সৌদি আরবে হামলা এবং হরমুজ প্রণালির আশপাশে তেলবাহী জাহাজে হামলার ঘটনায় বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) এর প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম গত পাঁচ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।

বুধবার ইরানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকা ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা সৌদি আরবের একাধিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালায়। দাম্মামের একটি বেসামরিক বিমানবন্দরে হামলায় দুজন নিহত ও আটজন আহত হন। এ ছাড়া সৌদি আরবের একটি তেলক্ষেত্রে ড্রোন হামলায় আরও দুজন নিহত হন। অন্যদিকে, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, বুধবার উত্তর উপসাগরীয় অঞ্চলে ‘অবৈধভাবে’ তেল স্থানান্তরের সঙ্গে জড়িত চারটি জাহাজে আঘাত হানা হয় এবং সেগুলোতে আগুন ধরে যায়। আইআরজিসি আরও জানায়, হরমুজ প্রণালির পশ্চিমে তিনটি জাহাজ মাইনের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছে। একই সঙ্গে তারা যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করে বলেছে, উসকানি অব্যাহত থাকলে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটিগুলোর বিরুদ্ধে আরও বিস্তৃত পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।

পরিস্থিতির অবনতির প্রেক্ষাপটে সৌদি আরবে অবস্থিত কয়েকটি কূটনৈতিক মিশন থেকে কূটনীতিক ও তাদের পরিবারের সদস্যদের চলে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। সৌদি আরবের রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানি আরামকো ধাহরানে তাদের সদর দপ্তরের কর্মীদের সরিয়ে নিয়ে দূর থেকে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। প্রায় আট মাস আগে হরমুজ প্রণালিতে ইরানের কার্যত অবরোধের সময় তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গিয়েছিল। গত এপ্রিলে সংঘাতের মধ্যে তেলের দাম সর্বোচ্চ ১২৬ ডলারে পৌঁছালেও মে মাসের শেষ দিকে তা ১০০ ডলারের নিচে নেমে আসে এবং জুলাইয়ের শুরুতে ৭১ ডলারে দাঁড়ায়। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে জ্বালানি তথ্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান কেপলারের তথ্য অনুযায়ী, পারস্য উপসাগর থেকে তেল রপ্তানির পরিমাণ যুদ্ধ-পূর্ববর্তী মাত্রা ছাড়িয়েছে, যার কারণ পাইপলাইনের মাধ্যমে লোহিত সাগর ও ওমান উপসাগরীয় এলাকায় তেল পরিবহন বৃদ্ধি।

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির পাশাপাশি মূল্যস্ফীতি ও ঋণ গ্রহণের ব্যয় বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কায় বৃহস্পতিবার বিশ্বের বিভিন্ন শেয়ারবাজারে দরপতন হয়েছে। ইউরোপের স্টক্স ইউরোপ ৬০০ সূচক ১ শতাংশ, যুক্তরাজ্যের এফটিএসই ১০০ সূচক ০ দশমিক ৭ শতাংশ কমেছে। এশিয়ার বাজারে জাপানের নিক্কেই ২২৫ সূচক ২ দশমিক ৭ শতাংশ, দক্ষিণ কোরিয়ার কোস্পি ৩ দশমিক ৫ শতাংশ এবং হংকংয়ের হ্যাং সেং সূচক ৩ শতাংশ কমেছে। তেলের উচ্চমূল্যের প্রভাব পড়েছে বিমান পরিবহন খাতেও; আমেরিকান এয়ারলাইনসের শেয়ার প্রাক্-বাজার লেনদেনে প্রায় ৪ শতাংশ কমেছে এবং জ্বালানি ব্যয়ের কারণে কোম্পানিটি এ বছরের লাভের পূর্বাভাস থেকে সরে এসেছে।

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর সংঘাতের প্রথম কয়েক সপ্তাহে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে যায়। সে সময় হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বাজার বিশ্লেষকদের কেউ কেউ দাম ১৫০ ডলার পর্যন্ত ওঠার পূর্বাভাস দিয়েছিলেন।

