ইরানের কট্টরপন্থি ধর্মীয় নেতৃত্বের কারণে তেহরানের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো স্থায়ী চুক্তি বা শান্তি সমঝোতায় পৌঁছানো অত্যন্ত কঠিন বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। সম্প্রতি মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, মূল ক্ষমতা শিয়া ধর্মীয় নেতাদের হাতে থাকায় দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্কের বরফ গলার সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ।

গত ২০ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার আয়োজিত ওই সাক্ষাৎকারে মার্কো রুবিও বলেন, ইরানি শাসকদের সঙ্গে কোনো সমঝোতায় আসা কঠিন কাজ। দুর্ভাগ্যজনকভাবে তারা দক্ষ আলোচক নন এবং পুরো শাসনব্যবস্থা কট্টরপন্থী শিয়া ধর্মীয় নেতাদের নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হচ্ছে। তারা সম্পূর্ণভাবে ধর্ম দ্বারা পরিচালিত হওয়ায় তাদের সাথে চূড়ান্ত কোনো চুক্তিতে পৌঁছানো অত্যন্ত জটিল বলে তিনি উল্লেখ করেন।

উভয় দেশের মধ্যে উত্তেজনা প্রশমনে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় আগে দুইবার যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হয়েছিল। এর অংশ হিসেবে গত জুন মাসে 'ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারক চুক্তি' নামের একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হলেও তা শেষ পর্যন্ত ফলপ্রসূ হয়নি। যুদ্ধের সূচনা থেকে হরমুজ প্রণালিতে চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজগুলোতে ইরানের হামলার তীব্র সমালোচনা করেন রুবিও। তিনি এসব আক্রমণকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর নজিরবিহীন আখ্যা দিয়ে নাৎসি বাহিনীর সাবমেরিন কৌশলের সাথে তুলনা করেন।

বাণিজ্যিক জাহাজকে লক্ষ্যবস্তু করার বিষয়ে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা এমন এক দেশের কর্মকাণ্ড দেখছি যারা প্রকাশ্যে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার কথা ঘোষণা করছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এমন নজির আর দেখা যায়নি। এটি স্পষ্টতই নাৎসি সাবমেরিনের কৌশলের কথা মনে করিয়ে দেয় এবং এ ধরনের আচরণের বিরুদ্ধে বিশ্ব সম্প্রদায়কে একজোট হয়ে নিন্দা জানানো উচিত।

এদিকে কূটনৈতিক মধ্যস্থতার অংশ হিসেবে সম্প্রতি তেহরান সফর করেছেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির। সেখানে তিনি ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার ও ক্ষমতাসীন ইসলামপন্থি সরকারের শীর্ষ মুখপাত্র বাঘের ঘালিবাফের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে বাঘের ঘালিবাফ স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারসহ ওয়াশিংটনকে মোট ৭টি শর্ত দিয়েছে তেহরান। এসব শর্ত পুরোপুরি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনায় বসবে না ইরান।

ইরানের কট্টরপন্থি ধর্মীয় নেতৃত্বের কারণে তেহরানের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো স্থায়ী চুক্তি বা শান্তি সমঝোতায় পৌঁছানো অত্যন্ত কঠিন বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। সম্প্রতি মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, মূল ক্ষমতা শিয়া ধর্মীয় নেতাদের হাতে থাকায় দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্কের বরফ গলার সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ।

গত ২০ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার আয়োজিত ওই সাক্ষাৎকারে মার্কো রুবিও বলেন, ইরানি শাসকদের সঙ্গে কোনো সমঝোতায় আসা কঠিন কাজ। দুর্ভাগ্যজনকভাবে তারা দক্ষ আলোচক নন এবং পুরো শাসনব্যবস্থা কট্টরপন্থী শিয়া ধর্মীয় নেতাদের নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হচ্ছে। তারা সম্পূর্ণভাবে ধর্ম দ্বারা পরিচালিত হওয়ায় তাদের সাথে চূড়ান্ত কোনো চুক্তিতে পৌঁছানো অত্যন্ত জটিল বলে তিনি উল্লেখ করেন।

উভয় দেশের মধ্যে উত্তেজনা প্রশমনে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় আগে দুইবার যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হয়েছিল। এর অংশ হিসেবে গত জুন মাসে 'ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারক চুক্তি' নামের একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হলেও তা শেষ পর্যন্ত ফলপ্রসূ হয়নি। যুদ্ধের সূচনা থেকে হরমুজ প্রণালিতে চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজগুলোতে ইরানের হামলার তীব্র সমালোচনা করেন রুবিও। তিনি এসব আক্রমণকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর নজিরবিহীন আখ্যা দিয়ে নাৎসি বাহিনীর সাবমেরিন কৌশলের সাথে তুলনা করেন।

বাণিজ্যিক জাহাজকে লক্ষ্যবস্তু করার বিষয়ে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা এমন এক দেশের কর্মকাণ্ড দেখছি যারা প্রকাশ্যে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার কথা ঘোষণা করছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এমন নজির আর দেখা যায়নি। এটি স্পষ্টতই নাৎসি সাবমেরিনের কৌশলের কথা মনে করিয়ে দেয় এবং এ ধরনের আচরণের বিরুদ্ধে বিশ্ব সম্প্রদায়কে একজোট হয়ে নিন্দা জানানো উচিত।

এদিকে কূটনৈতিক মধ্যস্থতার অংশ হিসেবে সম্প্রতি তেহরান সফর করেছেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির। সেখানে তিনি ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার ও ক্ষমতাসীন ইসলামপন্থি সরকারের শীর্ষ মুখপাত্র বাঘের ঘালিবাফের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে বাঘের ঘালিবাফ স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারসহ ওয়াশিংটনকে মোট ৭টি শর্ত দিয়েছে তেহরান। এসব শর্ত পুরোপুরি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনায় বসবে না ইরান।