চন্দনাইশ প্রতিনিধি: দেশের চতুর্থ প্রজন্মের বীমা প্রতিষ্ঠান সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিকে ধ্বংস করতে ‘অনভিজ্ঞ’ প্রশাসক নিয়োগ দিয়ে নির্দিষ্ট দায়িত্ব বা চাকরিচ্যুত ব্যক্তির স্বার্থসিদ্ধির পথ তৈরি করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

এই ঘটনায় দায়ী বাংলাদেশ বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান জয়নুল বারী এবং সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের বর্তমান প্রশাসক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল (অবঃ) এস এম ফেরদৌসের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে ভুক্তভোগী নগরের লাল দিঘী শাখার ব্যবস্থাপক শফিকুল ইসলাম ও ওয়াসা শাখার ব্যবস্থাপক মোঃ নজরুল ইসলামের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এড. হেলাল উদ্দিন লিগ্যাল নোটিশ দেন। বিষয়টি জানিয়েছেন চট্টগ্রামের দোহাজারী শাখার ব্রাঞ্চ ম্যানেজার আনোয়ার হোসাইন।

সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ ও লিগ্যাল নোটিশ এবং বিভিন্ন সূত্রে জানা যায, ব্যক্তিগত স্বার্থসিদ্ধি ও সুবিধা গ্রহণের বিনিময়ে একাধিক ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির বোর্ড ভেঙে প্রশাসক নিয়োগের মাধ্যমে নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর স্বার্থসিদ্ধি করছেন জয়নুল বারীগং। এ জন্য তিনি কিছু কোম্পানিকে টার্গেট করেন এবং বিরোধী লোকজনকে দিয়ে নানান মিথ্যা অভিযোগ এনে চক্রান্ত সৃষ্টি করেন। বিভিন্ন অনিয়মে জড়িত বড় বড় কোম্পানির প্রতি রয়েছে তার সহানুভূতি। তাদের অনিয়মের জন্য সুবিধা নিতে পারলে দেখেও দেখেন না।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের অর্থ সচিব বরাবরে দেয়া অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, প্রতিষ্ঠানটির উদ্যোক্তা পরিচালক ও সাবেক চেয়ারম্যান মোস্তফা গোলাম কুদ্দুসের নেতৃত্বে সোনালী লাইফ গ্রাহকের দাবি নিষ্পত্তি ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শতভাগ দাবি-দাওয়া পরিশোধের অনন্য নজির স্থাপন করেছে। কিন্তু এই সাফল্যে ঈর্ষান্বিত হয়ে ও দুর্নীতির চেষ্টায় সুবিধা গ্রহণ করতে না পেরে মহলটি প্রতিষ্ঠানটির পেছনে লাগে। তার প্রেক্ষিতে গত ২ জুন দৈনিক যুগান্তর ও ৫ জুন বাংলাদেশ প্রতিদিনে সংবাদ প্রচার করে আংশকি তদন্তের কথা উল্লেখ করে গত ২১ এপ্রিল পরিচালনা পর্ষদের বিরুদ্ধে মিথ্যা দূর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ এনে পর্ষদ বাতিল করে প্রশাসক নিয়োগ করা হয়। সেই অভিযোগের তথ্য-উপাত্ত যাচাই-বাছাই না করে, পরিচালনা পর্ষদের কাছে ব্যাখ্যা না ছেয়ে এবং আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়ে নিয়ম বহির্ভূতভাবে আইডিআরএ চেয়ারম্যান এই প্রতিষ্ঠানে একজন অনভিজ্ঞ প্রশাসক নিয়োগ করেছেন। এই প্রশাসক মূলত ষড়যন্ত্রকারী গোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষার জন্যই নিযুক্ত হয়েছেন। তিনি দায়িত্ব নেওয়ার পরই কোম্পানি শীর্ষ কর্মকর্তাদের প্রতিপক্ষ করে তুলেছেন। তিনি কারো কথা শুনতে চান না। কোম্পানীর প্রায় ৩০ হাজার কর্মী অর্থকষ্টে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। এদের কথা চিন্তা না করে নিজের যা পছন্দ তাই বাস্তবায়নের চেষ্টা করেন। তার অংশ হিসেবে গত ২ মাসে উন্নয়ন কর্মকর্তাদের পারিশ্রমিক দেননি। দীর্ঘদিন ধরে পেয়ে আসা কমিশন এবং ইনসেনটিভ না দিয়ে তিনি শুধু কমিশন দিয়েছেন। তার অদূরদর্শিতার কারণে মে মাসে প্রিমিয়াম সংগ্রহ কমেছে প্রায় ৪২ শতাংশ।

