ফ্রান্সে চলমান উগ্র বিক্ষোভ, দাঙ্গা ও লুটপাটের কারণে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরেন্ট নুনেজ। এমন প্রেক্ষাপটে সাধারণ মানুষের জানমাল ও সম্পদ রক্ষা করতে নির্দিষ্ট কিছু শহরের মেয়রদের আংশিকভাবে কারফিউ জারির ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়ান লেকোর্নু বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ দেবে সরকার।

প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়ান লেকোর্নু স্পষ্ট করেন যে, পুনর্বাসনের জন্য প্রয়োজনীয় এই তহবিল সহিংসতার নেপথ্যে থাকা ব্যক্তিদের কাছ থেকেই সংগ্রহ করা হবে। এ উদ্দেশ্যে একটি নতুন আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যার মাধ্যমে সম্পদের ক্ষতিসাধনকারীদের কাছ থেকেই ক্ষতিপূরণ আদায় নিশ্চিত করা যাবে। পাশাপাশি দাঙ্গা ও লুটপাটের জেরে যারা কাজ হারিয়েছেন, তাদের সহায়তায় একটি আংশিক বেকারত্ব তহবিল গঠনের ঘোষণাও দিয়েছে ফ্রান্স সরকার। ক্ষতিগ্রস্তরা যাতে দ্রুত সেই সাহায্য পেতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে সরকার বিমা সংস্থাগুলোর সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছে।

সামগ্রিক এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতি, দাঙ্গা ও লুটপাটের জন্য উগ্র-বামপন্থী গোষ্ঠীগুলোকে দায়ী করেছেন প্রধানমন্ত্রী লেকোর্নু। তাদের বিরুদ্ধে সোমবার থেকে প্যারিসে একটি বিশেষ অভিযান শুরু হতে যাচ্ছে। ২০০ জন কর্মকর্তা এই অভিযানে অংশ নেবেন, যারা সহিংসতার ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দায়ীদের চিহ্নিত করবেন।

এদিকে বিক্ষোভ ও দাঙ্গা ঠেকাতে ব্যর্থতার দায় নিয়ে প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রঁর কাছে পদত্যাগের ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরেন্ট নুনেজ। তবে প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রঁ তার সেই পদত্যাগের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করে তাকে স্বপদে বহাল থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।

ফ্রান্সে চলমান উগ্র বিক্ষোভ, দাঙ্গা ও লুটপাটের কারণে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরেন্ট নুনেজ। এমন প্রেক্ষাপটে সাধারণ মানুষের জানমাল ও সম্পদ রক্ষা করতে নির্দিষ্ট কিছু শহরের মেয়রদের আংশিকভাবে কারফিউ জারির ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়ান লেকোর্নু বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ দেবে সরকার।

প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়ান লেকোর্নু স্পষ্ট করেন যে, পুনর্বাসনের জন্য প্রয়োজনীয় এই তহবিল সহিংসতার নেপথ্যে থাকা ব্যক্তিদের কাছ থেকেই সংগ্রহ করা হবে। এ উদ্দেশ্যে একটি নতুন আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যার মাধ্যমে সম্পদের ক্ষতিসাধনকারীদের কাছ থেকেই ক্ষতিপূরণ আদায় নিশ্চিত করা যাবে। পাশাপাশি দাঙ্গা ও লুটপাটের জেরে যারা কাজ হারিয়েছেন, তাদের সহায়তায় একটি আংশিক বেকারত্ব তহবিল গঠনের ঘোষণাও দিয়েছে ফ্রান্স সরকার। ক্ষতিগ্রস্তরা যাতে দ্রুত সেই সাহায্য পেতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে সরকার বিমা সংস্থাগুলোর সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছে।

সামগ্রিক এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতি, দাঙ্গা ও লুটপাটের জন্য উগ্র-বামপন্থী গোষ্ঠীগুলোকে দায়ী করেছেন প্রধানমন্ত্রী লেকোর্নু। তাদের বিরুদ্ধে সোমবার থেকে প্যারিসে একটি বিশেষ অভিযান শুরু হতে যাচ্ছে। ২০০ জন কর্মকর্তা এই অভিযানে অংশ নেবেন, যারা সহিংসতার ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দায়ীদের চিহ্নিত করবেন।

এদিকে বিক্ষোভ ও দাঙ্গা ঠেকাতে ব্যর্থতার দায় নিয়ে প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রঁর কাছে পদত্যাগের ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরেন্ট নুনেজ। তবে প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রঁ তার সেই পদত্যাগের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করে তাকে স্বপদে বহাল থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।