ইরানের সঙ্গে নতুন কোনো সমঝোতা বা চুক্তিতে না পৌঁছানো গেলে দেশটির বিরুদ্ধে সামরিক হামলা চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। স্থানীয় সময় শনিবার (২৪ অক্টোবর) সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান, ইরানে সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপের বিষয়ে রোববার (২৫ অক্টোবর) সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। তবে হামলা নিয়ে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত ইতোমধ্যে নেওয়া হয়েছে কি না, সে বিষয়ে তিনি স্পষ্ট কিছু জানাননি।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, মার্কিন অভিযানের পরিকল্পনা আগেভাগে প্রকাশ করা হবে কি না—তা এখনই বলা যাচ্ছে না। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, তেহরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে যথেষ্ট আগ্রহী। দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সমঝোতা বাস্তবায়িত হলে নতুন সামরিক সংঘাত এড়ানো সম্ভব বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।
ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সক্ষমতা ঠেকানোকে নিজের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য উল্লেখ করে ট্রাম্প জানান, অতীতে বি-২ বোমারু বিমান ব্যবহার করেও কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য পুরোপুরি অর্জিত হয়নি। তাই এবার এই সংকটময় পরিস্থিতির স্থায়ী সমাধান চান তিনি। ট্রাম্পের মতে, ওয়াশিংটনের সামনে সামরিক অভিযান ও কূটনৈতিক আলোচনা—উভয় পথই উন্মুক্ত রয়েছে। চুক্তি কিংবা সামরিক সংঘাত যেদিকেই পরিস্থিতি গড়াক না কেন, চূড়ান্ত বিচারে যুক্তরাষ্ট্রই জয়ী হবে বলে দাবি করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি নিয়েও কথা বলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি দাবি করেন, বর্তমানে চলমান যুদ্ধ শুরুর আগের চেয়েও বেশি পরিমাণে অপরিশোধিত তেল হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হচ্ছে। তবে নিজের এই দাবির সপক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট উপাত্ত বা পরিসংখ্যান প্রকাশ করেননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট।