অর্থনীতিবিদদের মতে, যে কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠানে যদি কোনো ধরনের অনিয়ম-দুর্নীতি অথবা মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগ ওঠে, তাহলে সেটির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের সুনির্দিষ্ট কিছু ধাপ রয়েছে। যেহেতু বীমা প্রতিষ্ঠানটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি, সেহেতু এই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে যে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণের আগে বাংলাদেশ সিকিউরিটি এক্সচেঞ্জ কমিশনের মতামত নেওয়ার দরকার ছিল। সেই সঙ্গে মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগ থাকলে বিএফআইইউকেও অবহিত করা দরকার ছিল। সবচেয়ে বড় কথা অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানের বোর্ড অব ডিরেক্টরের কাছে এ ব্যাপারে ব্যাখ্যা চেয়ে নোটিশ দেওয়া কিংবা তাদের আত্মপক্ষ সমর্থনের কোনো প্রকার সুযোগ না দিয়ে রাতারাতি বোর্ড ভেঙে দিয়ে প্রশাসক নিয়োগের ঘটনা নজিরবিহীন।

কর্মচারীরা অভিযোগ করেন, কোম্পানিকে পারিবারিক শত্রুতার হাতিয়ার বানানো হয়েছে। এর ফলশ্রুতিতে সম্প্রতি কিছু অসাধু কর্মকর্তার ষড়যন্ত্রের কারণে প্রতিষ্ঠানটি ধ্বংসের মুখে। প্রায় ৩০ হাজার মাঠকর্মীর ১১ বছরের অক্লান্ত পরিশ্রমে ৮ লক্ষাধিক পলিসি গ্রাহক তৈরির মাধ্যমে সাফল্যের অনন্য দিগন্তে পৌঁছে যাচ্ছিল। ঠিক তখন সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের প্রাক্তন সিইও মীর রাশেদ বিন আমানসহ একদল স্বার্থান্বেষী মহলের সহযোগিতায় নিজের আর্থিক লাভ, জাল-জালিয়াতি ও অনৈতিক ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার উদ্দেশ্যে সোনালী লাইফের স্বপ্নদ্রষ্টা ও বিজিএমই-এর সাবেক সভাপতি মোস্তফা গোলাম কুদ্দুস ও তার পরিবারের সদস্যদের সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন ও প্রতিষ্ঠান দখল করার পরিকল্পনা করে। এ লক্ষ্যে নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা তথা আইডিআরএ-এর চেয়ারম্যানকে হাত করে ষড়যন্ত্রকারীরা। কোম্পানির মৌলিক ভিত্তি তথা ব্যবসাকে ধ্বংস করতে কর্মীদের নানাবিধ সুযোগ-সুবিধা বন্ধের মাধ্যমে এক অনিশ্চিত ভবিষ্যতের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সুপরিকল্পিত চক্রান্তে মেতে উঠেছে।

উল্লেখ্য, অভিযোগ ও লিগ্যাল নোটিশ দাতার অধীনে ফাইনানসিয়াল এসোসিয়েট, ইউনিট ও ব্রাঞ্জ ম্যানেজার এবং প্রায় ৩০ হাজার কর্মীর বকেয়া প্রাপ্ত সুবিধাদি না পেয়ে প্রতিষ্ঠানটির অচলাবস্থা তৈরি জন্য দায়ী করা হয়েছে। এটি নিরসনের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের কথা উল্লেখ করেন।

