যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর জ্বালানি নিষেধাজ্ঞার কারণে ক্যারিবীয় দ্বীপরাষ্ট্র কিউবা বর্তমানে এক চরম সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। জ্বালানির তীব্র ঘাটতির ফলে দেশটির গণপরিবহন ব্যবস্থা ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বিপর্যয়ের মুখোমুখি দাঁড়িয়েছে। কিউবার পরিবহনমন্ত্রী এদুয়ার্দো রদ্রিগেজ দাবিলার মতে, দেশটির গণপরিবহন ব্যবস্থা বর্তমানে এর সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে।

পরিবহন মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের তুলনায় চলতি বছর গণপরিবহনে যাত্রী চলাচল ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত কমে যেতে পারে। রাজধানী হাভানা থেকে অন্যান্য প্রদেশে দূরপাল্লার বাস চলাচল প্রতিদিন ৪১৯টি থেকে কমে মাত্র ১১টিতে নেমে এসেছে। সারা দেশে বাসের রুটের সংখ্যা ১০০টির বেশি থেকে কমে ২১টিতে এসে ঠেকেছে। ইন্টার-আরবান বা শহরতলিকেন্দ্রিক পরিবহন ব্যবস্থা প্রায় ৯০ শতাংশ ধসে পড়েছে। এ ছাড়া অভ্যন্তরীণ পণ্য পরিবহনও আগের বছরের ৭০ মিলিয়ন টন থেকে কমে মাত্র ২০ মিলিয়ন টনে নামবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এই তীব্র সংকটের মুখে সাধারণ মানুষের চিকিৎসা, হাসপাতালে যাওয়া এবং স্বজনদের সাথে দেখা করার মতো মৌলিক চাহিদাগুলো মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। পরিবহন ব্যবস্থার এই বিপর্যয়ের ফলে কিউবার জনগণ লিফট চাওয়া, কারপুলিং কিংবা ব্যয়বহুল ব্যক্তিগত পরিবহনের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে।

একই সঙ্গে দেশটিতে দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে ইলেকট্রিক যানবাহনের ব্যবহার। পরিবহনমন্ত্রী দাবিলা জানান, দেশে বর্তমানে প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার ইলেকট্রিক গাড়ি, বাইক ও থ্রি-হুইলার রয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় দ্বিগুণ। আগস্টের মধ্যে আমদানি করা মোট যানবাহনের ৪০ শতাংশই ছিল ইলেকট্রিক। তবে ইলেকট্রিক যানবাহনের চাহিদা দ্রুত বাড়লেও নতুন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিডের দুর্বলতা। পর্যাপ্ত সৌরবিদ্যুতের অভাব ও বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে অনেক সময় ইলেকট্রিক থ্রি-হুইলার চার্জ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। ফলে বহু যানবাহন অলস পড়ে থাকছে। সংকট সামাল দিতে পরিবহন মন্ত্রণালয় দেশজুড়ে ৬০টি সৌর চার্জিং স্টেশন স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে। মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় বিপর্যস্ত কিউবা এখন বিকল্প এই ‘ইলেকট্রিক বিপ্লব’-এর মাধ্যমেই পরিবহন ব্যবস্থা সচল রাখার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর জ্বালানি নিষেধাজ্ঞার কারণে ক্যারিবীয় দ্বীপরাষ্ট্র কিউবা বর্তমানে এক চরম সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। জ্বালানির তীব্র ঘাটতির ফলে দেশটির গণপরিবহন ব্যবস্থা ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বিপর্যয়ের মুখোমুখি দাঁড়িয়েছে। কিউবার পরিবহনমন্ত্রী এদুয়ার্দো রদ্রিগেজ দাবিলার মতে, দেশটির গণপরিবহন ব্যবস্থা বর্তমানে এর সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে।

পরিবহন মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের তুলনায় চলতি বছর গণপরিবহনে যাত্রী চলাচল ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত কমে যেতে পারে। রাজধানী হাভানা থেকে অন্যান্য প্রদেশে দূরপাল্লার বাস চলাচল প্রতিদিন ৪১৯টি থেকে কমে মাত্র ১১টিতে নেমে এসেছে। সারা দেশে বাসের রুটের সংখ্যা ১০০টির বেশি থেকে কমে ২১টিতে এসে ঠেকেছে। ইন্টার-আরবান বা শহরতলিকেন্দ্রিক পরিবহন ব্যবস্থা প্রায় ৯০ শতাংশ ধসে পড়েছে। এ ছাড়া অভ্যন্তরীণ পণ্য পরিবহনও আগের বছরের ৭০ মিলিয়ন টন থেকে কমে মাত্র ২০ মিলিয়ন টনে নামবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এই তীব্র সংকটের মুখে সাধারণ মানুষের চিকিৎসা, হাসপাতালে যাওয়া এবং স্বজনদের সাথে দেখা করার মতো মৌলিক চাহিদাগুলো মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। পরিবহন ব্যবস্থার এই বিপর্যয়ের ফলে কিউবার জনগণ লিফট চাওয়া, কারপুলিং কিংবা ব্যয়বহুল ব্যক্তিগত পরিবহনের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে।

একই সঙ্গে দেশটিতে দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে ইলেকট্রিক যানবাহনের ব্যবহার। পরিবহনমন্ত্রী দাবিলা জানান, দেশে বর্তমানে প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার ইলেকট্রিক গাড়ি, বাইক ও থ্রি-হুইলার রয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় দ্বিগুণ। আগস্টের মধ্যে আমদানি করা মোট যানবাহনের ৪০ শতাংশই ছিল ইলেকট্রিক। তবে ইলেকট্রিক যানবাহনের চাহিদা দ্রুত বাড়লেও নতুন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিডের দুর্বলতা। পর্যাপ্ত সৌরবিদ্যুতের অভাব ও বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে অনেক সময় ইলেকট্রিক থ্রি-হুইলার চার্জ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। ফলে বহু যানবাহন অলস পড়ে থাকছে। সংকট সামাল দিতে পরিবহন মন্ত্রণালয় দেশজুড়ে ৬০টি সৌর চার্জিং স্টেশন স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে। মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় বিপর্যস্ত কিউবা এখন বিকল্প এই ‘ইলেকট্রিক বিপ্লব’-এর মাধ্যমেই পরিবহন ব্যবস্থা সচল রাখার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।