চট্টগ্রামবৃহস্পতিবার , ১৮ জানুয়ারি ২০২৪
  1. অর্থনীতি
  2. আইন আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইসলাম
  5. খেলাধুলা
  6. গণমাধ্যম
  7. চট্টগ্রামের খবর
  8. জাতীয়
  9. জেলা/উপজেলা
  10. তথ্য প্রযুক্তি
  11. ধর্ম
  12. নারী ও শিশু
  13. নির্বাচনের মাঠ
  14. প্রেস বিজ্ঞপ্ত
  15. ফিচার
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মৌমাছির সাথে বসবাস

Nandi
জানুয়ারি ১৮, ২০২৪ ১০:০৬ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

জয়পুরহাট প্রতিনিধি: কথায় বলে দুধ কলা দিয়ে সাপ পুষলেও সুযোগ পেলে সাপ ছোবল মারে । মৌমাছিও হয়না কখনও বন্ধু। কিন্তু সব আশংখাকে মিথ্যা করে দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে মৌমাছির সাথে বসবাস করছে হবব হাজীর পরিবার ।

বাড়ীর দ্বিতল ভবনের বারান্দায় ছোট বড় ১৪/১৫ মৌচাক। হাজার হাজার উড়ন্ত মৌমাছির ভোঁ ভোঁ গুন্জনে মুখরিত পরিবেশ । আর এই মৌচাকের নিচেই বাড়ীর শিশু কিশোর ও বয়স্করা চলাচল করছে নির্ভয়ে । চাকের নিচেই বাড়ির মহিলারা করছেন রান্নার কাজ । এতে কোন ক্ষতিও করছে না তাদের। বরং চলাফেরা করার সময় পরিবারের সদস্যদের মৌচাকে মাথা বা হাত লাগলেও মৌমাছিগুলো হুল ফোটায় না। এমনি একটি বাড়ী পাঁচবিবি উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের পাঁচগাছি গ্রামের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ¦ হাবিবুর রহমানের (হবু হাজি)।

বাড়ির দ্বিতীয় তলার বারান্দায় হাজার হাজার মৌমাছি ছোট বড় ১৪ টি চাক বেঁধে বাস করছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বড় বড় চাক গুলো লম্বা হয়ে নিচের দিকে ঝুলে পড়েছে। মৌ চাকের মৌমাছি গুলো ভোঁ ভোঁ শব্দে উড়ে বেড়ালেও কাউকে হুল ফোটাচ্ছে না। এ যেন মৌমাছি আর মানুষের অন্য রকম এক ভালবাসা। এদিকে মৌমাছি আর মানুষের একই বসবাসের খবর শুনে মৌমাছির এই চাকগুলো দেখতে প্রতিদিনই ছুটে আসেন এলাকাবাসী।

মৌচাক দেখতে আসা প্রতিবেশী কয়েকজন বলেন, চেয়ারম্যান সাহেবের বাড়ীতে মানুষ আর মৌমাছি একই সঙ্গে বসবাস করছে শুনেছিলাম। আজ তা নিজ চোখে দেখলাম। সত্যিই এ এক অন্য রকম ভালবাসা। তারা বলেন, মৌছামাছি উড়ে আমাদের গায়ে এসে পড়লেও কাউকে হুল ফোটাচ্ছে না। এরকম ঘটনা আমরা আর আগে কখনও দেখিনি।

চেয়ারম্যানের ছেলে মোঃ ইদ্রিস আলী বলেন, মৌমাছিগুলো চাক বাঁধার পর থেকে বারান্দায় চলাফেরা,কাপড় শুকানো ও রান্না বান্নার কাজ করা হয়। এসময় চাকে কাপড় ও হাত লাগলেও মৌমাছিগুলো কামড়ায় না।

বাড়ির মালিক উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব হাবিবুর রহমান হবু হাজি বলেন, বছরের পর বছর মাছিগুলো চাক বেঁধে আছে। এখন পর্যন্ত কাউকে কামড়ায়নি। অনেক মানুষ মধু চাক থেকে মধু সংগ্রহ করার জন্য এসেছিল। আমি মধু সংগ্রহ করতে দেয়নি। যেহেতু মৌমাছিগুলো আমার বাড়ী নিরাপদ মনে করে বাসা বেঁধেছে এবং এরা যেহেতু আমাদের কোন ক্ষতি করে না সে কারনে মৌমাছিগুলোকে আমরা পরিবারের সদস্যের মতোই মনে করি।

উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ নিয়ায কাযমির বলেন, মৌমাছিগুলো যেখানে নিরাপত্তা,বাঁচার পরিবেশ ও খাবাবের ভালো সু-ব্যবস্থা পায় সেখানেই তারা বাসা বাঁধে। মৌমাছিকে বিরক্ত বা আঘাত করলে আত্মরক্ষার্থে তারা হুল ফোটায়। মৌমাছির হুলে মানুষের মারা যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। মৌমাছি থেকে নিরাপদ দূরত্বে অবস্থান করা উচিত।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।