ভারতের দিল্লির একটি আদালতের নির্দেশে শান্তি বজায় রাখার মুচলেকা দিয়ে মুক্তি পেয়েছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। শনিবার (১৭ অক্টোবর) আদালত তাকে এই শর্তসাপেক্ষে মুক্তির নির্দেশ দেন। এর এক দিন আগে নির্বাচনসংক্রান্ত কথিত কারচুপির প্রতিবাদে আয়োজিত মিছিলে অংশ নিতে যাওয়ার সময় তাকে আটক ও পরে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

আদালতের নির্দেশে অভিজিৎ দীপকে ৫০ হাজার রুপির বন্ড জমা দিয়েছেন এবং ভবিষ্যতে শান্তি বিঘ্নিত করবেন না বলে অঙ্গীকার করেছেন। শুনানির পরপরই দিল্লির মন্দির মার্গ থানার বাইরে তাকে আসতে দেখা যায়। মুক্তির পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া প্রথম প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলিউডের ‘বীর-জারা’ সিনেমার একটি দৃশ্য শেয়ার করেন, যেখানে শাহরুখ খানকে কাঁদতে দেখা যায়। ছবিটির সঙ্গে তিনি লিখেছেন, ‘২৪ ঘণ্টা ওয়াই-ফাই ও ফোন ছাড়া কারাগারে থাকার পর বেরিয়ে আসার অনুভূতি।’

শুক্রবার সন্ধ্যায় দিল্লির কনট প্লেসে ‘লেহরা দো তিরঙ্গা’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে জাতীয় পতাকা হাতে মিছিল করার পরিকল্পনা ছিল বিক্ষোভকারীদের। নির্বাচনসংক্রান্ত অনিয়মের অভিযোগে চলমান প্রতিবাদের অংশ হিসেবে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে অভিজিৎ দীপকে এবং অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের (আইসা) সভাপতি নেহা বোরাকে আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থায় আটক করা হয়েছিল। শুক্রবার প্রায় ১৫০ জনকে আটক করা হলেও শিক্ষার্থীসহ কয়েকটি ছোট মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার ভোরে নেহা বোরাকে মুক্তি দেওয়া হয়। দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, দিল্লি পুলিশ আইনের আওতায় আটকসংক্রান্ত আনুষ্ঠানিকতা শেষে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, শান্তি বিঘ্নিত করার অভিযোগে ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার নতুন মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে দীপকেকে বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করা হয়। এর আগে ১০ অক্টোবর দিল্লি বিমানবন্দরে উড়োজাহাজের ভেতর থেকে তাকে আটক করার পরও শান্তি বিঘ্নিত করার অভিযোগে পৃথক মামলা হয়েছিল। তখনও তাকে এক বছরের জন্য শান্তি বজায় রাখার মুচলেকা দিতে হয়েছিল।

মুক্তির পর নেহা বোরাও দিল্লি পুলিশ ও কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের সমালোচনা করেন। তার অভিযোগ, এই আটকের ঘটনাগুলো বেআইনি। তিনি ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া বন্ধের দাবি জানান এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ ও কারাবাসের দাবি তোলেন। নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য, সংশ্লিষ্ট সিদ্ধান্তগুলো আগেই সুপ্রিম কোর্টের অনুমোদন পেয়েছে। অন্যদিকে বিজেপি চলমান বিক্ষোভকে ‘বিদেশি অর্থায়নে পরিচালিত’ এবং নৈরাজ্য ছড়ানোর প্রচেষ্টা বলে অভিহিত করেছে।

ভারতের দিল্লির একটি আদালতের নির্দেশে শান্তি বজায় রাখার মুচলেকা দিয়ে মুক্তি পেয়েছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। শনিবার (১৭ অক্টোবর) আদালত তাকে এই শর্তসাপেক্ষে মুক্তির নির্দেশ দেন। এর এক দিন আগে নির্বাচনসংক্রান্ত কথিত কারচুপির প্রতিবাদে আয়োজিত মিছিলে অংশ নিতে যাওয়ার সময় তাকে আটক ও পরে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

আদালতের নির্দেশে অভিজিৎ দীপকে ৫০ হাজার রুপির বন্ড জমা দিয়েছেন এবং ভবিষ্যতে শান্তি বিঘ্নিত করবেন না বলে অঙ্গীকার করেছেন। শুনানির পরপরই দিল্লির মন্দির মার্গ থানার বাইরে তাকে আসতে দেখা যায়। মুক্তির পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া প্রথম প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলিউডের ‘বীর-জারা’ সিনেমার একটি দৃশ্য শেয়ার করেন, যেখানে শাহরুখ খানকে কাঁদতে দেখা যায়। ছবিটির সঙ্গে তিনি লিখেছেন, ‘২৪ ঘণ্টা ওয়াই-ফাই ও ফোন ছাড়া কারাগারে থাকার পর বেরিয়ে আসার অনুভূতি।’

শুক্রবার সন্ধ্যায় দিল্লির কনট প্লেসে ‘লেহরা দো তিরঙ্গা’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে জাতীয় পতাকা হাতে মিছিল করার পরিকল্পনা ছিল বিক্ষোভকারীদের। নির্বাচনসংক্রান্ত অনিয়মের অভিযোগে চলমান প্রতিবাদের অংশ হিসেবে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে অভিজিৎ দীপকে এবং অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের (আইসা) সভাপতি নেহা বোরাকে আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থায় আটক করা হয়েছিল। শুক্রবার প্রায় ১৫০ জনকে আটক করা হলেও শিক্ষার্থীসহ কয়েকটি ছোট মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার ভোরে নেহা বোরাকে মুক্তি দেওয়া হয়। দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, দিল্লি পুলিশ আইনের আওতায় আটকসংক্রান্ত আনুষ্ঠানিকতা শেষে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, শান্তি বিঘ্নিত করার অভিযোগে ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার নতুন মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে দীপকেকে বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করা হয়। এর আগে ১০ অক্টোবর দিল্লি বিমানবন্দরে উড়োজাহাজের ভেতর থেকে তাকে আটক করার পরও শান্তি বিঘ্নিত করার অভিযোগে পৃথক মামলা হয়েছিল। তখনও তাকে এক বছরের জন্য শান্তি বজায় রাখার মুচলেকা দিতে হয়েছিল।

মুক্তির পর নেহা বোরাও দিল্লি পুলিশ ও কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের সমালোচনা করেন। তার অভিযোগ, এই আটকের ঘটনাগুলো বেআইনি। তিনি ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া বন্ধের দাবি জানান এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ ও কারাবাসের দাবি তোলেন। নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য, সংশ্লিষ্ট সিদ্ধান্তগুলো আগেই সুপ্রিম কোর্টের অনুমোদন পেয়েছে। অন্যদিকে বিজেপি চলমান বিক্ষোভকে ‘বিদেশি অর্থায়নে পরিচালিত’ এবং নৈরাজ্য ছড়ানোর প্রচেষ্টা বলে অভিহিত করেছে।