ইরানের বর্তমান সরকার উৎখাত করাই নিজেদের প্রধান লক্ষ্য বলে ঘোষণা দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ১৯৯৬ সালে প্রথমবার ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর থেকেই নেতানিয়াহু ইরানের পারমাণবিক ও সামরিক সক্ষমতা রুখতে সরব ভূমিকা পালন করে আসছেন। আগামী সপ্তাহে ইসরায়েলে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাওয়ার মুখে এবং জনমত জরিপগুলোতে নিজের প্রতি সমর্থন কমতে থাকার মধ্যে তেহরানে আবারও নতুন করে সামরিক হামলা চালানের আভাস দিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। তবে সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, ইসরায়েল আকাশে আধিপত্য বিস্তার করে ইরানে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করার সক্ষমতা রাখলেও কেবল বিমান হামলা চালিয়ে দেশটির সরকার পরিবর্তন ঘটাতে পারবে কি না, তা নিয়ে বিশ্লেষকদের সংশয় রয়েছে।

ইতিমধ্যে দুই দফা বড় হামলা মোকাবিলা করে টিকে থাকা ইরানের এখনো শক্তিশালী পাল্টা আঘাত হানার সক্ষমতা রয়েছে। তেহরান কেবল ইসরায়েল নয়, মার্কিন সামরিক স্থাপনা রয়েছে এমন উপসাগরীয় প্রতিবেশী দেশগুলোতেও হামলা চালাতে পারে। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকের পর এবং মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের ইসরায়েল সফরের পরই নেতানিয়াহু তেহরানের নেতৃত্ব উৎখাতের কথা বলেন। এরপর চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল একযোগে হামলা চালায় ইরানে। তবে নতুন এই অভিযানে ওয়াশিংটন সরাসরি অংশ নেবে কি না কিংবা মার্কিন বাহিনী এই অভিযানে যোগ দিতে রাজি হয়েছে কি না, সে বিষয়ে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী কোনো স্পষ্ট ইঙ্গিত দেননি।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক গবেষণাপ্রতিষ্ঠান রয়্যাল ইউনাইটেড সার্ভিসেস ইনস্টিটিউটের (রুসি) গবেষক আরবান কনিংহাম জানান, ইসরায়েলের হাতে প্রচুর অস্ত্রের মজুত রয়েছে এবং আকাশে যুদ্ধবিমানে জ্বালানি ভরার প্রযুক্তি থাকায় তারা সুবিধাজনক অবস্থানে থেকে ইরানের লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালাতে সক্ষম। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতা ছাড়া ইসরায়েলের পক্ষে মাটির অনেক গভীরে থাকা ইরানের সামরিক স্থাপনাগুলোতে হামলা চালানো কঠিন হবে। এর অর্থ এই নয় যে ভবিষ্যতে ইরানে হামলার বিষয়টি পুরোপুরি নাকচ করে দিয়েছে ওয়াশিংটন। উল্লেখ্য, ইরান যুদ্ধে চার মাসেই অন্তত ৫২টি যুদ্ধবিমান–ড্রোন হারিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ২০২৫ সালের জুনে ইরানের ফোরদো ও নাতাঞ্জ পারমাণবিক স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের বি-২ বোমারু বিমান থেকে ৩০ হাজার পাউন্ড ওজনের যেসব জিবিইউ-৫৭ বাংকারবিধ্বংসী বোমা ফেলা হয়েছিল, সে ধরনের অতি-শক্তিশালী সামরিক সক্ষমতা ইসরায়েলের নেই।

সামরিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মাটির নিচের ঘাঁটি ধ্বংস করা বা সরকার উৎখাতের জন্য কেবল আকাশপথের হামলা যথেষ্ট নয়, বরং এর জন্য বিশাল সামরিক প্রস্তুতি নিয়ে স্থল অভিযান চালানো প্রয়োজন। গত মার্চে নেতানিয়াহু নিজেও স্বীকার করেছিলেন যে শুধু বিমান হামলা চালিয়ে সরকারের পতন ঘটানো যায় না এবং এর জন্য স্থল অভিযান প্রয়োজন। তবে তুরস্কের কায়সেরি শহরের আবদুল্লাহ গুল বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক চাগলার কুরচের মতে, বোমা বর্ষণ করে সামরিক সক্ষমতা কমানো গেলেও সুসংগঠিতভাবে লুকিয়ে রাখা অস্ত্রব্যবস্থা টিকে যায়। ফলে সম্পূর্ণ পাল্টা আঘাতের ক্ষমতা ধ্বংস করা যায় না। আর সরকার উৎখাত করতে হলে সেনাদল মোতায়েন করে কয়েক বছর বা কয়েক দশক ধরে অবস্থান করতে হবে, যা ইসরায়েল বা যুক্তরাষ্ট্র কারও পক্ষেই একা সামলানো সম্ভব নয়।

ইসরায়েল ইরানের ভেতরে নিজেদের গোপন মানব গোয়েন্দা নেটওয়ার্ক ও সাইবার হামলা ব্যবহারের কৌশল নিতে পারে। তবে আরবান কনিংহামের মতে, এসব গোপন কৌশল বা গোয়েন্দা নেটওয়ার্ক একবার ব্যবহার করলেই তা ফাঁস হয়ে যাওয়ার চরম ঝুঁকি থাকে এবং ইরানের নিরাপত্তা সংস্থাগুলো পরবর্তীতে তা শনাক্ত ও নিষ্ক্রিয় করে ফেলে। এ ছাড়া কুর্দি বা বালুচ সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে কাজে লাগিয়ে সরকার পতনের যে আলোচনা আগে সিএনএনের প্রতিবেদনে উঠে এসেছিল, তা বাস্তবে এগোয়নি; কারণ ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) বিরুদ্ধে লড়াই করার মতো পর্যাপ্ত সামরিক সক্ষমতা ওই সশস্ত্র দলগুলোর নেই।

অন্যদিকে, সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে ইসরায়েলকে মারাত্মক মূল্য দিতে হতে পারে। রুসির জ্যেষ্ঠ গবেষক সিদ্ধার্থ কৌশল জানান, ইরানের লক্ষ্যবস্তু শনাক্তকরণ প্রযুক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হলেও তাদের হাতে বিপুল পরিমাণ ক্ষেপণাস্ত্র ও জাহাজবিধ্বংসী ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত রয়েছে। পুরোনো চীনা ডিজাইনের ভিত্তি করে ইরান এখন নিজ দেশেই এসব ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করে। তা ছাড়া দক্ষিণাঞ্চলের উঁচু পাহাড়গুলো তাদের সামরিক সুরক্ষায় প্রাকৃতিক ঢাল হিসেবে কাজ করে। পাশাপাশি গাজায় গণহত্যার কারণে আন্তর্জাতিকভাবে ইসরায়েল ইতিমধ্যে অনেকটাই বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

অর্থনৈতিক ও আকাশ প্রতিরক্ষা কৌশলের দিক থেকেও ইসরায়েল বড় ধরনের চাপে রয়েছে। ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের এক প্রতিবেদনে প্রকাশ পেয়েছে যে সম্প্রতি ইরানে নতুন হামলার বিষয়ে ওয়াশিংটনকে প্রস্তাব দিয়েছিল ইসরায়েল, যা ট্রাম্প অনুমোদন দেননি। যুক্তরাষ্ট্রে সামনে মধ্যবর্তী নির্বাচন থাকায় ট্রাম্প নতুন যুদ্ধে জড়াতে অনিচ্ছুক। ইরানের তৈরি কম খরচের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করতে গিয়ে ইসরায়েলকে অত্যন্ত দামি প্রতিরক্ষামূলক অস্ত্র ব্যবহার করতে হচ্ছে, যার ফলে তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ক্ষেপণাস্ত্র মজুত দ্রুত ফুরিয়ে আসছে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রকে সরাসরি যুদ্ধে না টেনে কেবল ইসরায়েলি ভূখণ্ডে দীর্ঘমেয়াদি পাল্টা হামলা চালিয়ে তেল আবিবকে আন্তর্জাতিক ও সামাজিকভাবে আরও একঘরে করে দেওয়ার কৌশল নিতে পারে তেহরান।

