প্রকাশ : ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৯: ১৪আপডেট : ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৯: ২০। আগামী ৩ নভেম্বর অনুষ্ঠেয় যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে কানাডার রাজনীতিকদের বিরুদ্ধে। বুধবার প্রকাশিত এক তথ্যপত্রে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস এই অভিযোগ তুলে জানায় যে, মার্কিন নির্বাচনে হস্তক্ষেপের বিষয়ে ওয়াশিংটনের উদ্বেগকে কানাডা গুরুত্বের সঙ্গে নিচ্ছে না। দূতাবাসের দাবি, কানাডার মন্ত্রী ও প্রাদেশিক সরকারপ্রধানরা সরকারি নথি ও প্রকাশ্য বক্তব্যে মার্কিন রাজনীতিতে প্রভাব বিস্তারের পরিকল্পনা করছেন।

২০২৫ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর থেকেই দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যযুদ্ধ চলছে। ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কের জবাবে কানাডার পাল্টা শুল্ক আরোপের বিষয়টিকেও নির্বাচনে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা হিসেবে দেখছে ওয়াশিংটন। দূতাবাসের তথ্যপত্রে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে কানাডার শিল্পমন্ত্রী মেলানি জোলির নাম। গত আগস্টে তিনি ট্রাম্পের শুল্কের জবাবে বলেছিলেন, রাজনৈতিক চাপ তৈরির জন্য কৌশলগতভাবে মার্কিন অঙ্গরাজ্যগুলোর পণ্যকে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে। এছাড়াও গত সেপ্টেম্বরে ডেমোক্রেটিক পার্টির নেতাদের সঙ্গে জোলির বৈঠক নিয়েও আপত্তি জানিয়েছে দূতাবাস।

তবে মেলানি জোলি এই অভিযোগ সরাসরি নাকচ করে দিয়েছেন। গত ১৪ অক্টোবর তিনি সাংবাদিকদের বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিকদের সঙ্গে তার বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য কানাডার অর্থনীতিতে বিনিয়োগ আকর্ষণ করা। গত বছর শুরু হওয়া ওই প্রচারে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যানের ১৯৮৭ সালের একটি বেতার ভাষণের অংশ ব্যবহার করা হয়। ওই ভাষণে রিগ্যান শুল্কের সমালোচনা করেছিলেন। এই বিজ্ঞাপন প্রচারের জেরে ২০২৫ সালের অক্টোবরে কানাডার সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনা বন্ধ করে দেন ট্রাম্প। ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান উভয় দলের সঙ্গেই তিনি যোগাযোগ রাখছেন বলে জানান।

তালিকায় অন্টারিও প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী ডাগ ফোর্ডের কর্মকাণ্ডও উঠে এসেছে। ট্রাম্পের শুল্কনীতির বিরুদ্ধে বিজ্ঞাপন প্রচার এবং পাল্টা ব্যবস্থার পক্ষে বক্তব্য দেওয়ায় তাকেও অভিযুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া কানাডার লিবারেল পার্টির সংসদ সদস্য অ্যান্থনি হাউসফাদারের বিরুদ্ধে ফ্লোরিডায় ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রাথমিক নির্বাচনের প্রচারণায় অংশগ্রহণের অভিযোগ তোলা হয়েছে। ২০১২ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে অবৈধভাবে ভোট দেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত ১১ জন কানাডীয় নাগরিকের নামও এই তালিকায় যুক্ত করা হয়েছে, যদিও তাদের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে কানাডা সরকারের সংশ্লিষ্টতার কোনো প্রমাণ দেওয়া হয়নি।

কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি সোমবারের প্রাদেশিক নির্বাচনের আগে সম্ভাব্য মার্কিন হস্তক্ষেপ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। তিনি গ্লোবাল নিউজকে বলেন, কানাডা অন্য কোনো দেশের নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করে না এবং তারা আশা করে যে বিদেশি সরকারগুলোও কানাডার নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করবে না। এদিকে মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিট হোকস্ট্রা জানিয়েছেন, ওয়াশিংটন বিষয়টি পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন করছে এবং হস্তক্ষেপ প্রমাণিত হলে যুক্তরাষ্ট্র তার জবাব দেবে।

