কক্সবাজার শহর থেকে ২৮ কিলোমিটার দূরে উখিয়ার ইনানীর পাটুয়ারটেক সৈকতসংলগ্ন ‘টুপটুপ রিসোর্ট’-এ আজ শনিবার সকালে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহত ব্যক্তিদের সবাই পর্যটক। মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনায় আরও ছয়জন দগ্ধ হয়ে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস উদ্ধার অভিযান চালিয়ে সকাল সোয়া আটটার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে পাঁচজন নারী ও একজন শিশুসহ ছয়জনের পরিচয় শনাক্ত করা গেছে।

স্থানীয় অধিবাসী ও উদ্ধারকারীদের বিবরণ অনুযায়ী, সকাল সাড়ে ছয়টা থেকে সাতটার মধ্যে বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শুনে তারা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। তিনতলা এই রিসোর্টটির ওপরের দুই তলায় পর্যটকদের থাকার কক্ষ এবং নিচতলায় রেস্তোরাঁ ও কর্মীদের থাকার জায়গা ছিল। ভেতরে কাঠের মেঝে, দেয়াল ও সিঁড়ির বড় অংশ এবং বাইরে কাঠের খুঁটি দিয়ে রেস্তোরাঁর অংশ তৈরি করা হয়েছিল। ব্যবহৃত এসব কাঠ মূলত ঝাউগাছ এবং কিছু আকাশমণি ও গামারির বলে ধারণা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। দাউ দাউ আগুন ও ঘন ধোঁয়ার কুণ্ডলীর কারণে ভেতরে প্রবেশ করে আটকা পড়া পর্যটকদের উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের চট্টগ্রাম বিভাগের উপপরিচালক মো. তৌফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া জানান, সকাল ৭টা ২৩ মিনিটে ফায়ার সার্ভিসে আগুন লাগার খবর দেওয়া হয়। সকাল আটটার দিকে ফায়ার সার্ভিসের দল পৌঁছায় এবং ৮টা ১৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। সমুদ্রের তীব্র বাতাসের কারণে আগুন খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। তদন্তে দেখা গেছে, তিনতলা স্থাপনাটিতে কোনো ধরনের বহনযোগ্য অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র, অগ্নিসংকেত, হোসপাইপ বা অগ্নিনিরাপত্তা পরিকল্পনা ছিল না। প্রতিষ্ঠানটির কোনো ফায়ার লাইসেন্সও ছিল না।

রিসোর্টের পেছনের সুপারিবাগানের মালিক নুরুল ইসলাম ও স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, রান্নাঘরের চুল্লি থেকেই প্রাথমিক আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে। পরবর্তীতে তা রান্নাঘরে থাকা গ্যাস সিলিন্ডারে ছড়িয়ে পড়ে বিস্ফোরণ ঘটায়। দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলার কাঠের মেঝে আগুনে দ্রুত পুড়ে ধ্বংস হয়ে যাওয়ায় ওপরের ঘরের অতিথিরা নিচে নামার আর কোনো সুযোগ পাননি। বের হওয়ার কোনো বিকল্প পথ না থাকায় অনেকে বাথরুমে আশ্রয় নিয়েও প্রাণ বাঁচাতে পারেননি। সমুদ্র উপকূলীয় মেরিন ড্রাইভের ইনানী সৈকত এলাকায় এর আগে এমন ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটেনি।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী পাশের দোকানের মালিক গিয়াস উদ্দিন ও জালিাপালং ইউনিয়নের আনসার-ভিডিপি কমান্ডার মোহাম্মদ আজিজ জানান, সকালের দিকে বিকট বিস্ফোরণ শুনে বাইরে এসেই রিসোর্টে দাউ দাউ আগুন দেখতে পান। গিয়াস উদ্দিন জানান, পর্যটকদের আকুল কান্নাকাটি ও ছোটাছুটি দেখা গেলেও আগুনের তীব্রতায় কাউকে বের করে আনা সম্ভব হয়নি। অগ্নিকাণ্ডে গিয়াস উদ্দিনের চা-কফির দোকানের ফ্রিজ ও দোকানের একটি অংশ এবং কিছু কাঠও পুড়ে গেছে। তিনি আরও জানান, চট্টগ্রামের বোয়ালখালীর বাসিন্দা মোহাম্মদ তানভীর তাঁর মায়ের ওয়ারিশদের কাছ থেকে ২০ শতক জমি কিনে এই রিসোর্ট গড়ে তুলেছিলেন।

ঘটনার পর রিসোর্টের মালিক মো. তানভীরসহ দায়িত্বশীল কেউ ঘটনাস্থলে ছিলেন না। পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, দুর্ঘটনার পর তারা আত্মগোপনে চলে গেছেন এবং মালিকের মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া গেছে। তবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিসোর্টের ব্যবস্থাপক জাহেদুল ইসলামকে আটক করেছে পুলিশ। কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান অগ্নিকাণ্ডে ১০ জন পর্যটকের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, প্রাথমিক ধারণায় রান্নাঘরের চুল্লি থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটেছে বলে মনে হচ্ছে। অগ্নিকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট কারণ অনুসন্ধানে ইতোমধ্যে পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

