বিজন কুমার বিশ্বাস, কক্সবাজার: কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার মালুমঘাট বাজারসংলগ্ন ডুলাহাজারা রেলস্টেশনের প্রধান সংযোগ সড়কজুড়ে কাদামাটি ও অসংখ্য খানাখন্দের কারণে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন এলাকাবাসী। সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কটি কাদায় পরিণত হওয়ায় যানবাহন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়ছেন রোগী, প্রসূতি নারী, শিশু ও বয়স্ক মানুষ।

এই বেহাল সড়কের কারণে আজ শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সকালে এক প্রসূতি নারীকে হাসপাতালে নিতে গিয়ে ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে একটি পরিবারকে। পরে তিনি জমজ দুই সন্তানের জন্ম দেন। তাদের মধ্যে একজন জীবিত থাকলেও অপর শিশুটি চকরিয়া মা ও শিশু হাসপাতালে মারা যায় বলে জানিয়েছেন পরিবারের প্রতিবেশী মো. মিজান।

মো. মিজান জানান, বৃষ্টির পর সড়কটির অবস্থা আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। পুরো সড়ক কাদামাটিতে পরিণত হওয়ায় যানবাহন স্বাভাবিকভাবে চলাচল করতে পারে না। বিশেষ করে জরুরি রোগী, প্রসূতি নারী ও শিশুদের দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার ক্ষেত্রে বড় ধরনের সমস্যা তৈরি হচ্ছে।

তিনি বলেন, “সড়কটির অবস্থা খুবই খারাপ। বৃষ্টির পর পুরো সড়ক কাদামাটিতে পরিণত হয়েছে। যানবাহন চলাচল করতে পারে না। সাধারণ মানুষও চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন। আজ সকালে একটি শিশুর মৃত্যু হয়েছে।”

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির সংস্কার ও উন্নয়নের কার্যকর উদ্যোগ না থাকায় প্রতিদিনই দুর্ভোগ বাড়ছে। সড়কের বিভিন্ন অংশে বড় বড় গর্ত, খানাখন্দ ও কাদামাটি জমে থাকায় যানবাহন চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। বৃষ্টির সময় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নেয়।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ডুলাহাজারা রেলস্টেশন ও মালুমঘাট বাজারের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য সড়কটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিন এ পথে শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, চাকরিজীবী, রোগী ও সাধারণ মানুষ চলাচল করেন। কিন্তু সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে অনেক সময় স্বাভাবিক যাতায়াতও কঠিন হয়ে পড়ে। জরুরি মুহূর্তে অ্যাম্বুলেন্স বা অন্যান্য যানবাহন চলাচলেও তৈরি হয় জটিলতা।

প্রসূতি নারীকে হাসপাতালে নেওয়ার সময় সড়কের দুরবস্থার কারণে কতটা সময় অতিরিক্ত লেগেছে এবং শিশুটির মৃত্যুর সঙ্গে সড়কের দুরবস্থার সরাসরি চিকিৎসাগত সম্পর্ক রয়েছে কি না—এ বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কোনো চিকিৎসাগত ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয়দের দাবি, জরুরি সময়ে দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছাতে না পারায় পরিবারটি চরম দুর্ভোগের শিকার হয়েছে।

এদিকে, সড়কটির দ্রুত সংস্কার ও চলাচলের উপযোগী করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তাদের মতে, সাময়িকভাবে কাদামাটি অপসারণের পাশাপাশি দ্রুত ইট, বালু বা প্রয়োজনীয় উপকরণ দিয়ে সড়কটি সংস্কার করা জরুরি। দীর্ঘমেয়াদে টেকসই সংস্কারের মাধ্যমে সড়কটির স্থায়ী সমাধান চান তারা।

এ বিষয়ে চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহিন দেলোয়ার বলেন, “সড়ক সংস্কারের বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা হবে। আমরা এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে ব্যবস্থা নেব।”

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, শুধু আশ্বাসে সীমাবদ্ধ না থেকে দ্রুত সড়কটি সংস্কারে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে জরুরি রোগী ও প্রসূতি নারীদের হাসপাতালে নিতে আর এমন ভোগান্তির শিকার হতে না হয়।