চন্দনাইশ প্রতিনিধি: দেশের চতুর্থ প্রজন্মের বীমা প্রতিষ্ঠান সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিকে ধ্বংস করতে ‘অনভিজ্ঞ’ প্রশাসক নিয়োগ দিয়ে নির্দিষ্ট দায়িত্ব বা চাকরিচ্যুত ব্যক্তির স্বার্থসিদ্ধির পথ তৈরি করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

এই ঘটনায় দায়ী বাংলাদেশ বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান জয়নুল বারী এবং সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের বর্তমান প্রশাসক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল (অবঃ) এস এম ফেরদৌসের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে ভুক্তভোগী নগরের লাল দিঘী শাখার ব্যবস্থাপক শফিকুল ইসলাম ও ওয়াসা শাখার ব্যবস্থাপক মোঃ নজরুল ইসলামের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এড. হেলাল উদ্দিন লিগ্যাল নোটিশ দেন। বিষয়টি জানিয়েছেন চট্টগ্রামের দোহাজারী শাখার ব্রাঞ্চ ম্যানেজার আনোয়ার হোসাইন।

সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ ও লিগ্যাল নোটিশ এবং বিভিন্ন সূত্রে জানা যায, ব্যক্তিগত স্বার্থসিদ্ধি ও সুবিধা গ্রহণের বিনিময়ে একাধিক ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির বোর্ড ভেঙে প্রশাসক নিয়োগের মাধ্যমে নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর স্বার্থসিদ্ধি করছেন জয়নুল বারীগং। এ জন্য তিনি কিছু কোম্পানিকে টার্গেট করেন এবং বিরোধী লোকজনকে দিয়ে নানান মিথ্যা অভিযোগ এনে চক্রান্ত সৃষ্টি করেন। বিভিন্ন অনিয়মে জড়িত বড় বড় কোম্পানির প্রতি রয়েছে তার সহানুভূতি। তাদের অনিয়মের জন্য সুবিধা নিতে পারলে দেখেও দেখেন না।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের অর্থ সচিব বরাবরে দেয়া অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, প্রতিষ্ঠানটির উদ্যোক্তা পরিচালক ও সাবেক চেয়ারম্যান মোস্তফা গোলাম কুদ্দুসের নেতৃত্বে সোনালী লাইফ গ্রাহকের দাবি নিষ্পত্তি ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শতভাগ দাবি-দাওয়া পরিশোধের অনন্য নজির স্থাপন করেছে। কিন্তু এই সাফল্যে ঈর্ষান্বিত হয়ে ও দুর্নীতির চেষ্টায় সুবিধা গ্রহণ করতে না পেরে মহলটি প্রতিষ্ঠানটির পেছনে লাগে। তার প্রেক্ষিতে গত ২ জুন দৈনিক যুগান্তর ও ৫ জুন বাংলাদেশ প্রতিদিনে সংবাদ প্রচার করে আংশকি তদন্তের কথা উল্লেখ করে গত ২১ এপ্রিল পরিচালনা পর্ষদের বিরুদ্ধে মিথ্যা দূর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ এনে পর্ষদ বাতিল করে প্রশাসক নিয়োগ করা হয়। সেই অভিযোগের তথ্য-উপাত্ত যাচাই-বাছাই না করে, পরিচালনা পর্ষদের কাছে ব্যাখ্যা না ছেয়ে এবং আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়ে নিয়ম বহির্ভূতভাবে আইডিআরএ চেয়ারম্যান এই প্রতিষ্ঠানে একজন অনভিজ্ঞ প্রশাসক নিয়োগ করেছেন। এই প্রশাসক মূলত ষড়যন্ত্রকারী গোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষার জন্যই নিযুক্ত হয়েছেন। তিনি দায়িত্ব নেওয়ার পরই কোম্পানি শীর্ষ কর্মকর্তাদের প্রতিপক্ষ করে তুলেছেন। তিনি কারো কথা শুনতে চান না। কোম্পানীর প্রায় ৩০ হাজার কর্মী অর্থকষ্টে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। এদের কথা চিন্তা না করে নিজের যা পছন্দ তাই বাস্তবায়নের চেষ্টা করেন। তার অংশ হিসেবে গত ২ মাসে উন্নয়ন কর্মকর্তাদের পারিশ্রমিক দেননি। দীর্ঘদিন ধরে পেয়ে আসা কমিশন এবং ইনসেনটিভ না দিয়ে তিনি শুধু কমিশন দিয়েছেন। তার অদূরদর্শিতার কারণে মে মাসে প্রিমিয়াম সংগ্রহ কমেছে প্রায় ৪২ শতাংশ।

