ভারতে গড়ে ওঠা 'ককরোচ পার্টির' আন্দোলনকে এবার আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছেন জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার ও ইউটিউবার ধ্রুব রাঠি। আগামী শনিবার (১৭ অক্টোবর) লন্ডনের ঐতিহাসিক পার্লামেন্ট স্কোয়ারে অবস্থিত মহাত্মা গান্ধীর ভাস্কর্যের সামনে আয়োজিত বিক্ষোভ কর্মসূচিতে সর্বস্তরের প্রবাসী ভারতীয়দের অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

লন্ডনে পৌঁছানোর পর শুক্রবার নিজের এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডেলে একটি বিশেষ পোস্ট দেন ধ্রুব। প্রবাসীদের প্রতিবাদের শরিক হওয়ার অনুরোধ জানিয়ে সেখানে তিনি লেখেন, ‘আমি সবেমাত্র লন্ডনে পৌঁছেছি। এটাই সময় গোটা বিশ্বের ভোট চোর এবং গণতন্ত্রের হত্যকারীদের আসল রূপ দেখার। আন্তর্জাতিক মঞ্চে ডঙ্কা বাজানোর সময় চলে এসেছে।’

ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন গড়ে তুলতে সোচ্চার ছিলেন এই ইউটিউবার। তবে পরিকল্পনা অনুযায়ী গত ১০ অক্টোবর নির্ধারিত বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হওয়ার আগেই হরিয়ানার গুরুগ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়। ছাড়া পাওয়ার পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরব হন তিনি এবং পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

পরবর্তীতে নিজের ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত এক ভিডিওতে আটকের ওই ঘটনাকে 'অপহরণ' হিসেবে আখ্যা দেন ধ্রুব। তিনি বলেন, ‘আমাকে কিডন্যাপ করা হয়েছিল। আটক বা গ্রেফতার আমি বলব না। আটক করতে হলে পুলিশ উর্দি পরে আসত। গ্রেফতার করতে হলে উপযুক্ত এফআইআর কপি নিয়ে আসত। কিন্তু আমাকে সাধারণ পোশাকের ২০-২২ জন গুন্ডা এসে টেনে হিঁচড়ে নিয়ে গিয়েছিল। সঙ্গে সঙ্গে আমার কাছ থেকে ফোন কেড়ে নেওয়া হয়। ২০-২২ ঘণ্টা কাছে ফোন রাখতে দেওয়া হয়নি। সাধারণ পোশাকে যেভাবে আমাকে টেনে নিয়ে যাওয়া হলো সেটা কিডন্যাপ করা।’

সাম্প্রতিক সময়ে নিজের নাগরিকত্ব নিয়ে চলা নানা আলোচনা ও বিভ্রান্তির অবসান ঘটিয়েছেন এই কনটেন্ট ক্রিয়েটর। গুরুগ্রামের ঘটনার পর এবার ভারতীয় নির্বাচন ব্যবস্থার অনিয়ম ও মোদিবিরোধী আন্দোলনকে আন্তর্জাতিক মঞ্চে নিয়ে যাওয়ার যে পদক্ষেপ তিনি নিয়েছেন, তা ভারতের বর্তমান মোদি সরকারের জন্য বড় ধরনের রাজনৈতিক অস্বস্তি ও মাথাব্যথার কারণ হতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

ভারতে গড়ে ওঠা 'ককরোচ পার্টির' আন্দোলনকে এবার আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছেন জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার ও ইউটিউবার ধ্রুব রাঠি। আগামী শনিবার (১৭ অক্টোবর) লন্ডনের ঐতিহাসিক পার্লামেন্ট স্কোয়ারে অবস্থিত মহাত্মা গান্ধীর ভাস্কর্যের সামনে আয়োজিত বিক্ষোভ কর্মসূচিতে সর্বস্তরের প্রবাসী ভারতীয়দের অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

লন্ডনে পৌঁছানোর পর শুক্রবার নিজের এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডেলে একটি বিশেষ পোস্ট দেন ধ্রুব। প্রবাসীদের প্রতিবাদের শরিক হওয়ার অনুরোধ জানিয়ে সেখানে তিনি লেখেন, ‘আমি সবেমাত্র লন্ডনে পৌঁছেছি। এটাই সময় গোটা বিশ্বের ভোট চোর এবং গণতন্ত্রের হত্যকারীদের আসল রূপ দেখার। আন্তর্জাতিক মঞ্চে ডঙ্কা বাজানোর সময় চলে এসেছে।’

ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন গড়ে তুলতে সোচ্চার ছিলেন এই ইউটিউবার। তবে পরিকল্পনা অনুযায়ী গত ১০ অক্টোবর নির্ধারিত বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হওয়ার আগেই হরিয়ানার গুরুগ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়। ছাড়া পাওয়ার পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরব হন তিনি এবং পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

পরবর্তীতে নিজের ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত এক ভিডিওতে আটকের ওই ঘটনাকে 'অপহরণ' হিসেবে আখ্যা দেন ধ্রুব। তিনি বলেন, ‘আমাকে কিডন্যাপ করা হয়েছিল। আটক বা গ্রেফতার আমি বলব না। আটক করতে হলে পুলিশ উর্দি পরে আসত। গ্রেফতার করতে হলে উপযুক্ত এফআইআর কপি নিয়ে আসত। কিন্তু আমাকে সাধারণ পোশাকের ২০-২২ জন গুন্ডা এসে টেনে হিঁচড়ে নিয়ে গিয়েছিল। সঙ্গে সঙ্গে আমার কাছ থেকে ফোন কেড়ে নেওয়া হয়। ২০-২২ ঘণ্টা কাছে ফোন রাখতে দেওয়া হয়নি। সাধারণ পোশাকে যেভাবে আমাকে টেনে নিয়ে যাওয়া হলো সেটা কিডন্যাপ করা।’

সাম্প্রতিক সময়ে নিজের নাগরিকত্ব নিয়ে চলা নানা আলোচনা ও বিভ্রান্তির অবসান ঘটিয়েছেন এই কনটেন্ট ক্রিয়েটর। গুরুগ্রামের ঘটনার পর এবার ভারতীয় নির্বাচন ব্যবস্থার অনিয়ম ও মোদিবিরোধী আন্দোলনকে আন্তর্জাতিক মঞ্চে নিয়ে যাওয়ার যে পদক্ষেপ তিনি নিয়েছেন, তা ভারতের বর্তমান মোদি সরকারের জন্য বড় ধরনের রাজনৈতিক অস্বস্তি ও মাথাব্যথার কারণ হতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।