ইরানের বর্তমান সরকার উৎখাত করাই নিজেদের প্রধান লক্ষ্য বলে ঘোষণা দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ১৯৯৬ সালে প্রথমবার ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর থেকেই নেতানিয়াহু ইরানের পারমাণবিক ও সামরিক সক্ষমতা রুখতে সরব ভূমিকা পালন করে আসছেন। আগামী সপ্তাহে ইসরায়েলে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাওয়ার মুখে এবং জনমত জরিপগুলোতে নিজের প্রতি সমর্থন কমতে থাকার মধ্যে তেহরানে আবারও নতুন করে সামরিক হামলা চালানের আভাস দিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। তবে সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, ইসরায়েল আকাশে আধিপত্য বিস্তার করে ইরানে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করার সক্ষমতা রাখলেও কেবল বিমান হামলা চালিয়ে দেশটির সরকার পরিবর্তন ঘটাতে পারবে কি না, তা নিয়ে বিশ্লেষকদের সংশয় রয়েছে।

ইতিমধ্যে দুই দফা বড় হামলা মোকাবিলা করে টিকে থাকা ইরানের এখনো শক্তিশালী পাল্টা আঘাত হানার সক্ষমতা রয়েছে। তেহরান কেবল ইসরায়েল নয়, মার্কিন সামরিক স্থাপনা রয়েছে এমন উপসাগরীয় প্রতিবেশী দেশগুলোতেও হামলা চালাতে পারে। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকের পর এবং মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের ইসরায়েল সফরের পরই নেতানিয়াহু তেহরানের নেতৃত্ব উৎখাতের কথা বলেন। এরপর চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল একযোগে হামলা চালায় ইরানে। তবে নতুন এই অভিযানে ওয়াশিংটন সরাসরি অংশ নেবে কি না কিংবা মার্কিন বাহিনী এই অভিযানে যোগ দিতে রাজি হয়েছে কি না, সে বিষয়ে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী কোনো স্পষ্ট ইঙ্গিত দেননি।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক গবেষণাপ্রতিষ্ঠান রয়্যাল ইউনাইটেড সার্ভিসেস ইনস্টিটিউটের (রুসি) গবেষক আরবান কনিংহাম জানান, ইসরায়েলের হাতে প্রচুর অস্ত্রের মজুত রয়েছে এবং আকাশে যুদ্ধবিমানে জ্বালানি ভরার প্রযুক্তি থাকায় তারা সুবিধাজনক অবস্থানে থেকে ইরানের লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালাতে সক্ষম। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতা ছাড়া ইসরায়েলের পক্ষে মাটির অনেক গভীরে থাকা ইরানের সামরিক স্থাপনাগুলোতে হামলা চালানো কঠিন হবে। এর অর্থ এই নয় যে ভবিষ্যতে ইরানে হামলার বিষয়টি পুরোপুরি নাকচ করে দিয়েছে ওয়াশিংটন। উল্লেখ্য, ইরান যুদ্ধে চার মাসেই অন্তত ৫২টি যুদ্ধবিমান–ড্রোন হারিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ২০২৫ সালের জুনে ইরানের ফোরদো ও নাতাঞ্জ পারমাণবিক স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের বি-২ বোমারু বিমান থেকে ৩০ হাজার পাউন্ড ওজনের যেসব জিবিইউ-৫৭ বাংকারবিধ্বংসী বোমা ফেলা হয়েছিল, সে ধরনের অতি-শক্তিশালী সামরিক সক্ষমতা ইসরায়েলের নেই।

সামরিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মাটির নিচের ঘাঁটি ধ্বংস করা বা সরকার উৎখাতের জন্য কেবল আকাশপথের হামলা যথেষ্ট নয়, বরং এর জন্য বিশাল সামরিক প্রস্তুতি নিয়ে স্থল অভিযান চালানো প্রয়োজন। গত মার্চে নেতানিয়াহু নিজেও স্বীকার করেছিলেন যে শুধু বিমান হামলা চালিয়ে সরকারের পতন ঘটানো যায় না এবং এর জন্য স্থল অভিযান প্রয়োজন। তবে তুরস্কের কায়সেরি শহরের আবদুল্লাহ গুল বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক চাগলার কুরচের মতে, বোমা বর্ষণ করে সামরিক সক্ষমতা কমানো গেলেও সুসংগঠিতভাবে লুকিয়ে রাখা অস্ত্রব্যবস্থা টিকে যায়। ফলে সম্পূর্ণ পাল্টা আঘাতের ক্ষমতা ধ্বংস করা যায় না। আর সরকার উৎখাত করতে হলে সেনাদল মোতায়েন করে কয়েক বছর বা কয়েক দশক ধরে অবস্থান করতে হবে, যা ইসরায়েল বা যুক্তরাষ্ট্র কারও পক্ষেই একা সামলানো সম্ভব নয়।

ইসরায়েল ইরানের ভেতরে নিজেদের গোপন মানব গোয়েন্দা নেটওয়ার্ক ও সাইবার হামলা ব্যবহারের কৌশল নিতে পারে। তবে আরবান কনিংহামের মতে, এসব গোপন কৌশল বা গোয়েন্দা নেটওয়ার্ক একবার ব্যবহার করলেই তা ফাঁস হয়ে যাওয়ার চরম ঝুঁকি থাকে এবং ইরানের নিরাপত্তা সংস্থাগুলো পরবর্তীতে তা শনাক্ত ও নিষ্ক্রিয় করে ফেলে। এ ছাড়া কুর্দি বা বালুচ সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে কাজে লাগিয়ে সরকার পতনের যে আলোচনা আগে সিএনএনের প্রতিবেদনে উঠে এসেছিল, তা বাস্তবে এগোয়নি; কারণ ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) বিরুদ্ধে লড়াই করার মতো পর্যাপ্ত সামরিক সক্ষমতা ওই সশস্ত্র দলগুলোর নেই।

অন্যদিকে, সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে ইসরায়েলকে মারাত্মক মূল্য দিতে হতে পারে। রুসির জ্যেষ্ঠ গবেষক সিদ্ধার্থ কৌশল জানান, ইরানের লক্ষ্যবস্তু শনাক্তকরণ প্রযুক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হলেও তাদের হাতে বিপুল পরিমাণ ক্ষেপণাস্ত্র ও জাহাজবিধ্বংসী ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত রয়েছে। পুরোনো চীনা ডিজাইনের ভিত্তি করে ইরান এখন নিজ দেশেই এসব ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করে। তা ছাড়া দক্ষিণাঞ্চলের উঁচু পাহাড়গুলো তাদের সামরিক সুরক্ষায় প্রাকৃতিক ঢাল হিসেবে কাজ করে। পাশাপাশি গাজায় গণহত্যার কারণে আন্তর্জাতিকভাবে ইসরায়েল ইতিমধ্যে অনেকটাই বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

অর্থনৈতিক ও আকাশ প্রতিরক্ষা কৌশলের দিক থেকেও ইসরায়েল বড় ধরনের চাপে রয়েছে। ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের এক প্রতিবেদনে প্রকাশ পেয়েছে যে সম্প্রতি ইরানে নতুন হামলার বিষয়ে ওয়াশিংটনকে প্রস্তাব দিয়েছিল ইসরায়েল, যা ট্রাম্প অনুমোদন দেননি। যুক্তরাষ্ট্রে সামনে মধ্যবর্তী নির্বাচন থাকায় ট্রাম্প নতুন যুদ্ধে জড়াতে অনিচ্ছুক। ইরানের তৈরি কম খরচের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করতে গিয়ে ইসরায়েলকে অত্যন্ত দামি প্রতিরক্ষামূলক অস্ত্র ব্যবহার করতে হচ্ছে, যার ফলে তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ক্ষেপণাস্ত্র মজুত দ্রুত ফুরিয়ে আসছে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রকে সরাসরি যুদ্ধে না টেনে কেবল ইসরায়েলি ভূখণ্ডে দীর্ঘমেয়াদি পাল্টা হামলা চালিয়ে তেল আবিবকে আন্তর্জাতিক ও সামাজিকভাবে আরও একঘরে করে দেওয়ার কৌশল নিতে পারে তেহরান।