বিজন কুমার বিশ্বাস, কক্সবাজার: কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার মালুমঘাট বাজারসংলগ্ন ডুলাহাজারা রেলস্টেশনের প্রধান সংযোগ সড়কজুড়ে কাদামাটি ও অসংখ্য খানাখন্দের কারণে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন এলাকাবাসী। সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কটি কাদায় পরিণত হওয়ায় যানবাহন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়ছেন রোগী, প্রসূতি নারী, শিশু ও বয়স্ক মানুষ।

এই বেহাল সড়কের কারণে আজ শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সকালে এক প্রসূতি নারীকে হাসপাতালে নিতে গিয়ে ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে একটি পরিবারকে। পরে তিনি জমজ দুই সন্তানের জন্ম দেন। তাদের মধ্যে একজন জীবিত থাকলেও অপর শিশুটি চকরিয়া মা ও শিশু হাসপাতালে মারা যায় বলে জানিয়েছেন পরিবারের প্রতিবেশী মো. মিজান।

মো. মিজান জানান, বৃষ্টির পর সড়কটির অবস্থা আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। পুরো সড়ক কাদামাটিতে পরিণত হওয়ায় যানবাহন স্বাভাবিকভাবে চলাচল করতে পারে না। বিশেষ করে জরুরি রোগী, প্রসূতি নারী ও শিশুদের দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার ক্ষেত্রে বড় ধরনের সমস্যা তৈরি হচ্ছে।

তিনি বলেন, “সড়কটির অবস্থা খুবই খারাপ। বৃষ্টির পর পুরো সড়ক কাদামাটিতে পরিণত হয়েছে। যানবাহন চলাচল করতে পারে না। সাধারণ মানুষও চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন। আজ সকালে একটি শিশুর মৃত্যু হয়েছে।”

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির সংস্কার ও উন্নয়নের কার্যকর উদ্যোগ না থাকায় প্রতিদিনই দুর্ভোগ বাড়ছে। সড়কের বিভিন্ন অংশে বড় বড় গর্ত, খানাখন্দ ও কাদামাটি জমে থাকায় যানবাহন চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। বৃষ্টির সময় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নেয়।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ডুলাহাজারা রেলস্টেশন ও মালুমঘাট বাজারের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য সড়কটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিন এ পথে শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, চাকরিজীবী, রোগী ও সাধারণ মানুষ চলাচল করেন। কিন্তু সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে অনেক সময় স্বাভাবিক যাতায়াতও কঠিন হয়ে পড়ে। জরুরি মুহূর্তে অ্যাম্বুলেন্স বা অন্যান্য যানবাহন চলাচলেও তৈরি হয় জটিলতা।

প্রসূতি নারীকে হাসপাতালে নেওয়ার সময় সড়কের দুরবস্থার কারণে কতটা সময় অতিরিক্ত লেগেছে এবং শিশুটির মৃত্যুর সঙ্গে সড়কের দুরবস্থার সরাসরি চিকিৎসাগত সম্পর্ক রয়েছে কি না—এ বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কোনো চিকিৎসাগত ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয়দের দাবি, জরুরি সময়ে দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছাতে না পারায় পরিবারটি চরম দুর্ভোগের শিকার হয়েছে।

এদিকে, সড়কটির দ্রুত সংস্কার ও চলাচলের উপযোগী করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তাদের মতে, সাময়িকভাবে কাদামাটি অপসারণের পাশাপাশি দ্রুত ইট, বালু বা প্রয়োজনীয় উপকরণ দিয়ে সড়কটি সংস্কার করা জরুরি। দীর্ঘমেয়াদে টেকসই সংস্কারের মাধ্যমে সড়কটির স্থায়ী সমাধান চান তারা।

এ বিষয়ে চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহিন দেলোয়ার বলেন, “সড়ক সংস্কারের বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা হবে। আমরা এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে ব্যবস্থা নেব।”

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, শুধু আশ্বাসে সীমাবদ্ধ না থেকে দ্রুত সড়কটি সংস্কারে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে জরুরি রোগী ও প্রসূতি নারীদের হাসপাতালে নিতে আর এমন ভোগান্তির শিকার হতে না হয়।