দি ক্রাইম ডেস্ক: খুলশীতে ছুরিকাঘাতে হৃদয় (১৬) নামে এক কিশোর নিহত হওয়ার ঘটনায় কামরুল নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টা ১৫ মিনিটের দিকে ওয়্যারলেস কলোনির ৪ নম্বর সড়ক তালতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

হৃদয়ের পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, রাত পৌনে ১০টার দিকে হৃদয়কে তার তিন বন্ধু ডেকে নিয়ে যায়। ডেকে নিয়ে যাওয়ার আধা ঘণ্টা পরে তারা শুনতে পান হৃদয়কে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। এরপর ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে পরিবারের লোকজন তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসে। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

হৃদয়ের বাবা বলেন, আমার ছেলেকে ডেকে নিয়ে মেরে ফেলা হয়েছে। কামরুলের নেতৃত্বে খুন করা হয়েছে। আমি আমার ছেলে হত্যার বিচার চাই।

খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রহিম বলেন, প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় কয়েকজন কিশোরের মধ্যে বিরোধের জেরে হৃদয়কে ছুরিকাঘাত করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

পুলিশ জানায়, ঘটনার পর অভিযান চালিয়ে কামরুল নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডে আরও কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

দি ক্রাইম ডেস্ক: খুলশীতে ছুরিকাঘাতে হৃদয় (১৬) নামে এক কিশোর নিহত হওয়ার ঘটনায় কামরুল নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টা ১৫ মিনিটের দিকে ওয়্যারলেস কলোনির ৪ নম্বর সড়ক তালতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

হৃদয়ের পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, রাত পৌনে ১০টার দিকে হৃদয়কে তার তিন বন্ধু ডেকে নিয়ে যায়। ডেকে নিয়ে যাওয়ার আধা ঘণ্টা পরে তারা শুনতে পান হৃদয়কে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। এরপর ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে পরিবারের লোকজন তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসে। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

হৃদয়ের বাবা বলেন, আমার ছেলেকে ডেকে নিয়ে মেরে ফেলা হয়েছে। কামরুলের নেতৃত্বে খুন করা হয়েছে। আমি আমার ছেলে হত্যার বিচার চাই।

খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রহিম বলেন, প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় কয়েকজন কিশোরের মধ্যে বিরোধের জেরে হৃদয়কে ছুরিকাঘাত করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

পুলিশ জানায়, ঘটনার পর অভিযান চালিয়ে কামরুল নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডে আরও কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।