কক্সবাজার শহর থেকে ২৮ কিলোমিটার দূরে উখিয়ার ইনানীর পাটুয়ারটেক সৈকতসংলগ্ন ‘টুপটুপ রিসোর্ট’-এ আজ শনিবার সকালে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহত ব্যক্তিদের সবাই পর্যটক। মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনায় আরও ছয়জন দগ্ধ হয়ে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস উদ্ধার অভিযান চালিয়ে সকাল সোয়া আটটার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে পাঁচজন নারী ও একজন শিশুসহ ছয়জনের পরিচয় শনাক্ত করা গেছে।

স্থানীয় অধিবাসী ও উদ্ধারকারীদের বিবরণ অনুযায়ী, সকাল সাড়ে ছয়টা থেকে সাতটার মধ্যে বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শুনে তারা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। তিনতলা এই রিসোর্টটির ওপরের দুই তলায় পর্যটকদের থাকার কক্ষ এবং নিচতলায় রেস্তোরাঁ ও কর্মীদের থাকার জায়গা ছিল। ভেতরে কাঠের মেঝে, দেয়াল ও সিঁড়ির বড় অংশ এবং বাইরে কাঠের খুঁটি দিয়ে রেস্তোরাঁর অংশ তৈরি করা হয়েছিল। ব্যবহৃত এসব কাঠ মূলত ঝাউগাছ এবং কিছু আকাশমণি ও গামারির বলে ধারণা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। দাউ দাউ আগুন ও ঘন ধোঁয়ার কুণ্ডলীর কারণে ভেতরে প্রবেশ করে আটকা পড়া পর্যটকদের উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের চট্টগ্রাম বিভাগের উপপরিচালক মো. তৌফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া জানান, সকাল ৭টা ২৩ মিনিটে ফায়ার সার্ভিসে আগুন লাগার খবর দেওয়া হয়। সকাল আটটার দিকে ফায়ার সার্ভিসের দল পৌঁছায় এবং ৮টা ১৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। সমুদ্রের তীব্র বাতাসের কারণে আগুন খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। তদন্তে দেখা গেছে, তিনতলা স্থাপনাটিতে কোনো ধরনের বহনযোগ্য অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র, অগ্নিসংকেত, হোসপাইপ বা অগ্নিনিরাপত্তা পরিকল্পনা ছিল না। প্রতিষ্ঠানটির কোনো ফায়ার লাইসেন্সও ছিল না।

রিসোর্টের পেছনের সুপারিবাগানের মালিক নুরুল ইসলাম ও স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, রান্নাঘরের চুল্লি থেকেই প্রাথমিক আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে। পরবর্তীতে তা রান্নাঘরে থাকা গ্যাস সিলিন্ডারে ছড়িয়ে পড়ে বিস্ফোরণ ঘটায়। দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলার কাঠের মেঝে আগুনে দ্রুত পুড়ে ধ্বংস হয়ে যাওয়ায় ওপরের ঘরের অতিথিরা নিচে নামার আর কোনো সুযোগ পাননি। বের হওয়ার কোনো বিকল্প পথ না থাকায় অনেকে বাথরুমে আশ্রয় নিয়েও প্রাণ বাঁচাতে পারেননি। সমুদ্র উপকূলীয় মেরিন ড্রাইভের ইনানী সৈকত এলাকায় এর আগে এমন ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটেনি।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী পাশের দোকানের মালিক গিয়াস উদ্দিন ও জালিাপালং ইউনিয়নের আনসার-ভিডিপি কমান্ডার মোহাম্মদ আজিজ জানান, সকালের দিকে বিকট বিস্ফোরণ শুনে বাইরে এসেই রিসোর্টে দাউ দাউ আগুন দেখতে পান। গিয়াস উদ্দিন জানান, পর্যটকদের আকুল কান্নাকাটি ও ছোটাছুটি দেখা গেলেও আগুনের তীব্রতায় কাউকে বের করে আনা সম্ভব হয়নি। অগ্নিকাণ্ডে গিয়াস উদ্দিনের চা-কফির দোকানের ফ্রিজ ও দোকানের একটি অংশ এবং কিছু কাঠও পুড়ে গেছে। তিনি আরও জানান, চট্টগ্রামের বোয়ালখালীর বাসিন্দা মোহাম্মদ তানভীর তাঁর মায়ের ওয়ারিশদের কাছ থেকে ২০ শতক জমি কিনে এই রিসোর্ট গড়ে তুলেছিলেন।

ঘটনার পর রিসোর্টের মালিক মো. তানভীরসহ দায়িত্বশীল কেউ ঘটনাস্থলে ছিলেন না। পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, দুর্ঘটনার পর তারা আত্মগোপনে চলে গেছেন এবং মালিকের মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া গেছে। তবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিসোর্টের ব্যবস্থাপক জাহেদুল ইসলামকে আটক করেছে পুলিশ। কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান অগ্নিকাণ্ডে ১০ জন পর্যটকের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, প্রাথমিক ধারণায় রান্নাঘরের চুল্লি থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটেছে বলে মনে হচ্ছে। অগ্নিকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট কারণ অনুসন্ধানে ইতোমধ্যে পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।