সৌদি আরবে হামলা এবং হরমুজ প্রণালির আশপাশে তেলবাহী জাহাজে হামলার ঘটনায় বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) এর প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম গত পাঁচ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।

বুধবার ইরানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকা ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা সৌদি আরবের একাধিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালায়। দাম্মামের একটি বেসামরিক বিমানবন্দরে হামলায় দুজন নিহত ও আটজন আহত হন। এ ছাড়া সৌদি আরবের একটি তেলক্ষেত্রে ড্রোন হামলায় আরও দুজন নিহত হন। অন্যদিকে, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, বুধবার উত্তর উপসাগরীয় অঞ্চলে ‘অবৈধভাবে’ তেল স্থানান্তরের সঙ্গে জড়িত চারটি জাহাজে আঘাত হানা হয় এবং সেগুলোতে আগুন ধরে যায়। আইআরজিসি আরও জানায়, হরমুজ প্রণালির পশ্চিমে তিনটি জাহাজ মাইনের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছে। একই সঙ্গে তারা যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করে বলেছে, উসকানি অব্যাহত থাকলে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটিগুলোর বিরুদ্ধে আরও বিস্তৃত পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।

পরিস্থিতির অবনতির প্রেক্ষাপটে সৌদি আরবে অবস্থিত কয়েকটি কূটনৈতিক মিশন থেকে কূটনীতিক ও তাদের পরিবারের সদস্যদের চলে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। সৌদি আরবের রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানি আরামকো ধাহরানে তাদের সদর দপ্তরের কর্মীদের সরিয়ে নিয়ে দূর থেকে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। প্রায় আট মাস আগে হরমুজ প্রণালিতে ইরানের কার্যত অবরোধের সময় তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গিয়েছিল। গত এপ্রিলে সংঘাতের মধ্যে তেলের দাম সর্বোচ্চ ১২৬ ডলারে পৌঁছালেও মে মাসের শেষ দিকে তা ১০০ ডলারের নিচে নেমে আসে এবং জুলাইয়ের শুরুতে ৭১ ডলারে দাঁড়ায়। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে জ্বালানি তথ্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান কেপলারের তথ্য অনুযায়ী, পারস্য উপসাগর থেকে তেল রপ্তানির পরিমাণ যুদ্ধ-পূর্ববর্তী মাত্রা ছাড়িয়েছে, যার কারণ পাইপলাইনের মাধ্যমে লোহিত সাগর ও ওমান উপসাগরীয় এলাকায় তেল পরিবহন বৃদ্ধি।

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির পাশাপাশি মূল্যস্ফীতি ও ঋণ গ্রহণের ব্যয় বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কায় বৃহস্পতিবার বিশ্বের বিভিন্ন শেয়ারবাজারে দরপতন হয়েছে। ইউরোপের স্টক্স ইউরোপ ৬০০ সূচক ১ শতাংশ, যুক্তরাজ্যের এফটিএসই ১০০ সূচক ০ দশমিক ৭ শতাংশ কমেছে। এশিয়ার বাজারে জাপানের নিক্কেই ২২৫ সূচক ২ দশমিক ৭ শতাংশ, দক্ষিণ কোরিয়ার কোস্পি ৩ দশমিক ৫ শতাংশ এবং হংকংয়ের হ্যাং সেং সূচক ৩ শতাংশ কমেছে। তেলের উচ্চমূল্যের প্রভাব পড়েছে বিমান পরিবহন খাতেও; আমেরিকান এয়ারলাইনসের শেয়ার প্রাক্-বাজার লেনদেনে প্রায় ৪ শতাংশ কমেছে এবং জ্বালানি ব্যয়ের কারণে কোম্পানিটি এ বছরের লাভের পূর্বাভাস থেকে সরে এসেছে।

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর সংঘাতের প্রথম কয়েক সপ্তাহে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে যায়। সে সময় হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বাজার বিশ্লেষকদের কেউ কেউ দাম ১৫০ ডলার পর্যন্ত ওঠার পূর্বাভাস দিয়েছিলেন।