অর্থনীতিবিদদের মতে, যে কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠানে যদি কোনো ধরনের অনিয়ম-দুর্নীতি অথবা মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগ ওঠে, তাহলে সেটির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের সুনির্দিষ্ট কিছু ধাপ রয়েছে। যেহেতু বীমা প্রতিষ্ঠানটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি, সেহেতু এই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে যে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণের আগে বাংলাদেশ সিকিউরিটি এক্সচেঞ্জ কমিশনের মতামত নেওয়ার দরকার ছিল। সেই সঙ্গে মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগ থাকলে বিএফআইইউকেও অবহিত করা দরকার ছিল। সবচেয়ে বড় কথা অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানের বোর্ড অব ডিরেক্টরের কাছে এ ব্যাপারে ব্যাখ্যা চেয়ে নোটিশ দেওয়া কিংবা তাদের আত্মপক্ষ সমর্থনের কোনো প্রকার সুযোগ না দিয়ে রাতারাতি বোর্ড ভেঙে দিয়ে প্রশাসক নিয়োগের ঘটনা নজিরবিহীন।

কর্মচারীরা অভিযোগ করেন, কোম্পানিকে পারিবারিক শত্রুতার হাতিয়ার বানানো হয়েছে। এর ফলশ্রুতিতে সম্প্রতি কিছু অসাধু কর্মকর্তার ষড়যন্ত্রের কারণে প্রতিষ্ঠানটি ধ্বংসের মুখে। প্রায় ৩০ হাজার মাঠকর্মীর ১১ বছরের অক্লান্ত পরিশ্রমে ৮ লক্ষাধিক পলিসি গ্রাহক তৈরির মাধ্যমে সাফল্যের অনন্য দিগন্তে পৌঁছে যাচ্ছিল। ঠিক তখন সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের প্রাক্তন সিইও মীর রাশেদ বিন আমানসহ একদল স্বার্থান্বেষী মহলের সহযোগিতায় নিজের আর্থিক লাভ, জাল-জালিয়াতি ও অনৈতিক ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার উদ্দেশ্যে সোনালী লাইফের স্বপ্নদ্রষ্টা ও বিজিএমই-এর সাবেক সভাপতি মোস্তফা গোলাম কুদ্দুস ও তার পরিবারের সদস্যদের সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন ও প্রতিষ্ঠান দখল করার পরিকল্পনা করে। এ লক্ষ্যে নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা তথা আইডিআরএ-এর চেয়ারম্যানকে হাত করে ষড়যন্ত্রকারীরা। কোম্পানির মৌলিক ভিত্তি তথা ব্যবসাকে ধ্বংস করতে কর্মীদের নানাবিধ সুযোগ-সুবিধা বন্ধের মাধ্যমে এক অনিশ্চিত ভবিষ্যতের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সুপরিকল্পিত চক্রান্তে মেতে উঠেছে।

উল্লেখ্য, অভিযোগ ও লিগ্যাল নোটিশ দাতার অধীনে ফাইনানসিয়াল এসোসিয়েট, ইউনিট ও ব্রাঞ্জ ম্যানেজার এবং প্রায় ৩০ হাজার কর্মীর বকেয়া প্রাপ্ত সুবিধাদি না পেয়ে প্রতিষ্ঠানটির অচলাবস্থা তৈরি জন্য দায়ী করা হয়েছে। এটি নিরসনের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের কথা উল্লেখ করেন।