ভারতের রাজধানী দিল্লিতে তিহার জেল থেকে মুক্তি পাওয়ার মাত্র একদিন পরই ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) দুই শীর্ষ নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে তলব করেছে দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ। বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজৌরি গার্ডেনে অবস্থিত ক্রাইম ব্রাঞ্চের কার্যালয়ে তাদের সশরীরে হাজির হতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নির্বাচনি তালিকার স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন (এসআইআর)-এ নানা অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে গ্রেপ্তারের শিকার হন এই দুই রাজনৈতিক কর্মী। সাতদিন তিহার জেলে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে থাকার পর বুধবার তারা মুক্তি পান। তবে মুক্তির আগে আদালতের নির্দেশে দুই নেতাই দিল্লির নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে একটি লিখিত বয়ান জমা দেন। সেই মুচলেকায় তারা কথা দিয়েছেন যে, ভবিষ্যতে দিল্লির যন্তর মন্তরে আর কোনো আন্দোলনের ডাক দেওয়া থেকে বিরত থাকবেন, সর্বাবস্থায় শান্তি বজায় রাখবেন এবং তাদের পরবর্তী যাবতীয় রাজনৈতিক ও আন্দোলন কর্মসূচি ভারতের সাংবিধানিক কাঠামোর মধ্যে থেকেই পরিচালিত হবে।
উল্লেখ্য, মোদি সরকার যন্তর মন্তরকে নির্ধারিত বিক্ষোভস্থলের তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার পর গত ১৩ অক্টোবর লোহাগেট টপকে সিজেপির বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী সেখানে প্রবেশ করেন। সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কার সঙ্গে সিজেপির অন্যতম শীর্ষ নেতা অজিঙ্ক শিন্ডেসহ দলের একাধিক সমর্থক ওই বিক্ষোভে অংশ নেন। ঘটনাস্থলে জাতীয় পতাকা উড়িয়ে সরকারবিরোধী স্লোগান দিলে পুলিশ সেখান থেকে সবাইকে আটক করে। পরবর্তীতে অন্যদের ছেড়ে দেওয়া হলেও শান্তিভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগে আশুতোষ ও সৌরভকে গ্রেপ্তার করে তিহার জেলে পাঠায় দিল্লি পুলিশ।




