ইউপি সদস্য মোহাম্মদ ইসমাঈল বিষয়টি ধামাচাপা দিতে সালিশ বৈঠকের মাধ্যমে সমঝোতার চেষ্টা করেছেন বলে অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে আনোয়ারা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। গ্রেপ্তার ইয়াছিন আরাফাত উপজেলার স্থানীয় বাসিন্দা।

পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ওই স্কুলছাত্রী বিদ্যালয়ে আসা-যাওয়ার পথে ইয়াছিন আরাফাত তাকে প্রায়ই উত্ত্যক্ত করত এবং অনৈতিক প্রস্তাব দিত। কিশোরী তাতে রাজি না হওয়ায় তার ওপর ক্ষিপ্ত ছিল ইয়াছিন। গত বুধবার সকাল আটটার দিকে ওই কিশোরী বাড়ি থেকে কোচিং সেন্টারে যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হয়। পথে ওৎ পেতে থাকা ইয়াছিন তাকে জোরপূর্বক ও ভয়ভীতি দেখিয়ে বোয়ালিয়া-বারশত উচ্চবিদ্যালয়ের পেছনের একটি নির্জন মুরগির খামারে নিয়ে যায়। সেখানে কিশোরীকে ধর্ষণের চেষ্টা চালালে তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসেন। স্থানীয়দের তৎপরতায় কিশোরীকে উদ্ধার করা সম্ভব হলেও ইয়াছিন কৌশলে পালিয়ে যায়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এই ন্যক্কারজনক ঘটনার পর স্থানীয় ইউপি সদস্য মোহাম্মদ ইসমাঈল বিষয়টি থানা-পুলিশ পর্যন্ত না টেনে স্থানীয়ভাবে সমঝোতার জন্য একটি বৈঠক করেন।

তবে সমঝোতার চেষ্টার অভিযোগ অস্বীকার করে ইউপি সদস্য মোহাম্মদ ইসমাঈল বলেন, ‘বিষয়টি সমঝোতার চেষ্টা নয়। ভুক্তভোগী ও অভিযুক্তের পরিবারের উপস্থিতিতে আমিসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা সেখানে গিয়েছিলাম। পরে তো আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে এবং তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’

রোববার বিকেলে আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জুনায়েত চৌধুরী বলেন, ‘ঘটনার দিন বিকেল তিনটার দিকে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এর মাধ্যমে কল পেয়ে পুলিশকে বিষয়টি জানানো হয়। তথ্য পাওয়ার পরপরই পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত তরুণকে গ্রেপ্তার করে।’

ওসি আরও জানান, এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বাবা বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছেন। গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

দি ক্রাইম ডেস্ক: চট্টগ্রামের আনোয়ারায় ১৪ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে ইয়াছিন আরাফাত (২০) নামের এক তরুণকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তবে ঘটনার পর আইনি পদক্ষেপ না নিয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য মোহাম্মদ ইসমাঈলের বিরুদ্ধে সালিশ বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি ধামাচাপা ও সমঝোতার চেষ্টা করার অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ বলছে, ঘটনার দিন অভিযুক্ত তরুণকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটে গত বুধবার (১৭ জুন) সকাল আটটার দিকে। যদিও বিষয়টি স্থানীয়ভাবে জানাজানি হয় রোববার (২১ জুন) সকালে। উপজেলার বারশত ইউনিয়নের বোয়ালিয়া-বারশত উচ্চবিদ্যালয় সংলগ্ন একটি মুরগির খামারে এই ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর স্থানীয় ইউপি সদস্য মোহাম্মদ ইসমাঈল বিষয়টি ধামাচাপা দিতে সালিশ বৈঠকের মাধ্যমে সমঝোতার চেষ্টা করেছেন বলে অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে আনোয়ারা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। গ্রেপ্তার ইয়াছিন আরাফাত উপজেলার স্থানীয় বাসিন্দা।

পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ওই স্কুলছাত্রী বিদ্যালয়ে আসা-যাওয়ার পথে ইয়াছিন আরাফাত তাকে প্রায়ই উত্ত্যক্ত করত এবং অনৈতিক প্রস্তাব দিত। কিশোরী তাতে রাজি না হওয়ায় তার ওপর ক্ষিপ্ত ছিল ইয়াছিন। গত বুধবার সকাল আটটার দিকে ওই কিশোরী বাড়ি থেকে কোচিং সেন্টারে যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হয়। পথে ওৎ পেতে থাকা ইয়াছিন তাকে জোরপূর্বক ও ভয়ভীতি দেখিয়ে বোয়ালিয়া-বারশত উচ্চবিদ্যালয়ের পেছনের একটি নির্জন মুরগির খামারে নিয়ে যায়। সেখানে কিশোরীকে ধর্ষণের চেষ্টা চালালে তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসেন। স্থানীয়দের তৎপরতায় কিশোরীকে উদ্ধার করা সম্ভব হলেও ইয়াছিন কৌশলে পালিয়ে যায়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এই ন্যক্কারজনক ঘটনার পর স্থানীয় ইউপি সদস্য মোহাম্মদ ইসমাঈল বিষয়টি থানা-পুলিশ পর্যন্ত না টেনে স্থানীয়ভাবে সমঝোতার জন্য একটি বৈঠক করেন।

তবে সমঝোতার চেষ্টার অভিযোগ অস্বীকার করে ইউপি সদস্য মোহাম্মদ ইসমাঈল বলেন, ‘বিষয়টি সমঝোতার চেষ্টা নয়। ভুক্তভোগী ও অভিযুক্তের পরিবারের উপস্থিতিতে আমিসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা সেখানে গিয়েছিলাম। পরে তো আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে এবং তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’

রোববার বিকেলে আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জুনায়েত চৌধুরী বলেন, ‘ঘটনার দিন বিকেল তিনটার দিকে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এর মাধ্যমে কল পেয়ে পুলিশকে বিষয়টি জানানো হয়। তথ্য পাওয়ার পরপরই পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত তরুণকে গ্রেপ্তার করে।’

ওসি আরও জানান, এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বাবা বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছেন। গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।