চকরিয়া প্রতিনিধি : কক্সবাজারের চকরিয়ায় দাবিকৃত চাঁদা না দেওয়ায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা ও লুটপাট চালিয়ে তালা দিয়ে বন্ধ করার অভিযোগ উঠছে।গত মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারী) বিকেলে উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের গাবতলি বাজার এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে।
আইনগত প্রতিকার চেয়ে আজ বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে চকরিয়া পৌরশহরে সংবাদ সম্মেলন করেছে দোকান মালিক স্থানীয় কিছমত আলী পাড়া এলাকার মৃত মৌলবী নুর মোহাম্মদ এর ছেলে মোহাম্মদ নোমান।
সংবাদ সম্মেলনে মোঃ নোমান দাবি করেন, ফাঁসিয়াখালীর ৮নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও ইউনিয়ন বিএনপির দপ্তর সম্পাদক নুরুল ইসলাম বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তার নিকটাত্মীয় তৎকালীন ইউপি চেয়ারম্যান হেলাল উদ্দিন হেলালী শপথ গ্রহণের পর পরেই গাবতলি বাজারে নোমানের মালিকানাধীন ইত্যাদি স্টোর নামক মুদির দোকানে হামলা ও লুটপাট চালিয়েছে। এ ঘটনায় নোমান বাদী হয়ে মামলা করলে, এজাহার নামীয় আসামি গ্রেফতার হয়। ওই সময় স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও নুরুল ইসলামের স্ত্রীর বড় ভাই ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মাস্টার সিরাজ উদ্দিন আহমদ এর মধ্যস্থতায় নুরুল ইসলাম একটি তিনশত টাকার নন জুড়িশিয়াল স্টাম্পের মাধ্যমে একটি অঙ্গিকারনামা প্রদান করেন। যেখানে উল্লেখ রয়েছে, ভবিষ্যতে তার দোকান নিয়ে কোন ধরণের লুটপাট বা বন্ধ করবে না।
নোমান আরও বলেন, ২০২৪ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে নুরুল ইসলাম বিভিন্ন সময়ে আমার কাছ থেকে পাঁচ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছে। আমি চাঁদা দিতে অপারগতা জানালে গত মঙ্গলবার মাননীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী শপথ গ্রহণের পর পরেই আমার দোকানে আবারও হামলা করে এবং দোকানে তালা ঝুলিয়ে দেয়।
এদিকে মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শপথ গ্রহণের পরে ঘোষণা দেন ‘চাঁদাবাজি ও দখলবাজি যে-ই করুক না কেন তাদের শাস্তির আওতায় আনা হবে। তারা যদি আমার দলের হয়, তাহলে তাদের শাস্তি সবার আগে হবে’। তাই আমি অসহায় হয়ে সাংবাদিকদের মাধ্যমে মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রশাসনের কাছে এই চাঁদাবাজ ও দখলবাজের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।
এ বিষয়ে ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়ন বিএনপির ৮নং ওয়ার্ড সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি মোবাইলে বক্তব্য দিতে রাজি হয়নি এবং এলাকায় গিয়ে যাচাই-বাছাইয়ের কথা বলে প্রতিবেদকের ফোন কেটে দেন।