প্রকাশ : ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৯: ১৪আপডেট : ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৯: ২০। আগামী ৩ নভেম্বর অনুষ্ঠেয় যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে কানাডার রাজনীতিকদের বিরুদ্ধে। বুধবার প্রকাশিত এক তথ্যপত্রে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস এই অভিযোগ তুলে জানায় যে, মার্কিন নির্বাচনে হস্তক্ষেপের বিষয়ে ওয়াশিংটনের উদ্বেগকে কানাডা গুরুত্বের সঙ্গে নিচ্ছে না। দূতাবাসের দাবি, কানাডার মন্ত্রী ও প্রাদেশিক সরকারপ্রধানরা সরকারি নথি ও প্রকাশ্য বক্তব্যে মার্কিন রাজনীতিতে প্রভাব বিস্তারের পরিকল্পনা করছেন।

২০২৫ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর থেকেই দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যযুদ্ধ চলছে। ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কের জবাবে কানাডার পাল্টা শুল্ক আরোপের বিষয়টিকেও নির্বাচনে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা হিসেবে দেখছে ওয়াশিংটন। দূতাবাসের তথ্যপত্রে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে কানাডার শিল্পমন্ত্রী মেলানি জোলির নাম। গত আগস্টে তিনি ট্রাম্পের শুল্কের জবাবে বলেছিলেন, রাজনৈতিক চাপ তৈরির জন্য কৌশলগতভাবে মার্কিন অঙ্গরাজ্যগুলোর পণ্যকে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে। এছাড়াও গত সেপ্টেম্বরে ডেমোক্রেটিক পার্টির নেতাদের সঙ্গে জোলির বৈঠক নিয়েও আপত্তি জানিয়েছে দূতাবাস।

তবে মেলানি জোলি এই অভিযোগ সরাসরি নাকচ করে দিয়েছেন। গত ১৪ অক্টোবর তিনি সাংবাদিকদের বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিকদের সঙ্গে তার বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য কানাডার অর্থনীতিতে বিনিয়োগ আকর্ষণ করা। গত বছর শুরু হওয়া ওই প্রচারে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যানের ১৯৮৭ সালের একটি বেতার ভাষণের অংশ ব্যবহার করা হয়। ওই ভাষণে রিগ্যান শুল্কের সমালোচনা করেছিলেন। এই বিজ্ঞাপন প্রচারের জেরে ২০২৫ সালের অক্টোবরে কানাডার সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনা বন্ধ করে দেন ট্রাম্প। ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান উভয় দলের সঙ্গেই তিনি যোগাযোগ রাখছেন বলে জানান।

তালিকায় অন্টারিও প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী ডাগ ফোর্ডের কর্মকাণ্ডও উঠে এসেছে। ট্রাম্পের শুল্কনীতির বিরুদ্ধে বিজ্ঞাপন প্রচার এবং পাল্টা ব্যবস্থার পক্ষে বক্তব্য দেওয়ায় তাকেও অভিযুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া কানাডার লিবারেল পার্টির সংসদ সদস্য অ্যান্থনি হাউসফাদারের বিরুদ্ধে ফ্লোরিডায় ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রাথমিক নির্বাচনের প্রচারণায় অংশগ্রহণের অভিযোগ তোলা হয়েছে। ২০১২ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে অবৈধভাবে ভোট দেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত ১১ জন কানাডীয় নাগরিকের নামও এই তালিকায় যুক্ত করা হয়েছে, যদিও তাদের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে কানাডা সরকারের সংশ্লিষ্টতার কোনো প্রমাণ দেওয়া হয়নি।

কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি সোমবারের প্রাদেশিক নির্বাচনের আগে সম্ভাব্য মার্কিন হস্তক্ষেপ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। তিনি গ্লোবাল নিউজকে বলেন, কানাডা অন্য কোনো দেশের নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করে না এবং তারা আশা করে যে বিদেশি সরকারগুলোও কানাডার নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করবে না। এদিকে মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিট হোকস্ট্রা জানিয়েছেন, ওয়াশিংটন বিষয়টি পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন করছে এবং হস্তক্ষেপ প্রমাণিত হলে যুক্তরাষ্ট্র তার জবাব দেবে।